• search

দিল্লির মুখ্যসচিবকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত বিধায়কদের তিহার জেলে পাঠানো হল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    দিল্লির মুখ্যসচিবকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত আপ বিধায়ক আমানাতুল্লা খান ও প্রকাশ জরওয়াল কে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হল। এঁদের বিরুদ্ধে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়িতে, মুখ্যমন্ত্রীর সামনে ,মুখ্যসচিব অংশু প্রকাশকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। যদিও আমআদমি পার্টির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    দিল্লির মুখ্যসচিবকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত বিধায়কদের তিহার জেলে পাঠানো হল

    এদিন , দুই অভিযুক্ত বিধায়ককে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তোলা হয়। ধৃতদের দাবি ছিল যাতে তাঁদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু জামিনে মুক্তিতো দূরের কথা তাঁদের তিহার জেলে বিচারবিভাগীয় হেফজতে রাখার নির্দেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শেফালি টান্ডন। আদালতের তরফে জানানো হয়, এই মামলা অত্যন্ত 'সংবেদনশীল'। উল্লেখ্য, মুখ্যসচিব অংশু প্রকাশের অভিযোগের ভিত্তিতে এই দুই বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়।

    এর আগে, গতকাল দিল্লির মুখ্যসচিবের মেডিক্যাল রিপোর্ট আসে দিল্লির অরুণা আসাফ আলি সরকারি হাসপাতাল থেকে। সেই রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, অংশু প্রকাশের কানের পিছনে একটি চোটের চিহ্ন রয়েছে। এর আগে, কানের পিছনে ডান চোখে যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে যান ওই সরকারি আমলা। আর তার প্রেক্ষিতেই দেখা গিয়েছে, কানের পিছনের দিকে একটু ফোলা রয়েছে। এছাড়াও কালসিটের দাগও পাওয়া যায়।

    English summary
    AAP MLAs sent to 14-day judicial custody in Delhi chief secretary assault case.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more