লকডাউনে বন্ধ গণ পরিবহন, বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটেই বাড়ির দিকে যাত্রা দেশের দিন মজুরদের
লকডাউনে বন্ধ গণ পরিবহন, বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটেই বাড়ির দিকে যাত্রা দেশের দিন মজুরদের
দেশজুড়ে লকডাউনের পরিস্থিতি। এরকম অবস্থায় গণ পরিবহনের সব মাধ্যমই বন্ধ। দেশের অর্থনীতির অচলাবস্থা চলছে। এরকম অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভিন রাজ্যের দৈনিক শ্রমিকরা।

পায়ে হেঁটেই বাড়ি ফিরছেন শ্রমিকরা
বুধবার থেকেই দেখা গিয়েছে যে ভিন রাজ্যের শ্রমিকরা দীর্ঘ রাস্তা অতিক্রম করে নিজেদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ২৫ মার্চ থেকে আহমেদাবাদের একশোজন ভিন রাজ্যের শ্রমিক তাঁদের বাড়ি গুজরাতে যাওয়ার জন্য হাঁটা শুরু করেন। তাঁরা প্রত্যেকেই আহমেদাবাদে দিন মজুরের কাজ করতেন, কিন্তু লকডাউনের কারণে শহর একেবারেই অচল হয়ে পড়েছে। সাংবাদিক অনুমেহা এমনই এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন যেখানে সুরাটের শ্রমিকরা ৫০০ কিমি হেঁটে উনাতে তাঁদের বাড়ির দিকে যাচ্ছেন। আর এক সাংবাদিক অলোক পাণ্ডে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন যেখানে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের এক তরুণ শ্রমিক ৮০ কিমি হেঁটে তাঁর গ্রাম বারাবুঁকির দিকে হাঁটছেন।

পুলিশি হেনস্থার মুখোমুখি
দীর্ঘ রাস্তা অতিক্রম করাই শুধুমাত্র শ্রমিকদের প্রতিবন্ধকতা নয়, অনেকেই লকডাউনের নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন বলে পুলিশি হেনস্থার মুখোমুখিও হতে হচ্ছে। এরকমই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে উত্তরপ্রদেশের বাদাউন পুলিশ এক শ্রমিককে মারছে, যিনি গোয়ালিয়ারে তাঁর বাড়িতে ফিরছিলেন। একই চিত্র দেখা গিয়েছে দিল্লিতেও, যেখানে হাজার শ্রমিক উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানাতে নিজেদের বাড়ি ফিরছেন পায়ে হেঁটে। জানা গিয়েছে, শ্রমিকরা তাঁদের পরিবার ও সদ্যোজাত শিশুদের নিয়ে ২০০ কিমি রাস্তা গত দু'দিনে অতিক্রম করেছেন পায়ে হেঁটে।

শ্রমিকরা এখনও সরকারি সহযোগিতার বাইরে
বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে যে ভারতের শ্রমশক্তির প্রায় ৮১ শতাংশ এখনও সরকারি সুরক্ষা খাতের বাইরে রয়েছেন এবং এই সময়ও তাঁরা কোনও ধরনের সহযোগিতা, প্রকল্প বা ত্রাণ পাচ্ছেন না। প্রসঙ্গত ক্রমবর্ধমান আতঙ্কের পরিপ্রেক্ষিতে, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ দেশে ২১ দিনের লকডাউনের কারণে অভিবাসী শ্রমিকদের সাহায্য করতে একটি ১.৭ ট্রিলিয়ন ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications