Zika virus: পরিস্থিতির উপর কড়া নজর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের! কেরল যাচ্ছেন ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল
একে করোনাতে রক্ষা নেই আবার জিকাতে আতঙ্ক! কেরলে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে জিকা ভাইরাস। এখনও পর্যন্ত সে রাজ্যে ১৪ জনের মধ্যে জিকা ভাইরাসের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। যুগ্ম স্বাস্থ্য অধিকর্তা লাভ আগরওয়াল জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত
একে করোনাতে রক্ষা নেই আবার জিকাতে আতঙ্ক! কেরলে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে জিকা ভাইরাস। এখনও পর্যন্ত সে রাজ্যে ১৪ জনের মধ্যে জিকা ভাইরাসের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। যুগ্ম স্বাস্থ্য অধিকর্তা লাভ আগরওয়াল জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া ভাবে নজর রাখছে। ইতিমধ্যে সে রাজ্যে কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি দলও পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লাভ আগরওয়াল জানিয়েছনে, হঠাত জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত বেশ কয়েকজন রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনই আতঙ্কের কছু দেখছে না কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

টিমে থাকছে বিশেষজ্ঞ টিম
শনিবার সকালে ছয় সদস্যের কেন্দ্রীয় টিম উড়ে যাবে কেরলের উদ্দেশ্যে। পুরো পরিস্থিতিতে সরজমিনে দেখবে এই টিম। জানা যাচ্ছে, ছয় সদস্যের এই টিমে রয়েছে রোগ বিশেষজ্ঞ আধিকারিকরা। রয়েছেন vector-borne disease বিশেষজ্ঞ। এছাড়াও এইমসের আধিকারিকরা। এইমস ইতিমধ্যে সে রাজ্যের জন্যে সম্পূর্ণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। যে কোনও ক্লিনিকাল সাপোর্ট দেওয়ার জন্যে তৈরি তাঁরা। জানা যাচ্ছে, এই টিম সে রাজ্যের সাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক সারবে।

প্রথম সংক্রমণ কার
সূত্রের খবর পারাসালার ২৪ বছরের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার শরীরে প্রথম জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। তবে সাম্প্রতিক কালে তার অন্য কোথাও যাওয়ার বা সফর করার কোনওতথ্য মেলেনি। কেরল-তামিলনাড়ু সীমানার কাছেই রয়েছে এই মহিলার বাড়ি। তারপরেই গোটা জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীনা জর্জ এই নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন।

পশ্চিমঙ্গেও সতর্কতা জারি
জিকা ভাইরাসের আতঙ্কে পশ্চিমবঙ্গেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রাজ্যে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারীকরা যেন এই নিয়ে সতর্ক থাকেন। জিকা ভাইরাস মোকাবিলায় বিশেষ বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েেছ।

কীভাবে ছড়ায় জিকা
ডেঙ্গির মশা এডিস থেকেই ছড়ায় জিকা ভাইরাস। তবে জিকা ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা চিহ্নিত করা খুবই কঠিন। কারণ আলাদা কোনও উপসর্গ দেখা দেয় না তাঁদের শরীরে। মাথাধরা, জ্বর, চোখ লাল হয়ে যাওয়া,গাঁটে গাঁটে ব্যাথার মতো উপসর্গ থাকে। েডঙ্গির ক্ষেত্রেও এই ধরনের উপসর্গ থাকে। সবচেয়ে বেশি বিপদ অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের। তাঁরে গর্ভস্থ শিশুর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। তার পরিণাম ভয়ঙ্কর হয়। শিশুটি জন্মের পরেও মস্তিস্কের বৃদ্ধি হয় না।












Click it and Unblock the Notifications