হামলাকারীদের চিহ্নিত করে ক্ষতিপূরণের চেষ্টা, সাবধানবাণীর পর কাজ শুরু আদিত্যনাথের
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাবধানবাণী দেওয়ার একদিন পরেই হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাবধানবাণী দেওয়ার একদিন পরেই হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ইতিমধ্যেই হামলাকারীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনের তরফ থেকে ৪ সদস্যের প্যানেল গঠন করা হয়েছে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতির পরিমাণ নিরুপনের জন্য।

সংবাদ সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অতিরিক্ত জেলাশাসক (পূর্ব)কে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের জন্য গঠিত কমিটির প্রধান করা হয়েছে। লখনৌ শহরের পূর্ব দিকের ক্ষয়ক্ষতি তিনি নিরুপন করবেন।
অন্যদিকে অতিরিক্ত জেলাশাসক(পশ্চিম) এবং অতিরিক্ত জেলাশাসক(ট্রান্স গোমতি)কে তাদের এলাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করতে বলা হয়েছে। লখনৌর জেলাশাসক জানিয়েছেন, অতিরিক্ত জেলাশাসক (প্রশাসন)কে গ্রামীণ এলাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
হিংসায় সাহায্যের অভিযোগ ৬৭ টি দোকান সিল করে দিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। রামপুর জেলাপ্রশাসন ২৫ জনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ক্ষতির টাকা আদায় করার জন্য। রামপুরের জেলাশাসক জানিয়েছেন, তারা সিসিটিবি ফুটেজ তেকে ২৫ জনকে চিহ্নিত করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, পাথর ছোড়ার ঘটনায় বহু প্রতিবাদকারীকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে গোরক্ষপুর পুলিশ প্রায় ৫০ জনের ছবি প্রকাশ করেছে, সেখানে হিংসা যুক্ত থাকার অভিযোগে। ভিডিও ফুটেজ থেকে এদের চিহ্নিত করা হয়েছে. জানিয়েছে প্রশাসন।
এখনও পর্যন্ত উত্তর প্রদেশে হিংসার ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রচুর সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও স্থান নেই। যাঁরা হামলা চালিয়েছে, তাদের ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সনাক্ত করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications