• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

থমথমে অসমে চলছে ২৪ ঘণ্টার বনধ, আতঙ্কে আমজনতা, ক্ষোভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে

শুক্রবারের পরে শনিবারও থমথমে অসম। বরাক উপত্যকা, তিনসুকিয়া সহ গোটা অসমে বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। চলছে ২৪ ঘণ্টার বনধ। এমন নৃশংস ঘটনায় ভয়ঙ্কর আতঙ্কে রয়েছে আমজনতা। শুক্রবার তিনসুকিয়ায় ১২ ঘণ্টার বনধ পালিত হয়। এদিনও বনধ চলছে। গোটা অসমের মানুষ ঘটনার প্রতিবাদ করছেন। দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

থমথমে অসমে চলছে ২৪ ঘণ্টার বনধ, আতঙ্কে আমজনতা

তিনসুকিয়া, বরাক উপত্যকায় পরিস্থিতি বেশ থমথমে। গোটা এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা রয়েছে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে মানুষের ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন সকলে।

শুক্রবার এই ঘটনার পর সারা দিন গোটা অসম জুড়ে নানা জায়গায় বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। প্রান্তিক মানুষরা পথে নেমে টায়ার পুড়িয়ে, রাস্তায় পাথর ফেলে প্রতিবাদ করেন। এমন নৃশংস ঘটনা অনেকেই শোনেননি বলে জানান। নিরাপত্তাহীনতার কথা বলেন।

থমথমে অসমে চলছে ২৪ ঘণ্টার বনধ, আতঙ্কে আমজনতা, ক্ষোভ প্রশাসনের বিরুদ্ধে

অসমের তিনসুকিয়ায় ঢোলা-সাদিয়া ব্রিজের কাছে বৃহস্পতিবার অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা সেনার পোশাকে এসে পাঁচজনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনায় বেঁচে যায় একজন। মোট ছয়জনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা হয়।

এই ঘটনায় অসমের আলফা জঙ্গিদের দিকে অভিযোগের আঙুল ওঠার পরে তারা এই ঘটনা অস্বীকার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষীরা ধরা পড়বে। একমাত্র বেঁচে গিয়েছেন সহদেব নমঃশূদ্র। তিনিই গোটা ঘটনা সকলকে জানান।

More assam NewsView All

English summary
24 hours strike on in Assam, operation on to arrest culprits of killings
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more