ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

ফুটবল ছেড়ে অস্ত্র তুলে নেওয়া লস্কর জঙ্গি এক সপ্তাহের মধ্যে ফিরে এল ঘরে, জানেন কীভাবে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

     কিছুদিন আগেই উগ্রপন্থার রাস্তা বেছে নিয়ে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই তৈবায় যোগ দিয়েছিল কাশ্মীরের তরুণ ফুটবলার মাজিদ আরশিদ খান। তাকে আবার মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা গিয়েছে। মাজিদকে ফিরিয়ে আনতে বার বার তার পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের দিয়ে আনুরোধ করায় পুলিশ। স্বজনদের অনুরোধে কিছুটা বরফ গলে যায়। আর তারপরই  কাশ্মীরের আওন্তিপোরায় সেনার হাতে ধরা দেয় সে। আসে এই সাফল্য।

    ফুটবল ছেড়ে অস্ত্র তুলে নেওয়া লস্কর জঙ্গি এক সপ্তাহের মধ্যে ফিরে এল ঘরে, জানেন কীভাবে

    [আরও পড়ুন:মহিলাঘটিত সম্পর্কে মেতেই সেনার গুলিতে খতম হয় কাশ্মীরের ত্রাস এই কুখ্যাত জঙ্গিরা]

    অনন্তনাগের এই তরুণ ফুটবলার এক সপ্তাহ আগে ফেসবুকে জানায় যে , সে লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনটিতে যোগ দিয়েছে। কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মাজিদ ইতিমধ্যেই বহু এনজিও -র সঙ্গে কাজ করেছে। তাই ফেসবুকে তাকে চিনতে অসুবিধে হয়নি কারোর। তবে বর্তমানে সে পুলিশ ও সেনার সঙ্গেই রয়েছে। পুলিশের তরফে এই ঘটনাকে স্বাগত জানানো হয়েছে। মায়ের কোলে ছেলে ফিরে আসায় অত্যন্ত খুশি কাশ্মীর পুলিশও। এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে ভারতীয় সেনাও।

    উল্লেখ্য, মাজিদ যখন জঙ্গি সংগঠনটিতে যোগ দেয়, তখন তা বিস্মিত করে তাঁর পরিবার থেকে বন্ধুবান্ধব সকলকে। বাবা মার একমাত্র সন্তান মাজিদ যে অস্ত্র ছেড়ে আবারও পুরনো জীবনে ফিরে যাচ্ছে তাতে খুশি উপত্যকার এলাকাবাসীরাও । প্রসঙ্গত, মাজিদের বন্ধু ইওয়ার নিসার দক্ষিণ কাশ্মীরের এক এনকাউন্টারে নিহত হয়, তারপর থেকেই মোড় ঘুরে যায় মাজিদের জীবনের। ক্রমাগত উগ্রপন্থায় আগ্রহ বাড়ে মাজিদের।

    English summary
    Young footballer Majid Arshid Khan who had joined militant ranks seven days ago has returned and is now with police. On November 10, Khan a resident of Anantnag town announced his joining of militancy on the social networking site Facebook. Carrying an Ak 47, everyone recognized him as Khan was a popular sportsperson and also worked with an NGO.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more