বুস্টার ডোজ ছাড়া নিত্যনতুন ভ্যারিয়েন্টের হাত থেকে রক্ষা নেই, মত এইমস প্রধানের
বুস্টার ডোজ ছাড়া নিত্যনতুন ভ্যারিয়েন্টের হাত থেকে রক্ষা নেই, মত এইমস প্রধানের
বর্তমানে ভারতে করোনা গ্রাফ বেশ খানিকটা কমলেও নতুন করে উদ্বেগ বাড়াতে শুরু করেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। এদিকে আলফা, গামা, বিটার পর ডেল্টা হানাতেই দ্বিতীয় ঢেউয়ে সর্বাধিক খারাপ অবস্থা হয় ভারতের। এমনকী বর্তমানে নতুন করে চোখ রাঙাতে শুরু করেছে ডেল্টা প্লাস। এমনকী বিশ্বের একাধিক দেশেই বর্তমানে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নিত্যনতুন স্ট্রেন।

আর এই সমস্ত নয়া করোনা স্ট্রেনের হাত থেকে বাঁচতে করোনা টিকার বুস্টার ডোজ বিশেষ ভাবে প্রয়োজন বলেই মনে করছেন অল ইন্ডিয়া ইন্সস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস বা এইমসের প্রধান ডাঃ রণদীপ গুলেরিয়া। বুস্টার ডোজ ছাড়া করোনার নয়া প্রতিরূপের বিরুদ্ধে লড়াই কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছেন এই স্বাস্থ্য কর্তা।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “করোনার বিরুদ্ধে আমাদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে টিকা অবশ্যই দরকারি। সেই সঙ্গে দরকারি বুস্টার ডোজ। নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে এই বুস্টার ডোজ নিলেই তবেই সম্পূর্ণ সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। কারণ এই বুস্টার ডোজই করোনা একাধিক ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়তে আমাদের সর্বত ভাবে সাহায্য করে থাকে।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কোভিশিল্ড হোক বা কোভ্যাক্সিন করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজটিকেই সাধারণত বুস্টার ডোজ হিসাবে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই দুই ভ্যাকসিন ছাড়াও আরও একাধিক সংস্থা তিন ডোজের করোনা টিকা নিয়েও জোরদার গবেষণা চালাচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজটিই আদপে বুস্টার ডোজ। এদিকে বর্তমান ভারতে কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নেওয়ার ৮৪ দিনের মাথায় দ্বিতীয় বুস্টার ডোজটি নিতে হয়। কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে এই ব্যবধান ৪২ দিনের। আগে যা ছিল ২৮ দিনের।












Click it and Unblock the Notifications