• search

যোগীর রাজ্যে বসে ট্রাম্পের দেশে সন্ত্রাসের হুমকি! এফবিআই-এর সহায়তায় এটিএসের জালে যুবক

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    শনিবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী শাখা (এটিএস) এলাহাবাদ থেকে এক ১৮ বছরের যুবককে গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্ত্রাসবাদি হামলা চালিয়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি বিমানবন্দর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

    তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অ্যান্টি টেরোরিস্ট সেলের আইজি অসীম অরুণ।

    সন্ত্রাসবাদি হামলার হুমকি

    সন্ত্রাসবাদি হামলার হুমকি

    অক্টোবরের ২ থেকে ৩১ তারিখের মধ্যে বেশ কয়েকবার মায়ামি বিমানবন্দরে সন্ত্রাসবাদি হামলার হুমকি দিয়ে ফোন এসেছিল। সেই ফোন কলে বলা হয়েছিল, 'একে৪৭, গ্রেনেড, সুইউসাইড বেল্ট নিয়ে এসে সবাইকে মেরে ফেলব।'

    এফবিআই-এর তদন্ত

    এফবিআই-এর তদন্ত

    তদন্তে নেমে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই জানতে পারে ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে ওই হুমকি দেওয়া হয়েছে। আইপি অ্যাড্রেসের সন্ধান করে তারা দেখে ফোনকলটি আসছে উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ থেকে।

    যেভাবে গ্রেফতার

    যেভাবে গ্রেফতার

    এরপরই এফবিআই ভারতের তদন্তকারী সংস্থা এআইএ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানায়। এনআইএ তথ্য দেয় উত্তর প্রদেশের পুলিশকে। তাদের অ্যান্টি টেরোরিস্ট সেই এদিন ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে শীঘ্রই চার্জশীট পেশ করা হবে।

    কেন এরকম করলো সে?

    কেন এরকম করলো সে?

    জানা গিয়েছে মাসকয়েক আগে সে ১০০০ মার্কিন ডলারের বিট কয়েন কিনে প্রতারিত হয়েছিল। এরপরই সে এফবিআই-এর কাছে অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু এফবিআই-এর তদন্তে আশানুরূপ ফল না পাওয়াতেই সে মায়ামি বিমানবন্দর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে শুরু করে।

    English summary
    An 18-year-old man from Uttar Pradesh was arrested by the police. He allegedly threatened to blow up Miami airport of United States.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more