• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন পরিচালনার সময় রেল ‌স্টেশন চত্ত্বরে মৃত্যু হয়েছে ১১০ জন পরিযায়ীর

করোনা ভাইরাস লকডাউনের সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছিল কেন্দ্র সরকার এবং চালু করেছিল শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন। সূত্রের খবর, ১ মে থেকে এই ট্রেন চালু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১১০ জন পরিযায়ী মারা গিয়েছেন রেল স্টেশন চত্ত্বরের মধ্যে।

রেল স্টেশন চত্ত্বরে মৃত্যু হয়েছে ১১০ জন শ্রমিকের

রেল স্টেশন চত্ত্বরে মৃত্যু হয়েছে ১১০ জন শ্রমিকের

বিভিন্ন রাজ্য থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪,৬১১ শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে করে নিজেদের বাড়ি পৌঁছেছেন প্রায় ৬৩.‌০৭ লক্ষ আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিক। তার মধ্যে আগে থেকে অসুস্থতা ও কোভিড-১৯ সহ ভিন্ন ভিন্ন কারণে মৃত্যু হয়েছে ১১০ জন শ্রমিকের। সূত্রের খবর, দু'‌টো মৃত্যু বিবেচনার মধ্যে নেওয়া হয়নি, ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয় বেশ কিছু শ্রমিকদের যাঁদের দেহ রেললাইনে পাওয়া যায়।

 বিভিন্ন কারণে মৃত্যু হয় রেলে

বিভিন্ন কারণে মৃত্যু হয় রেলে

বিভিন্ন ফোরাম সহ সুপ্রিম কোর্টে চলা মামলাগুলি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে রেল চত্ত্বরের মধ্যে খাবার বা পানীয় জলের অভাসের সঙ্গে কোনও মৃত্যুর যোগ নেই। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে জল ও খাবার পরিবেশন করা হয়। জানা গিয়েছে, শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন সময়কার মৃত্যু ছাড়াও ২০১৯ সালে রেল চত্ত্বরে প্রতিদিন গড়ে ৭৫ জন করে মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রেললাইনে মৃত্যু সহ প্রাকৃতিক কারণ এবং ট্রেন থেকে পড়ে যাওয়া, চলন্ত ট্রেনে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে পোলে ধাক্কা লেগে মৃত্যু সহ ভিন্ন কারণ ছিল। বিভিন্ন রাজ্যের রেল পুলিশের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এ বিষয়ে। তবে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর কোনও খবর নেই ২০১৯ সালে।

অপ্রীতিকর ঘটনার জন্যই মিলবে ক্ষতিপূরণ

অপ্রীতিকর ঘটনার জন্যই মিলবে ক্ষতিপূরণ

ট্রাইব্যুনালের দাবি, আইনের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ‘‌অপ্রীতিকর ঘটনা'‌ হিসাবে সংজ্ঞায়িত মৃত্যুর ক্ষেত্রেই রেলওয়ের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করা যেতে পারে। রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান ভি কে যাদব জানিয়েছেন, পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মামলার ভিত্তিতে বিচার করে দেওয়া হবে। প্রত্যেক মাসে রেলওয়ে দাবি ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুর বা প্রতিবন্ধীদের ক্ষতিপূরণের জন্য প্রায় ৭০০ টি মামলা দায়ের করা হয়। প্রত্যেক মৃত্যুর জন্য ট্রাইব্যুনাল ৮ লক্ষ টাকা করে দেয়।

 এগশেল থিওরিতে ক্ষতিপূরণ

এগশেল থিওরিতে ক্ষতিপূরণ

ট্রাইব্যুনালের প্রাক্তন এক চেয়ারম্যান জানিয়েছেন যে ‘‌এগশেল থিওরি'‌র ওপর ভিত্তি করে রেল ক্ষতিপূরণ দিতে পারে, যার ওপর ভিত্তি করে অতীতেও আরসিটি ট্রেনে মৃত যাত্রীর আত্মীয়কে ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। তবে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন পরি‌চালনার সময় অনেক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে আগে থেকে অসুস্থ হওয়ার কারণে এবং শহরে চিকিৎসার পর ফেরার পথে, জানানো হয়েছে রেলের পক্ষ থেকে।

লকডাউন সঠিকভাবে পালন করতে হবে, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

শেষে মমতার কথাই শুনতে হল মোদীকে! পরিযায়ীদের জন্য শেষমেশ কোন পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র

English summary
110 workers died at the railway station premises while operating Shramik special train,
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more