• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা লকডাউনে এনআরসির কোপ, বিদেশি তকমায় অনাহারে দিন কাটছে মিনারা বেগমদের

করোনা আবহের মধ্যেই অসমে এনআরসির কোপে ডিটেনশন সেন্টারে থাকা ২৪৬ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এতোদিন যাঁরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তির জন্য অধীর হয়ে উঠেছিলেন, মুক্তি পেেয় এখন তাঁরা খাবার জোটাতে পারছেন না। বিদেশি তকমা থাকায় দেশের কোনও সুযোগ সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন। শুধু শুনছেন আত্মনির্ভর ভারত অভিযান প্যাকেজের কথা। আর জল খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন অসমের মিনারা বেগমরা।

ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি

ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি

অসমে এনআরসি চালু হওয়ার পর প্রায় ৭০০ জনকে বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে ডিটেনশন সেন্টারে রেখেছিল রাজ্য সরকার। করোনা সংকটে তাঁদের মধ্যে ২৮৬ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিদেশি তকমা দিয়েই তাঁদের মুক্তি দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই মুক্তির স্বাদ তাঁরা নিতে পারছেন না। মিনারা বেগমরা বুঝতে পারছেন না ডিটেনশন সেন্টারই ভাল ছিল না সেখান থেকে মুক্তি পেয়ে ভাল আছেন।

বিদেশি তকমা

বিদেশি তকমা

ডিটেনশন সেন্টার থেকে ছাড়ার আগে বিদেশি তকমা দেওয়া হয়েছে এই ২৮৬ জনকে। তাঁরা অসমেই নিজেদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। কিন্তু গত ১০ বছর ধরে আইনি লড়াই লড়তে লড়তে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। মিনারা বিবির স্বামী পল্ট্রি ফার্ম চালিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছেন স্ত্রীর নাগরিকত্ব প্রমাণের লড়াই চালাতে চালাতে। গত তিন মাস ধরে অসুস্থ হয়ে বাড়িতে বন্দি তিনি। উপার্জন লাটে উঠেছে। বাড়িতে একটি দানাও খাবার নেই। স্ত্রী বাড়ি ফিরেছে ঠিকই কিন্তু আপনজনকে কাছে পাওয়ার আনন্দ পাচ্ছেন না দু'জনের কেউই। মিনারা বেগম ভাবছেন ডিটেনশন সেন্টারই ভাল ছিল। অন্তত দুবেলা খাবার জুটত।

সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত

সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত

বিদেশি তাঁরা তাই এদেশের কোনও সরকারি সাহায্য তাঁদের জন্য নয়। একদেশ এক রেশন কার্ড। বিনামূল্যে চাল-ডাল। ব্যবসার লোকসান মেটাতে অনুদান, ব্যাঙ্ক ঋণ কোনও কিছুই তাঁদের জন্য নয়। কারণ তাঁরা বিদেশি, বেআইনি অনুপ্রবেশ কারী। ভারতে নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে পারেননি তাঁরা। ১০ বছর টানা ডিটেনশন সেন্টারে কাটাতে হয়েছে তাঁদের। তাই আত্মনির্ভর ভারতের অংশিদার নন তাঁরা।

অসমে এনআরসি

অসমে এনআরসি

২০১৯ সালটা জুড়েই গোটা দেশ তোলপাড় হয়েছে একটি ইস্যুতে সেটা নাগরিকত্ব। এনআরসি। অসমে প্রায় ১.৩ লাখ বািসন্দাকে বিদেশি তকমা দেওয়া হয়েছে। এনআরসি তালিকায় ঠাঁই হয়নি তাঁদের। বিজেপি নেতারা হুঙ্কার দিয়েছেন বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেওয়া হবে দেশ থেকে। সেই হুঙ্কার শোনা গিয়েছে অমিত শাহের মুখেও। এই নিয়ে আগুন জ্বলেছে অসমে। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। মিনারা বেগমদের মত অসমের অসংখ্য বাসিন্দা এখন এরআরসির কোপে বিদেশি। বেআইনি অনুপ্রবেশকারী।

প্রতীকী ছবি

রাজ্যপালের পদ ফাঁকা, যোগ্য প্রার্থীর বিবরণ দিয়ে পাল্টা টুইট তৃণমূল সাংসদের

English summary
Amidst Coronavirus lockdown Declared Foreigners are in huge truble in Assam
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more