• search

গত ১৫ আগস্টে ছিল দেশপ্রেমিক, এবারে সে অভারতীয় - বিচিত্র এনআরসি কাহিনি

  • By Amartya Lahiri
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ২০১৭ সালের ১৫-ই আগস্ট বন্যা কবলিত আসামে গত বছর বুক-জলে দাঁড়িয়ে শিক্ষকের সঙ্গে দুই শিশুর ভারতের জাতীয় পতাকাকে স্যালুট করার একটি ছবি সারা দেশে প্রশংসিত হয়েছিল। তাদের দেশপ্রেমের কাহিনি উঠে এসেছিল সংবাদ মাধ্যমে। কিন্তু এই বছর সরকারের হিসেব অনুযায়ী সেই ছবির অন্যতম চরিত্র ছোট্ট হায়দার আর ভারতীয়ই নয়।

    গত ১৫ আগস্টে ছিল দেশপ্রেমিক, এবারে সে-ই অভারতীয়

    আসামে এনআরসি-র চুড়ান্ত খসড়া তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে ৪০ লক্ষ ৭০ হাজার ৭০৭ জন মানুষের নাম। এই বিপুল মানুষের মধ্যেই একজন হায়দার আলি। কিভাবে দেখছে সে পুরো ব্যাপারটা? সে জানিয়েছে এনআরসি-র কচকচানি সে বোঝে না। বড়রা যা বলবে, সে তাই করবে।

    (আরও পড়ুন - অসমের এনআরসি নিয়ে বিজেপিকে তুলোধোনা, 'হিন্দুত্ব তাস' খেললেন মমতা)

    তালিকায় অবশ্য় নাম রয়েছে ওই ভাইরাল হওয়া ছবি বাকি চরিত্রদের। নাম উঠেছে হায়দারের পরিবারের বাকি সদস্যদেরও। কিন্তু কোনও এক অদ্ভুত কারণে দেশপ্রেমের জন্য প্রশংসা কুড়নো ৯ বছরের হায়দারেরই ভারতীয় পরিচয় পায়নি।

    (আরও পড়ুন - এনআরসি নিয়ে জবাব মোদীর! বিশ্বাস হারিয়েছেন মমতা, আর যা বললেন প্রধানমন্ত্রী)

    কিন্তু সত্যিই কি হায়দাররা বাংলাদেশী? হায়দারের এক প্রতিবেশী জানিয়েছেন তাঁদের এলাকার মানুষদের অনেকসময়ই বাংলাদেশী তকমা এঁটে দেওয়া হয়, কিন্তু তাঁরা সবাই দেশপ্রেমী ভারতীয়। হায়দারের পরিবারের আশা শেষ পর্যন্ত ভারতীয় নাগরিকের তালিকায় উঠবে হায়দারের নামও। যেরকম আশায় বুক বাঁধছেন আরও ৪০ লক্ষ মানুষ।

    (আরও পড়ুন - হিটলারের থেকেও ভয়ঙ্কর সময় দেশে, আতঙ্কের পরিবেশের সহিষ্ণুতার বার্তা বিদ্বজ্জনেদের)

    English summary
    Last year a photo of two children along with their teacher, standing in chest-deep water and saluting the Indian flag went viral. One of the boys in that picture has found no place in NRC list.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more