• search

অসমে ফের নীতি পুলিশের দাপট, অবিবাহিত যুবক-যুবতীকে মারধর করে জোর করে বিয়ে দেওয়া হল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বিজেপি শাসিত অসমে ফের 'নীতি পুলিশ'-এর দাপট। মোটোরবাইকে চড়ে যাওয়া অবিবাহিত যুবক-যুবতীকে টেনে হিচড়ে বাইক থেকে নামিয়ে প্রথমে মারধর, শাসানি চলে। তারপর গ্রামের মাতব্বররা জোর করে তাদের বিয়ে দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত যুবকের দাদা। সোশাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ওই গ্রামের দুজনকে গ্রেফতার করেছে।

    অসমে ফের নীতি পুলিশের দাপট

    ঘটনাটি অসমের গোয়ালপাড়া জেলার। গত মঙ্গলবার ওই জেলার পুখুরপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের পথ আটকায় গ্রামবাসীরা। ঘটনার ভিডিও-য় এক গ্রামবাসীকে একটি গাছের ডাল হাতে ওই যুবক-যুবতীকে শাসাতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে অনেক প্রত্যক্ষদর্শী থাকলেও কেউ ঘটনার প্রতিবাদ করেননি, উল্টে ভিড়ের মধ্য থেকে অপর এক ব্যক্তিকে একটি বাঁশের মোটা কঞ্চি নিয়ে এসে এই যুবতীকে প্রহার করতে দেখা যায়।

    অসম পুলিশের ডিজি কূলধর সাইকিয়া বলেন, 'আমাদের কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি। কিন্তু ঘটনার কথা জানতে পেরে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একি মামলা দায়ের করে এবং মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।' গতকালই ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ, অপর অভিযুক্তকে গ্রেফহার করা হয়। তাদের তদন্ত করে ওই ঘটনায় জড়িত বাকিদের সন্ধান পাওয়ার আশা করছে পুলিশ।

    মাত্র কয়েকদিন আগেই এই অসমেরই কার্বি আঙলঙ জেলায় শিশু অপহরণকারী সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে মধ্যযুগীয় বর্বর কায়দায় গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে মেরে ফেলেছিল জনতা। এই দুজন গাড়ি নিয়ে ডোকমোকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। স্থানীয়দের রাস্তার দিক নির্দেশ জিজ্ঞেস করছিলেন। সেসময়ই শিশু অপহরণকারী ভেবে তাদের এপর হামলা চালিয়েছিল স্থানীয়রা। সেই ঘটনার রেশ মিটতে না মিটতেই আবার এক নীতি পুলিশের হাতে নাকাল হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এল। রাজ্যে এই প্রবণতা বাড়তে থাকায় চিন্তিত শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন অসমবাসী।

    English summary
    An unmarried couple was dragged off a motorcycle and thrashed by a mob and then forced to get married at a village in Assam.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more