আস্ত একটা মারুতি Swift-কে Lamborghini-তে বদলে দিল অসমের নরুল! কীভাবে জানলে আশ্চর্য হতে হবে
গাড়ি কেনা প্রত্যেক মধ্যবিত্তের কাছেই কার্যত স্বপ্নের মতো! আর সেটা যদি হয় লাক্সারি কিংবা কোনও স্পোর্টস কার তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু অনেক সময়েই ইচ্ছা থাকলেও উপায় হয়ে ওঠে না। যার কারণ হল টাকা। টাকা না থাকলে স্বপ্ন বাস্তব হ
গাড়ি কেনা প্রত্যেক মধ্যবিত্তের কাছেই কার্যত স্বপ্নের মতো! আর সেটা যদি হয় লাক্সারি কিংবা কোনও স্পোর্টস কার তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু অনেক সময়েই ইচ্ছা থাকলেও উপায় হয়ে ওঠে না। যার কারণ হল টাকা। টাকা না থাকলে স্বপ্ন বাস্তব হয়ে না। এটাই ধ্রুব সত্য।

আর এই সত্যিকেই কার্যত ভুল প্রমাণিত করেছে অসমের এক মেকানিক। একটা মারুতি গাড়িকে তাঁর স্বপ্নের গাড়ি বানিয়ে তুলেছেন নরুল হোক বলে এক ব্যক্তি। অসমের বাসিন্দা। ছোট গ্যারেজে কাজ করলেও তাঁর চোখেমুখে ছিল স্বপ্ন। একটা রেসিং কার তৈরি করতে হবে তাঁকে!
আর সেই স্বপ্নই নরুলকে বাস্তবের দিকে এগিয়ে দিয়েছে!
বলিউডের অন্যতম বিখ্যাত সিনেমা টারজান! সে সিনেমাতে দেখানো হয়েছে নায়ক একটা ভাঙাচোরা গাড়িকে নতুন করে দামি গাড়িতে তৈরি করেছে। আর এই সিনেমা দেখেই কার্যত স্বপ্ন দেখা শুরু হয় বাস্তবের নরুলের। আর সেই স্বপ্ন যে কখন যে নরুল বাস্তব করে ফেলবে সেটা বুঝতে পারেনি অনেকেই।
অসমের করিমগঞ্জ জেলার ভাঙাবাজার এলাকার একটা ছোট্ট গ্যারেজে কাজ করে নরুল। গাড়ির প্রতি একটা উৎসাহ ছিল তাঁর। গ্যারেজে কাজ করতে নিয়ে আসা বিভিন্ন গাড়িগুলি চড়ে দেখত সে। আর তা দেখতে দেখতে একটা মারুতি গাড়িকে একদিন আস্ত একটা স্পোর্টশ কার হিসাবে তৈরি করে ফেলে নরুল। যা দেখতে অনেকটাই ল্যাম্বরগিনির মতো। আর সেই গাড়ি তৈরি করে নরুল কার্যত সাড়া ফেলে দিয়েছে। নরুল জানিয়েছে, ল্যাম্বরগিনি আমার স্বপ্নের গাড়ি। কিন্তু তা কেনা সম্ভব নয়। আর তাই একটা মারুতি সুইফটকেই ল্যাম্বরগিনির আদলে তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়ছেন নরুল।
করোনার ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল গ্যারেজ। অফুরন্ত সময়। আর সেই সময়কে কাজে লাগায় বাস্তবের টারজান। সবার নজর এড়িয়ে একটা মারুতি সুইফটকে কীভাবে ল্যাম্বরগিনি বানানো যায় সেই চেষ্টাতে মন দেয় নরুল। আট মাস বাদে পুরো মারুতি সুজিকির গাড়িটা বদলে ফেলে নরুল।
এক ঝলক দেখলে কেউ বুঝতেও পারবেন না যে এটা একটি মারুতির গাড়ি। পুরো বিষয়টি করতে নরুলের মাত্র ছয় লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। নরুল জানিয়েছে, প্রথমে একটি মারুতি সুইফট গাড়ি কিনি। এবার সেটা থেকে পুরো চেসিস খুলে ফেলা হয়।
এরপর ইউ টিউবে থাকা একাধিক গাড়ি মডিফিকেশন ভিডিও দেখে কাজ চালিয়ে যেতে থাকে নরুল। আর এভাবে যে একটা আস্ত ল্যাম্বরগিনি তরি করে ফেলা যাবে তা নিজেও প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেনি সে। কিন্তু কঠিন লড়াই এবং অধ্যাবশ্যায় তাঁকে সাফল্যের দিকে এনে দিয়েছে।
নরুলের তৈরি গাড়ি দেখতে প্রত্যেকদিন ভিড় লেগে যায় তাঁর বাড়ির সামনে। কেউ গাড়িটিকে সামনে রেখে ছবি তুলছে কেউ আবার একটু চড়ে দেখছে। আর গাড়ি নিয়ে অসমের রাস্তায় বের হলে তো আর কথাই নেই। গাড়ি দাঁড় করালেই ভিড় লেগে যাচ্ছে। এই মুহূর্তগুলি নরুল উপভগ করছে।
আর আগামিদিনে আরও বেশ কয়েকটি গাড়ি এমন তৈরি করার সাহস পাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications