• search

বোমার রাজধানী এখন বাংলা, ১৫০টি তাজাবোমা উদ্ধার বীরভূমে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কলকাতা, ১৩ জানুয়ারি : বীরভূমের মহুলারা গ্রামে ১৫০টি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। ২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এই ঘটনা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল বাংলায় বোমা উৎপাদন হচ্ছিল এবং করা হবেও, তাও নেহাত কম সংখ্যায় নয়। গত অক্টোবর থেকে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে ৩৫০টির মতো বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।

    দিন দশেক আগেই এই একই জেলা থেকে প্রায় ৭০টি বোমা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এর আগে মালদায় বর্ধমান কাণ্ডের অভিযুক্ত রেজাউলের বাড়ি থেকে ১০০টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এছাড়াও সম্প্রতি শহরের বুকে দমদম রেলস্টেশনে তাজা বোমা ফেটে দুই শিশু আহত হয়েছিল। সেই এলাকাতেই তল্লাশি চালিয়ে আরও ৩টি বোমা উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

    বোমার রাজধানী এখন বাংলা, ১৫০টি তাজাবোমা উদ্ধার বীরভূমে

    পশ্চিমবঙ্গে বোমা যোগ

    বাংলায় বোম কালচার নতুন কথা নয়। শুধু এই সরকারের আমলে নয়, বাম আমলেও মূলত নির্বাচনের সময় বহুল পরিমানে বোমা উদ্ধার করা হত।

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে তদন্তে নেমে এরাজ্য থেকে যে পরিমাণ বোমা পাওয়া গিয়েছে, তার সিংহভাগই রাজনৈতিক লড়াইয়ে ব্যবহার করা হয় বলে জানা গিয়েছে. রাজনৈতিক দলগুলির শক্তির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ধরণের তাজা বোমা। তদন্তে এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

    সন্ত্রাসবাদের জন্য বোমা

    বর্ধমান পর্ব দেখিয়ে দিয়েছে এরাজ্য থেকে সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্যও বোমার ব্যবহার হয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদ গোষ্ঠীর পরিপূর্ণ মডিউল বাংলায় এসে তাদের ভিত শক্ত করেছিল। আর তা সম্ভব হয়েছিল কারণ তারাও বুঝতে পেরেছিল বাংলায় বোমার জন্য ভরপুর চাহিদা ও বাজার দুই রয়েছে। এই যে ১৫০টি বোমা পাওয়া গিয়েছে তাতেও জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের হাত রয়েছে বলেই অনুমান পুলিশের। কারণ, জামাত জঙ্গিতের তাছে সহজেই বোমা তৈরির কাঁচামাল আসত। ফলে বোমা বানাতেও কোনও সমস্যা হয়নি।

    English summary
    150 bombs found in West Bengal, State is the bomb capital today

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more