• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

‌বেঙ্গালুরু থেকে উচ্ছেদ করা হল ২৩ জন অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসীদের

বেঙ্গালুরু থেকে উচ্ছেদ করা হল অবৈধ বাংলাদেশী অভিবাসীদের। জানা গিয়েছে, করিয়াম্মানা আগ্রাহারাতে এক ব্যক্তির জমিতে বাংলাদেশী অভিবাসীরা দখল করে, সেখানে ২৩টি ঝুপড়ি বানিয়ে থাকছিলেন। রবিবার পুলিশের পক্ষ থেকে তা তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশী অভিবাসী অভিযোগে উচ্ছেদ

বাংলাদেশী অভিবাসী অভিযোগে উচ্ছেদ

যদিও জমির মালিক চেতন বাবু নিজেই জানিয়েছেন যে তারা সকলে কর্নাটকের অন্য অংশ ও দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অংশ থেকে এসেছেন। বাংলাদেশ বা অন্য কোনও দেশের বাসিন্দা নন এঁরা। পুলিশ জমির মালিককে এক নোটিশের মধ্য দিয়ে জানিয়েছেন যে ওই ঝুপড়িগুলি ভেঙে বাংলাদেশীদের সরিয়ে দেওয়া হোক। নোটিশে আরও বলা হয়েছে যে বেআইনিভাবে তাঁদের বিদ্যুতের লাইনও দেওয়া হয়েছিল। এই বাংলাদেশী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রচুর অভিযোগ ইতিমধ্যেই পেয়েছে। ১১ জানুয়ারি মারঠাহাল্লি পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ আসে, যেটি ওই জমি সংলগ্ন এক আবাসনের বাসিন্দা করেছিলেন। তিনি অভিযোগে জানিয়েছিলেন যে এই অভিবাসীরা এখানে উপদ্রব করছে। যদিও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি মারাঠাহাল্লি পুলিশ ও ডিসিপি।

এই অভিবাসীদের মধ্যে ত্রিপুরার কোলাগান, যিনি নিজের আশ্রয়স্থল হারিয়েছেন, বলেন, ‘‌শনিবার পুলিশ আমাদের বসবাস করার জায়গাটি পরিদর্শনে আসেন এবং জানান যে আমরা বাংলাদেশী অভিবাসী এবং আমাদের এখান থেকে উঠে যেতে বলেন। আমরা আমাদের নথি দেখাই কিন্তু পুলিশ সেগুলি দেখার প্রয়োজন বোধ করেনি। রবিবার তারা মাটি কাটার যন্ত্র এনে আমাদের ঝুপড়িগুলো ভেঙে দেয়। এখন আমরা কোথায় যাব?‌'‌

‘‌আমরা ভারতীয়, রয়েছে প্রয়োজনীয় নথি’‌

‘‌আমরা ভারতীয়, রয়েছে প্রয়োজনীয় নথি’‌

অভিবাসীরা অনেকেই শ্রমিক, পরিচারক-পরিচারিকা, অনেকেই জঞ্জাল কুড়ায় আবার অনেকে নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করেন। তাঁরা জানিয়েছেন যে তাঁরা সকলেই ভারতীয় এবং তাঁদের বৈধ নথিও রয়েছে। তাঁরা সেগুলি পুলিশকে দেখাতেও চেয়েছেন কিন্তু পুলিশ তা দেখতে ইচ্ছুক নয়। বরং পুলিশ তাঁদের এই জমি ফাঁকা করার জন্য জোর দেন এবং ঝুপড়ি ভেঙে দেওয়ার কথাও জানান। বাসভেশ্বরা নামে আর এক অভিবাসী বলেন, ‘‌বেলানডুরের এক বেসরকারি সংস্থায় আমি গৃহকর্মীর কাজ করি। আমার স্ত্রী আমায় দুপুরে জানায় যে আমাদের ঝুপড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমি খুবই হতভম্ভ হয়ে যাই। আমাদের কাছে নথি রয়েছে এবং আমরা কোপ্পালের গঙ্গাবতীর বাসিন্দা। কিন্তু তাও আমার ঝুপড়ি ভেঙে দিল। আমি কাজ থেকে চলে আসি এবং তড়িঘড়ি করে সেখানে যাই। বর্তমানে আমরা একটি লজে রয়েছি এবং ভালো থাকার জায়গা খুঁজছি। আমাদের থাকাক জায়গা নেই। আমরা খুবই চিন্তিত।'‌

সকলেই ভারতীয়, জানান জমির মালিক

সকলেই ভারতীয়, জানান জমির মালিক

পুলিশের চাপে রবিবার জমির মালিক চেতন বাবু মাটি কাটার যন্ত্র নিয়ে আসেন এবং মারাঠাহাল্লি পুলিশের সামনে ২৩টি ঝুপড়ি ভেঙে ফেলেন। যদিও বাবু জানিয়েছেন যে এই জমিতে যাঁরা বাস করতেন তাঁরা কেউই বাংলাদেশী অভিবাসী নন, বরং তাঁরা ভারতীয়। তিনি বলেন, ‘‌পুলিশের নির্দেশেই আমায় ঝুপড়ি ভাঙতে হল। এই জমির মালিক আমি ও আমার সাত ভাই। কর্নাটকের বিভিন্ন অংশ সহ পশ্চিমবঙ্গ, অসম, বিহার এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে মানুষ এসে এখানে বাস করেন। প্রত্যকেরই নথি রয়েছে।'‌ প্রাথমিকভাবে উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দাদের অনুমান, বিবিএমপির কর্মীরাই নির্দেশ পেয়ে ঝুপড়ি ভেঙেছে। যদিও মহাদেবপুরা জোনের স্পেশাল কমিশনার রণদীপ ডি ঘটনাটি অস্বীকার করেছে।

'পরীক্ষা পে চর্চা'-য় ব্যর্থতা কাটানোর ভোকাল টনিক প্রধানমন্ত্রীর, উঠে এল চন্দ্রযান প্রসঙ্গ

প্রতীকী ছবি

English summary
While some inhabitants are labourers, some others are domestic helps, waste-pickers and security guards
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more