• search

নোট বাতিলের ৫০ : বর্তমান পরিস্থিতিটা ঠিক কী?

  • By Shreshtha Chanda
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    নয়াদিল্লি, ২৯ ডিসেম্বর : নোটবাতিলে পর থেকে ৫০ দিনের সময়সীমা শেষের মুখে। ৩০ ডিসেম্বরের পর থেকে আর ব্যাঙ্কে পুরনো টাকা জমা দিয়ে পাওয়া যাবে না নতুন নোট।

    এই নোট বাতিল ঘিরে চরম সমস্যার মধ্যে পড়ে সাধারণ মানুষ। এটিএম-এ টাকা মিলছে না, কম দামের জিনিস কিনলে নতুন ২০০০ নোট খুচরো করানো যাচ্ছে না, ব্যাঙ্ক এটিএমের সামনে লম্বা লাইন, তার উপর টাকা তোলার উপর ঊর্ধ্বসীমা জারি। এর উপর আয়কর দফতরের জুজু তো রয়েইছে।

    প্রধানমন্ত্রী নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর বলেছিলেন ৫০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ৫০ দিন শেষ হতে চলল, কিন্তু বর্তমান চিত্রটা কি বলছে।

    জালা টাকার বাজার

    জালা টাকার বাজার

    নোট বাতিলের ঘোষণায় সবচেয়ে বড় যে সাফল্য পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল জাল নোট চক্র প্রায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। এতদিন, বাজারে ৫০০ ও ১০০০ টাকার ভুরি ভুরি জালনোট ঘোরাফেরা করছিল, কিন্তু নোট বাতিলের ঘোষণার পর তা প্রায় ধুয়ে মুছে গিয়েছে। যদিও আধিকারিকদের দাবি নোট বাতিলের জেরে এই সমস্যাকে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা যাবে না। ইতিমধ্যেই খবর রয়েছে নতুন নোটের জালিয়াতিও শুরু হয়ে গিয়েছে পাকিস্তানে।

    সন্ত্রাসবাদী সংগঠন

    সন্ত্রাসবাদী সংগঠন

    প্রাথমিক ভাবে শোনা যাচ্ছিল নোট বাতিলের জেরে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলি টাকার সমস্যায় পড়েছে। তাদের তহবিল প্রায় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আদতে ততটা সমস্যাও হয়নি।

    সূত্রের খবর, যারা পাকিস্তান থেকে কাজ চালাচ্ছে তাদের কাছে ভারতীয় মুদ্রার উপর নির্ভরশীল হওয়ার মাত্রা খুবই কম।

    মাদক পাচারকারী

    মাদক পাচারকারী

    তবে ভারতের ড্রাগ পাচারকারী বা মাদক মাফিয়ারা সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে সমস্যায় পড়েছে। কারণ নতুন নোটের অভাবে মাদকের বেচাকেনা অনেকটাই কমেছে। এখনও এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারেনি মাদক মাফিয়ারা।

    কালো টাকা

    কালো টাকা

    নোট বাতিলের মূল লক্ষ্যই ছিল কালো টাকা নিয়ন্ত্রন করা। যদিও এই সিদ্ধান্তের জেরে সেই লক্ষ্যের কাছাকাছি সরকার কতটা পৌঁছতে পেরেছে তা অবশ্যই তর্ক সাপেক্ষ।

    তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, অল্প পরিমান কালো টাকার অধিকারীরা স্ক্যানারে এসেছে। কিন্তু আসল সমস্যাটা হল যারা বিশাল পরিমাণ কালো টাকার অধিকারী তাদের নিয়ে।

    আর এই বিশাল পরিমাণ কালোটারা অধিকাংশই বিদেশে জমিয়ে রাখা আছে। সেক্ষেত্রে নোট বাতিল দিয়ে কালো টাকা উদ্ধারে কোনও লাভ হওয়ার কথা নয়। হয়ওনি। আগামী দিনেও শুধু মাত্র নোট বাতিলের ঘোষণা দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভবও হবে না।

    অর্থনীতি

    অর্থনীতি

    বাজারে ঘুরপাক খাওয়া মোট টাকার মধ্যে ৮৬ শতাংশ টাকাই পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে ছিল। সেই জায়গা নতুন নোট দখল করছে খুবই মন্থর গতিতে।

    ব্যাঙ্কগুলি এখনও নোট সঙ্কটে ভুগছে। সরকারের কাছে টাকা তোলার ঊর্ধ্বসীমা না তোলার আকুতি করছে। বাজার থেকে ১৫ লক্ষ কোটি টাকার পুরনো নোট ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অথচ সেই জায়গায় ৬.৫ লক্ষ টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়া হয়েছে। চাহিদা ও জোগানের যে মূল সমস্যা প্রথম থেকে চলছিল তার পরিমাণ মাইক্রো মিলি শতাংশ কমেছে হয়তো, তবে তা যথেষ্ট নয় কোনওভাবেই। এই অসামঞ্জস্যের জেরে ভোগান্তি আরও কিছুদিন চলবে।

    এটিএম

    এটিএম

    নোট বাতিলের পর থেকে এটিএমগুলিও একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অধিকাংশ এটিএম কাজ করছিল না, যেগুলি কাজ করছিল তাতে লম্বা লাইন। পরিস্থিতি আগের চেয়ে কিছুটা ঠিক হলেও সমস্যা এখনও প্রবল।

    দেশের ২,০০,০০০ এটিএমের মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ এখনও কাজ করছে না অধিকাংশ সময়। ফলে টাকা তোলা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এখনও।

    ডিজিটাল পেমেন্ট

    ডিজিটাল পেমেন্ট

    সরকার ক্যাশলেস লেনদেন বা ডিডিটাল পেমেন্টে জোর দিচ্ছে। কিন্তু আজও দেশের মধ্যে এমন বহু এলাকা রয়েছে যেখানে বিদ্যুৎ পৌঁছয়নি, ইন্টারনেটের নামও শোনেননি অনেকে, হাতে স্মার্ট ফোন থাকা দুরস্ত মোবাইব ফোনের সুবিধা নেই, ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নেই, তাদের সমস্যা নোটবাতিলের পর থেকে বেরেছে বই কমেনি। পরিস্থিতি এখনও একই।

    বেতন

    বেতন

    বেতন, পেনশনও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৫৬০ মিলিয়ন মানুষ যারা কারখানায় কাজ করে যাদের মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ সংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করে। অর্থাৎ মাত্র ১০ শতাংশ ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বেতন পান। অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে এখনও সময় কাটাচ্ছে।

    English summary
    50 days of demonetisation: A reality check

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more