Arvind Kejriwal: মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারি নতুন নয়, কেজরিওয়ালের আগেও কারা রয়েছেন তালিকায় জেনে নিন
নির্বাচনী বিধি লাগু থাকার মধ্যেই গ্রেফতার মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু এই ঘটনা ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথম নয়। কয়েকমাস আগেই ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও গ্রেফতার করেছে ইডি। কারণ সেই দুর্নীতি।
গত ৩১ জানুয়ারি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা সুপ্রিমো হেমন্ত সোরেনকে হিসাব বহির্ভুত সম্পত্তি রাখা এবং কয়লা খনি বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে ইডি। যদিও গ্রেফতারির আশঙ্কা করে আগেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। এর আগে হেমন্ত সোরেনের বাবা শিবু সোরেনকেও মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকাকালীন গ্রেফতার করা হয়েছিল।

বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবকেও গ্রেফতার হতে হয়েছিল। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হতে হয়েছিল তাঁকে। ১৯৯০ সালে প্রকাশ্যে আসে এই দুর্নীতির কথা। ২০১৩ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। ৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে প্রথম আরজেডি সুপ্রিমোর নাম চার্জশিটে দিয়েছিল সিবিআই। তারপরেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং রাবড়ি দেবীকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতাকেও একই ভাবে গ্রেফতার হতে হয়েছিল দুর্নীতি মামলায়। এআইডিএমকে সুপ্রিমো জয়ললিতার বিরুদ্ধে হিসাব বহির্ভুত সম্পত্তি রাখার অভিযোগ ছিল। ২০১৪ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এবং চার বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে কর্নাটক হাইকোর্টে জামিনে মুক্ত হন তিনি। এই দুর্নীতির অভিযোগের পরেই মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে।
হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ওম প্রকাশ চৌতালাকেও একইভাবে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হতে হয়েছিল। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৩ সালে তাঁর ছেলে অজয় চৌতালাকেও গ্রেফতার করা হয়। এবার আদালত তাঁদের ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়।
অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল দুর্নীতি মামলায়। ২০২৩ সালে দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হয় চন্দ্রবাবু নাইডুকে। ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। বর্তমান ে অন্তর্বর্তী জামিেন মুক্ত রয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications