• search

বাবা-মাকে অবহেলা করলে কাটা যাবে মাইনে, আইন আনল সরকার

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বাবা-মাকে অবহেলা করলে, যত্ন না নিলে, অথবা যে ভাইবোন শারীরিক প্রতিবন্ধী তাদের অবহেলা করলে চাকুরিজীবীরা বড় বিপদে পড়বেন। কারণ সরকার মাইনে কেটে নেবে এই সংক্রান্ত বিলও পাশ হয়ে গেল।

    বাবা-মাকে অবহেলা করলে কাটা যাবে মাইনে, আইন আনল সরকার

    অসম সরকার রাজ্য়ের বৃদ্ধ অভিভাবক ও অসহায় ভাইবোনদের সঠিকভাবে দেখাশোনা কড়া বিল পাশ করাল। বলা হযেছে কেউ বাবা মা অথবা প্রতিবন্ধী ভাইবোনদের অবহেলা করলে মাসিক বেতনের দশ শতাংশ কেটে নেওয়া হবে।

    কেটে নেওয়া টাকা বাবা-মা অথবা ভাইবোনদের মধ্য়ে ভাগ করে দেওয়া হবে। দ্য় অসম এমপ্লয়িজ প্য়ারেন্টস রেসপনসিবিলিটি অ্য়ান্ড নর্মস ফর অ্য়াকাউন্টিলিবিলিটি অ্য়ান্ড মনিটরিং বিল ২০১৭, অনুযায়ী এই আইন প্রণয়ণ করা হয়েছে।

    এই বিলকে অসমে চলতি কথায় বলে হচ্ছে অসম এমপ্লয়িজ প্রণাম বিল অসমের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, বহু বৃদ্ধ বাবা-মাকে বৃদ্ধাবাসে রেখে আসা, তাদের অবহেলা করা, বাড়িতে থাকা প্রতিবন্ধী ভাইবোনকে অত্য়াচার করার মতো নানা ঘটনা সামনে আসছিল, সেই দেখেই সরকার এই আইন আনার কথা ভাবে।

    একইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই বিলের উদ্দেশ্য় কারও ব্য়ক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ নয়। তবে অভিভাবক যাতে সন্তানের সঙ্গে নিশ্চিন্তে জীবনযাপন করতে পারেন, সেটাই সরকার নিশ্চিত করতে চাইছে।

    অসমে বিধানসভায় ধ্বনি ভোটে এই বিল পাশ করিয়েছে সরকার। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, অসমের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, আমলাদের জন্য়ও আলাদা করে এই ধরনের নতুন বিল অসমের সর্বানন্দ সোনওয়ালের সরকার পাশ করাবে।

    English summary
    Assam Assembly passes bill to ensure government staff take care of parents

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more