• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পুলিশ খুনের অভিযোগ অস্বীকার জিতু ফৌজির! অভিযুক্ত আর পরিবারের দাবিতে 'তফাত'

গ্রামবাসীদের সঙ্গে বুলন্দশহর হিংসা-স্থলে ছিলেন। কিন্তু পুলিশকর্মী খুনে তাঁর কোনও ভূমিকা নেই। জিজ্ঞাসাবাদে জিতু ফৌজি এমনটাই জানিয়েছে বলে উত্তরপ্রদেশর এসটিএফ সূত্রে খবর। অন্যদিকে অভিযুক্তের ভাই ধর্মেন্দ্র মালিকের দাবি, তাঁর ভাইকে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। বিশ্বাসঘাতকতার সামিল সে। আরও দাবি, তাঁর কাছে প্রমাণ আছে ঘটনার সময় ভাই ঘটনাস্থলে ছিল না।

পুলিশ খুনের অভিযোগ অস্বীকার জিতু ফৌজির! অভিযুক্ত আর পরিবারের দাবিতে তফাত

মিরাট এসটিএফ-এর এসএসপি অভিষেক সিং জানিয়েছেন, যে সময় গ্রামবাসীর জমায়েত করতে শুরু করেছেন, সেই সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের এমনটাই জানিয়েছেন জিতেন্দ্র মালিক।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ তেমনই প্রমাণ পেয়েছে। তবে পুলিশ ইনস্পেক্টর কিংবা সুমিত নামে যুবককে গুলি করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা কী ছিল তা পরিষ্কার নয়। গ্রামবাসীদের সঙ্গে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও পাথর ছোড়ার কথা সে অস্বীকার করেছে।

সোপরে কর্মরত ২২ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের জওয়ান জিতেন্দ্র মালিক ওরফে জিতু ফৌজিকে শনিবার উত্তর প্রদেশ এসটিএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

৩ ডিসেম্বর বুলন্দশহরে গরুর হাড় পড়ে থাকতে দেখে উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজনা থেকে হিংসা। সেই হিংসায় গুলিতে প্রাণ যায় ইনস্পেক্টর সুবোধ কুমার সিং এবং ২২ বছরের যুবক সুমিত কুমারের। সিটের রিপোর্টে জানানো হয়, দুজনকে একই রিভলবার থেকে গুলি করা হয়েছিল। পুলিশ মনে করছে, পুলি করেছিল জিতু ফৌজিই। সে প্রথমে ফাঁকায় গুলি করে। পরে পুলিশকর্মীকে খুন করে।

যদিও গুলিতে পুলিশকর্মীর মৃত্যুর ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলে বর্ণনা করে ইতিমধ্যেই বিতর্কের মুখে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

ধৃত সেনাকর্মীর ভাই ধর্মেন্দ্র মালিকের দাবি, তাঁর ভাইকে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। বিশ্বাসঘাতকতার সামিল সে। আরও দাবি, তাঁর কাছে প্রমাণ আছে ঘটনার সময় ভাই ঘটনাস্থলে ছিল না।

English summary
Army jawan brought to Meerut, denies involvement in Bulandshahr cop killing
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X