জেনে নিন মুম্বইয়ের কোন কোন জায়গা কেঁপে উঠেছিল ১৯৯৩ সালের বিস্ফোরণে
মুম্বই, ৩০ জুলাই : ১২ মার্চ ১৯৯৩, ভারত সবচেয়ে বড় নাশকতার ঘটনার সাক্ষী থাকল। এদিন মুম্বইয়ের বেশ কয়েকটি জায়গায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয় যার মূল পাণ্ডা হিসাবে উঠে আসে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের নাম।
বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতেই মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে জানা যায়। ঘটনার দিন প্রথম বিস্ফোরণটি হয় বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে। ২৮ তলা এই বিল্ডিংটিতে তখন বহু মানুষ কাজ করছিলেন। ঘটনায় মারা যান মোট ৮৪ জন। এরপরে প্রায় ২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সারা মুম্বইকে আতঙ্কে রেখে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। মোট ১৩ টি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। শেষ বিস্ফোরণটি হয় দুপুর ৩ টে ৪০ মিনিটে। নিচে দেখে নিন, সেদিন কোথায় কোথায় বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল দাউদ ও তার সঙ্গীরা। কতজনই বা মারা গিয়েছিল এইসব জায়গায়।

বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ
দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় প্রাণ হারান ৮৪ জন নিরীহ মানুষ।
কলবাদেবী
এখানে বিস্ফোরণ হয় দুপুর ২ টো ১৫ মিনিট নাগাদ। মারা যান ৫ জন।
শিব সেনা ভবন
এখানে ঠিক দুপুর ২ টো ৩০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণ হয়। মোট ৪ জন মারা যান এখানে।
এয়ার ইন্ডিয়া বিল্ডিং, নরিম্যান পয়েন্ট
দুপুর ২ টো বেজে ৩৩ মিনিটে প্রবল শব্দে বিস্ফোরণ হয়, মারা যান ২০ জন।
মাহিমে মৎসজীবীদের কলোনি
এখানে দুপুর ২ টো ৪৫ মিনিটে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনায় মোট ৩ জন প্রাণ হারান।
ওরলি সেঞ্চুরি বাজার
এখানেও ওই একই সময়ে দুপুর ২ টো ৪৫ মিনিটে বিস্ফোরণ হয়। তবে জনবহুল এই অঞ্চলে প্রাণ হারান ১১৩ জন মানুষ।
জাভেরি বাজার
বিকেল ৩ টে নাগাদ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে জাভেরি বাজার এলাকা। মোট ১৭ জন নিরীহ মানুষ মারা যান এখানে।
হোটেল সি রক, বান্দ্রা
ঠিক বিকেল ৩ টে ১০ মিনিটে বিস্ফোরণ হয় এখানে। তবে কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
প্লাজা সিনেমা, দাদর
দাদরের এই এলাকায় বিস্ফোরণ হয় দুপুর ৩ টে ১৫ মিনিটে। ঘটনার মারা যান ১০ জন।
হোটেল জুহু সেন্টর
এখানে বিস্ফোরণ হয় বিকেল ৩ টে ২০ মিনিটে। ঘটনার কারও মৃত্যু হয়নি।
সাহর এয়ারপোর্ট সংলগ্ন অঞ্চল
এখানে বিস্ফোরণ হয় বিকেল ৩ টে ৩০ মিনিটে। এখানেও হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
হোটেল এয়ারপোর্ট সেন্টর
শেষ বিস্ফোরণটি হয় এখানে। মারা যান ২ জন।












Click it and Unblock the Notifications