• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে অস্বীকার, কিশোরকে রাস্তায় ফেলে মার এবার যোগীরাজ্যে

ফের জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে অস্বীকার করায় মারধরের ঘটনা ঘটল। এবার বাংলা ছাড়িয়ে ধর্মীয় স্লোগানকে কেন্দ্র করে আতঙ্কের ছবি উত্তরপ্রদেশে। জয় শ্রীরাম স্লোগান না দেওয়ায় কানপুরে বছর ১৬-র এক কিশোরকে মারধর করা হয়। কানপুরের কিদওয়াই নগরে জুম্মার নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল মহম্মদ তাজ। তখনই তার উপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে চার যুবক।

শুক্রবার নামাজ সেরে ফেরার সময় মোটরসাইকেলে করে তিন বা চারজন যুবক তার পথ আটকায়। তাকে ঘিরে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে থাকে। তারপর ওই কিশোরের উপর চাপ সৃষ্টি করে জয় শ্রীরাম বলানোর জন্য। কিন্তু মহম্মদ তাজ জয় শ্রীরাম বলতে অস্বীকার করায় তাঁকে কষিয়ে থাপ্পড় কষায় যুবকরা।

জয় শ্রীরাম স্লোগান না দেওয়ায় কিশোরকে রাস্তায় ফেলে মার

ওই কিশোর জানায়, মাথায় ফেট্টি বাঁধা কয়েকজন যুবক তাকে মারধর করে। তাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। তখন সাহায্যের চিৎকার শুরু করে সে। তার আর্ত চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় ব্যবসায়ী-দোকানদাররা। তাঁরা ছুটে এলে ওই তিন চার যুবক পালিয়ে যায়। দোকানদার-ব্যবসায়ীরাই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

চার যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ চার যুবকের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে। কদিন আগেই কলকাতার উপকণ্ঠে এক শিক্ষককে ট্রেন থেকে ছুঁড়ে ফাল হয় জয় শ্রীরাম স্লোগান না দেওয়ায়। তারপর ঝাড়খণ্ডে এক যুবকের প্রাণ পর্যন্ত চলে যায় এই জয় শ্রীরাম স্লোগানের প্রকোপে।

লোকসভা ভোট পর্ব থেকেই দেশজুড়ে জয় শ্রীরাম স্লোগানকে নিয়ে ছেলেখেলা শুরু করেছে বিজেপি। এমনকী ধর্মীয় স্লোগানকে শুধু রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করাই নয়, এই স্লোগানকে লোকসভায় পর্যন্ত টেনে নিয়ে গিয়ে কলঙ্কিত করা হয়েছে সংসদকে।

English summary
A teenage Muslim boy is allegedly beaten refusing to chant ‘Jay Shri Ram’ in Kanpur of UP. They beat him brutally.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more