• search

সমালোচনা শুনতে নারাজ মোদীর মন্ত্রী! সরকারি মঞ্চে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে অপমান

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    রাজ্য সরকার ও দলীয় বিধায়কের সমালোচনা করায় অবসর প্রাপ্ত শিক্ষককে বলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজেন গগৈ-এর বিরুদ্ধে। নিজের এলাকার খারাপ রাস্তার কথা তুলে ধরেছিলেন ওই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। মন্ত্রী ওই শিক্ষককে বাধা দিয়ে বলার আর সুযোগ দেননি।

     সমালোচনা শুনতে নারাজ মোদীর মন্ত্রী! সরকারি মঞ্চে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে অপমান

    অসমের নগাঁও-এ স্বচ্ছ্ব ভারত মিশনের অনুষ্ঠান। সেখানে বলার সুযোগ পেয়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। সেখানে তিনি রাস্তার খারাপ অবস্থার কথা তুলে ধরেন। স্থানীয় বিধায়ককে একাধিক আবেদন করার কথাও জানান। এই সময় মাইক বন্ধ করে দেন মঞ্চে থাকা কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রাজেন গগৈ।

    অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেছিলেন, বছরের পর বছর ধরে নগাঁও-এর অমলাপট্টির বিবি রোডের সাবওয়ের অবস্থা খুবই খারাপ। তারা আশা করেন নতুন সরকার এবং নতুন বিধায়ক এই অবস্থার উন্নতিতে ব্যবস্থা নেবেন। বারবার আবেদন নিবেদনেও কোনও ফল মেলেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    মঞ্চে তখন উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় রেলপ্রতিমন্ত্রী রাজে গগৈ। তিনি তাঁর চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান, শিক্ষকের দিকে এগিয়ে যান এবং তাঁর মাইক বন্ধ করে দেন।

    কেন বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছে জানানো হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অবসরপ্রাপ্ত ওই শিক্ষক নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে মঞ্চে এসেছেন বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী।

    অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মন্ত্রীর প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করলেও, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাধায় তা ব্যর্থ হয়। মন্ত্রী বলেন, ভাষণ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। একইসঙ্গে মন্ত্রীর উপদেশ, যদি তাঁর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে মন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে যেন জানানো হয়। কিন্তু কোনও ভাবেই তা যেন সাধারণ মানুষের সামনে না হয়।

    অবসরপ্রাপ্ত ওই শিক্ষকের তিরস্কারের ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর অসমের বিভিন্ন জায়গায় মন্ত্রীর কুশপুতুল জ্বালিয়ে বিক্ষোভও হয়।

    English summary
    After bad road allegation from Retired Assam Teacher, central miniater allegedly Blocked Mic

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more