মোদীর শাসনকালে দেশের অর্থনীতির কি দশা পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন অমিত মিত্র
মোদীর শাসনকালে দেশের অর্থনীতির কি দশা পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন অমিত মিত্র
নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা অমিত মিত্রের। দেশের আর্থিক পরিস্থিতি মোদীর জমানায় কীভাবে নষ্ট হয়েছে পরিসংখ্যান তুলে ধরে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেছেন ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ নতুন উদ্যোগপতি দেশ ছেড়ে গিয়েছেন। প্রায় ৩৫ হাজার উদ্যোগপতি দেশ ছেড়ে গিয়েছেন বলে দাবি করেছেন অমিত মিত্র।

শ্বেত পত্র প্রকাশের দাবি
দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শ্বেত পত্র প্রকাশের দাবি করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি বলেছেন দেশে যেভাবে একের পর এক উদ্যোগপতি অন্য দেশে চলে যাচ্ছেন তার কারণ ব্যাখ্যা করুন প্রধানমন্ত্রী মোদী। প্রধানমন্ত্রী মোদীর জমানাতেই কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা জানতে চেয়েছেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেছেন প্রচুর পরিমানে সম্পদ নিয়ে তাঁরা বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন ৭০০০ উদ্যোগপতি দেশ ছেড়েছে ২০১৯ সালে আর ৫০০০ উদ্যোগপতি দেশ ছেড়েছেন ২০২০ সালে।

ভারতে বাণিজ্য করতে ভয় পাচ্ছেন
অমিত শাহ অভিযোগ করেছেন উদ্যোগপতিরা ভারতে ব্যবসাকরতে ভয় পাচ্ছেন সেকারণেই তাঁরা এখান থেকে চলে যাচ্ছেন। দেশের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে মোদী সরকারের আর্থিক নীতি। এভাবে চলতে থাকলে তা দেশের পক্ষে মঙ্গলজনক হবে না বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশ বিরোধী কাজ করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন অমিত শাহ।

বাণিজ্যে ঘাটতি
করোনা পরিস্থিতির জেরে দেশের অর্থনীিত যাকে বলে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কয়েকদিন আগেই আন্তর্জাকিত ক্ষুধা সূচক প্রকাশিত হয়েছিল তাতে দেখা গিয়েছে ভারতের অবস্থা বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের থেকেও খারাপ। তাতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে ভারত। সূচকের পরিসংখ্যান ঠিক ভাবে নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছে মোদী সরকার। কিন্তু গত এক বছরে যেভাবে পরিযায়ীশ্রমিকরা কাজ হারিয়েছেন তাতে ক্ষুধা মেটানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে অসংখ্য মানুষের। অসংখ্য মানুষ কাজ হারিয়েছেন।

আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি
গত এক বছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি তলানিতে এসে ঠেকেছে। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে দফায় দফায় লকডাউনে থমকে গিয়েছিল ব্যবসা। দোকান বাজার বন্ধ থাকায় কেনাকাটাতেও প্রভাব পড়েছে।তার জেরে মূদ্রাস্ফীতি হয়েছে দেশে। সব জিনিসের দাম অগ্নিমূল্য পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছিল দেশে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যও থমকে গিয়েছিল করোনা কারণে। আমেরিকা সফরে গিয়ে তাই বাণিজ্য টানতে উদ্যোগী হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।












Click it and Unblock the Notifications