জয়ের ফর্মুলা মুঠোবন্দি করতে প্রশান্ত কিশোরের শরণে কেজরিওয়ালও
জয়ের ফর্মুলা তাঁর মুঠোবন্দি। যেই তাঁর শরণে এসেছেন সে নারাশ হননি। ক্ষমতা ফের মুঠোবন্দি হয়েছে তাঁর। ভারতীয় রাজনীতির জয়ের ম্যাজিশিয়ান হয়ে উঠেছেন এখন প্রশান্ত কিশোর।
জয়ের ফর্মুলা তাঁর মুঠোবন্দি। যেই তাঁর শরণে এসেছেন সে নারাশ হননি। ক্ষমতা ফের মুঠোবন্দি হয়েছে তাঁর। ভারতীয় রাজনীতির জয়ের ম্যাজিশিয়ান হয়ে উঠেছেন এখন প্রশান্ত কিশোর। বিহারের পর কয়েক রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীদের জিতিয়ে এখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হয়েছেন প্রশান্ত। এবার তাঁর শরণাপন্ন হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও।

প্রশান্তের সঙ্গে চুক্তিতে কেজরিওয়াল
সামনেই দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। রাজনীিতর সবচেয়ে জটিলতম পরিস্থিতি রয়েছে এই দিল্লিতেই। তার উপরে কেজরিওয়াল সরকারেকে হারাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি। হাইপ্রোফাইল নেতা আর ভোটারদের ভিঁড়ে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সেই ম্যাজিশিয়ানের শরণাপন্ন হয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি জানিয়েছেন সম্প্রতি প্রশান্তের তৈরি সংস্থা পলিটিকাল অ্যাকশন কমিটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

জয়ের কারিগর প্রশান্ত
২০১৪ সালে মোদীর জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই উত্থান প্রশান্ত কিশোরের। কারণ মোদীর এই জয়ের কারিগর নাকি ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর বিচক্ষণ রাজনৈিতক দূরদর্শীতাই মোদীকে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছিল। প্রশান্তের উত্থান সেই শুরু তারপর বিহারে নীতীশ সরকারকে জয় এনে দিয়েছেন তিনি। নীতীশের সঙ্গে সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি জেডিইউ-তে যোগ দেন। তবে নিজের কাজ ছাড়েননি। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল যে হারের সম্মুখীন হয়েছিল তার থেকে দলকে বের করে আনতে সেই প্রশান্ত কিশোরের শরণাপন্ন হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ফলও মিলেছে বিধানসভা উপনির্বাচনে। তিনটি কেন্দ্রেই বিপুল ভোটে জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেটা দেখে এবার আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালও প্রশান্তের শরণাপন্ন হয়েছে। তার আগে তামিলনাড়ুর ডিএমকেও প্রশান্তের সাহায্যে নিয়েছে।

কংগ্রেসকেও সাফল্য দিয়েছেন প্রশান্ত
২০১৭ সালে পাঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে সাহায্য করেছিলেন প্রশান্ত। উত্তর প্রদেশে না পারলেও পাঞ্জাবে সরকার গড়েছে কংগ্রেস। সবটাই এসেছে প্রশান্তের ক্যারিশ্মাতেই। কাজেই এক কথায় বলতে গেলে প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আর বিচক্ষণতাই এখন ভারতের তাবড় রাজনীতিকদের ভরসার কারণ হয়ে উঠেছেন।












Click it and Unblock the Notifications