• search

দাদুর বয়সী বৃদ্ধের সঙ্গে ১৬ বছরের নাবালিকার বিয়ে ,হায়দরাবাদের ঘটনা এখন ভাইরাল ইন্টারনেটে

  • By Soumik Bose
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    এক নাবালিকাকে ওমানের এক ৬৫ বছরের বৃদ্ধের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করলেন নাবালিকার মা। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দরাবাদে। নাবালিকাকে মাসকাট থেকে দেশে ফিরিয়ে আনারও আর্জি জানিয়েছেন ওই মহিলা । ওই বৃদ্ধের দাবি, ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে বিয়ে করেছেন তিনি, সেই টাকা ফেরত দিলেই ওই নাবালিকাকে ফেরত পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    দাদুর বয়সী বৃদ্ধের সঙ্গে ১৬ বছরের নাবালিকার বিয়ে ,হায়দরাবাদের ঘটনা এখন ভাইরাল ইন্টারনেটে

    এই ঘটনায় নিজের ননদ ও তাঁর স্বামী সিকান্দারকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। নবাব সাহেব কুন্টা এলাকার বাসিন্দা সৈইদা উন্নিসা অভিযোগ করেছেন, রমজান মাসে ওমান থেকে ওই বৃদ্ধ হায়দরাবাদে আসেন। সেসময়ই উন্নিসার অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোর করে কাজি ডেকে তাঁর মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন উন্নিসা। তাঁর ননদ ঘৌসিয়া ও ননদের স্বামী সিকান্দারই একাজ করেছে বলে অভিযোগ। এমনকী ওই বৃদ্ধের দেওয়া ৫ লক্ষ টাকাও সিকান্দরই নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উন্নিসা।

    ফলকনুমা থানায় অভিযোগ দায়ের করে উন্নিসা আরও জানিয়েছেন, বিয়ের পর চারদিন একটি হোটেলে ছিল ওই বৃদ্ধ। কিন্তু তারপর সে সিকান্দারের বাড়িতেই ওঠে। সিকান্দরই ওই নাবালিকার পাসপোর্ট ও ভিসার ব্যবস্থা করে দেয় বলে অভিযোগ। মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আর্জি জানিয়ে বার বার সিকান্দরের বাড়িতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন উন্নিসা ।

    আপাতত তাঁক একটাই আর্জি, মেয়েকে তাঁর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুক প্রশাসন সেইসঙ্গে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

    [আরও পড়ুন: স্ত্রীর কথা না শোনায় এই ক্ষতি হয়ে গেল স্বামীর]

    English summary
    A hyderabadi minor forced to marry a 65 year old Sheikh of Oman, now her mother wants her back to India.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more