Article 370: ৩৭০ ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়! প্রভাবিত হবে মোদী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি
Article 370: সংবিধানের ৩৭০ ধারার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। গত ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট কেন্দ্রের মোদী সরকার ওই মর্যাদা বাতিল করে দেয়। তারপর থেকে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক আবেদন জমা পড়ে। যা নিয়ে শুনানি হওয়ার পরে রায়দান স্থগিত রাখা হয়। এদিন সেই রায়দান হতে চলেছে।
সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কৌল, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি সূর্যকান্ত। ১৬ দিনের শুনানির শেষে গত ৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট এব্যাপারে রায়দান স্থগিত রাখে।

সুপ্রিম কোর্টের এদিনের সিদ্ধান্ত গত চার বছরে কেন্দ্রের নেওয়া বেশ কয়েকটি বড় সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।
- প্রসঙ্গত সংবিধানের ৩৭৯ ধারা ভারতের মধ্যে থেকে জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল। সেখানে কেন্দ্রের আইন প্রঁণয়ন ক্ষমতা ছিল সীমাবদ্ধ। অর্থ, প্রতিরক্ষা, বিদেশনীতি এবং যোগাযোগ ছাড়া সব বিষয়ে আইনসভাকে আইন প্রণয়নের অনুমতি দিয়েছিল।
- সংবিধানের ৩৭০ ধারার অধীনে ছিল অনুচ্ছেদ ৩৫এ। ১৯৫৪ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে কাশ্মীরের পুরনো বিধানগুলি চালিয়ে যেতে মত দিয়েছিল। সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দাদের সংজ্ঞা দিয়ে, বহিরাগতদের স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন, জমি কেনা, স্থায়ী সরকারি চাকরি বা শিক্ষা বৃত্তির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। মহিলাদের ক্ষেত্রে যদি তাঁরা বাইরের কাউয়ে বিয়ে করেন, তাহলে সম্পত্তির অধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছিল।
- কেন্দ্রীয় সরকার ৩৭০ ধারা বাতিলের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ গঠন করে। বিধানসভা ছাড়াই লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এদিকে ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের কোনও বিধানসভা নির্বাচন না হওয়ায় তা কেন্দ্র নিযুক্ত লেফটেন্ট্যান্ট গভর্নরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
- ২০২২ সালের মে মাসে জম্মু ও কাশ্মীর ডিলিটেশন কমিশন জম্মু ও কাশ্মীরের নতুন সীমানা, নাম ও বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা জানিয়ে দেয়। গত ৫ মে কমিশন চূড়ান্ত নির্দেশ জারি করে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জম্মুতে ৪৩ টি আবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট কাশ্মীরে ৪৭ টি আসন নির্ধারণ করেছ। অর্থাৎ বর্তমানের ৮৩ টি থেকে ৯০ টি আসন করা হয়েছে। সাতটি নতুন আসনের ছটি জম্মুর জন্য এবং একটি কাশ্মীরের জন্য চূড়ান্ত করেছে।












Click it and Unblock the Notifications