• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লড়েও ডিফেন্সের ভুলে বছরের প্রথম ডার্বিতে হার এসসি ইস্টবেঙ্গলের, ৩-১ গোলে জয় হাসিল এটিকে মোহনবাগানের

  • |

বছরের প্রথম ডার্বিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষ হাসি হাসল এটিকে মোহনবাগান। প্রাধান্য বিস্তার করেও ডিফেন্ডারদের ভুলে ৩-১ গোলে হারতে হল ব্রাইট এনোবাখারে, অ্যান্টনি পিলকিংটনের এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এই জয়ের ফলে ১৮ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার প্রথম স্থানেই দাঁড়িয়ে রইল সবুজ-মেরুন। ১৮ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানেই পড়ে রইল লাল-হলুদ।

লড়েও ডিফেন্সের ভুলে বছরের প্রথম ডার্বিতে হার এসসি ইস্টবেঙ্গলের, ৩-১ গোলে জয় হাসিল এটিকে মোহনবাগানের

ধারেভারে এগিয়ে থাকা এটিকে মোহনবাগান সবুজ-মেরুন জার্সিতে ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণে ঝড় তোলে। প্রতি আক্রমণে উঠে গোল করার মরিয়া চেষ্টা চালায় সাদা জার্সির এসসি ইস্টবেঙ্গলও। প্রথম ১৫ মিনিটের মধ্যেই একাধিকবার গোলের কাছে পৌঁছে যায় আন্টোনিও লোপেজ হাবাসের দল। চাপে ভুল করতে শুরু করেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডাররা। তারই সুযোগ নিয়ে ম্যাচের ১৫ মিনিটে তিরি লম্বা ভাসানো বল পা নিয়ে কার্যত মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে ডি বক্সে ঢুকে লাল-হলুদ গোলরক্ষক সুব্রত পালকে কাটিয়ে গোল করেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণ। টুর্নামেন্টে এটি ফিজিয়ান স্ট্রাইকারের ১৪তম গোল।

গোল খাওয়ার পর কিছুটা হলেও গুটিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের লাইফলাইন ব্রাইট এনোবাখারে, জ্যাকুয়াস মাঘোমা এবং অ্যান্টনি পিলকিংটনকে কার্যত বোতলবন্দি করে ফেলেন সবুজ-মেরুনের সন্দেশ ঝিঙ্গান, তিরি, প্রীতম কোটাল এবং শুভাশিস বোসরা। ফলে ডি বক্সে ঢুকেও খুববেশি নাড়াচড়া করতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। তবে হাল ছাড়েনি লাল-হলুদ। ৩৫ মিনিটের পর থেকে ম্যাচে আচমকাই গতি বাড়ান ব্রাইটরা। ৪১ মিনিটে সেট পিস থেকে গোল শোধ দেয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। আত্মঘাতী গোল করেন এটিকে মোহনবাগানের জোস লুইস আরোয়ো বা তিরি।

দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলের মধ্যে তুল্যমূল্য লড়াই হয়। আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণে টানটান হয় খেলা। বলের নিয়ন্ত্রণ এবং পাসিং ফুটবলে একে অপরকে টেক্কা দিতে থাকে কলকাতার দুই প্রধান। হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের চাপ মাথায় দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে চোরাগোপ্তা কড়া ট্যাকেলও চলতে থাকে। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে চার ফুটবলারকে কাটিয়ে এটিকে মোহনবাগানের বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রাইট। ড্যানি ফক্সের চিপ করা বল সঠিক ঠিকানায় পৌঁছলে গোল দিতে পারতেন পিলকিংটন।

৬০ মিনিটের মাথায় চোট পাওয়া মার্সেলিনহোর পরিবর্তে মাাঠে নামেন জাভি হার্নান্ডেজ। তারপরেই ম্যাচের পেন্ডুলাম ঘুরতে দুলতে শুরু করে। ম্যাচের ৬৫ মিনিট পর আচমকাই আক্রমণে গতি বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণদের লাগাতার আক্রমণে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় লাল-হলুদ ডিফেন্স। চাপ সামলাতে না পেরে ভুল করে ফেলেন দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ড্যানি ফক্স। সেই সুযোগে ৭২ মিনিটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানকে ফের এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৮৯ মিনিটে হেড থেকে গোল দিয়ে সবুজ-মেরুনের জয় নিশ্চিত করেন জ্যাভি হার্নান্ডেজ।

হেরে গেলেও ম্যাচে শক্তিশালী এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দারুণ লড়াই করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। গোলমুখী শট বাদ দিলে বলের নিয়ন্ত্রণ থেকে পাসিং ফুটবলে চির-প্রতিদ্বন্দ্বীরকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনি লাল-হলুদ। কেবল এক গোলের ব্যবধান শোধ দিতে পারেননি ব্রাইট এনোবাখারেরা।

English summary
ISL 2020-21 : SC East Bengal vs ATK Mohun Bagan's match finish with neck to neck fight
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X