• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    ভারতে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যাওয়ার প্রধান কারণগুলি জানলে অবাক হবেন

    ভারতের জনসংখ্যা পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা চিনকে টপকে পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশের তকমা পেয়ে যাব। জনসংখ্যার এই বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর একাধিক কারণ সামনে উঠে এসেছে। তার মধ্যে রোগে মৃত্যু যেমন রয়েছে, পাশাপাশি অন্যান্য কারণেও ভারতে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যান। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, ভারতে সবচেয়ে বেশি কোন কারণে মানুষ মারা যায়।

    হার্টের সমস্যা

    হার্টের সমস্যা

    ভারতে নানা ধরনের রোগে মানুষ মারা যায়। তবে তার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে হৃদরোগ। গ্রাম, শহর দুই ধরনের এলাকার মানুষকেই সমানভাবে এটি আক্রমণ করে চলেছে। দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় এক চতুর্থাংশ এই রোগের কারণে হয়। মহিলাদের চেয়ে পুরুষ এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। গ্রামে বিশেষ করে সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকার দরুণ রাস্তায় নিতে নিতেই বহু মানুষ মারা যান।

    ফুসফুসের রোগ

    ফুসফুসের রোগ

    আজকের দিনে সিওপিডি, হাঁপানি ও অন্য নানা ধরনের শ্বাসকষ্টজনিত ফুসফুসের রোগে মৃতের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। ভারতে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী কারণ এটাই। দূষণের মাত্রা যত বাড়ছে, এই রোগে মানুষের মৃতের সংখ্যা ততই বাড়ছে।

     ডায়রিয়া রোগ

    ডায়রিয়া রোগ

    সারা পৃথিবীতে ডায়রিয়া রোগে যত শিশুর মৃত্যু হয় তার এক পঞ্চমাংশ এদেশের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবছর লক্ষাধিক মানুষ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে শিশুদের এটি বেশি আক্রমণ করে।

    স্ট্রোক

    স্ট্রোক

    ভারতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা কয়েক লক্ষ। করোনারি আর্টারির সমস্যার পর স্ট্রোকে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান। ৫৫ বছর বয়সের পর প্রতি ৫ জনে একজন মহিলা ও প্রতি ৬জনে একজন পুরুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন। মোট পাঁচভাগের চারভাগ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকেরা।

    শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যা

    শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যা

    ঘরে বাইরে অ্যালার্জির কারণে, ধূমপান বা জিনগত ভাবে হাঁপানিতে আক্রান্ত হয়ে ভারতে অনেক মানুষ প্রতিবছর প্রাণ হারান। বিশেষ করে অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি থাকে। পাশাপাশি দূষণ বড় ভূমিকা পালন করে।

    টিবি

    টিবি

    টিবি বা যক্ষ্মা রোগে আজও ভারতে বহু মানুষ মারা যান। আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচল বা কাশলে তা বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সঠিকভাবে শরীরে পুষ্টি না গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। যার ফলে টিবির ব্যাকটেরিয়া শরীরকে আক্রমণ করে। দারিদ্র, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে এই রোগ বেশি হয়।

    ডায়বেটিস

    ডায়বেটিস

    ডায়বেটিস রোগে মৃতের সংখ্যা ভারতে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক রাজ্যসভায় বিবৃতিও দিয়েছে। প্রায় চার লক্ষ মানুষ প্রতিবছর ভারতে ডায়বেটিস রোগের কারণে মারা যান।

    দুর্ঘটনায় মৃত্যু

    দুর্ঘটনায় মৃত্যু

    দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার দেশের মোট মৃত্যুর হারের প্রায় পাঁচ শতাংশ। পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর নিরিখে সারা বিশ্বে ভারত প্রথম স্থান অধিকার করেছে। ট্রাফিক আইন না মানা এর অন্যতম প্রধান কারণ বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

    কিডনির রোগ

    কিডনির রোগ

    কিডনির সমস্যার কারণে ভারতে গত একদশকে মৃতের সংখ্যা প্রায় কয়েকগুণ হয়ে গিয়েছে। ডায়বেটিস রোগের সঠিক চিকিৎসা না করানোর ফলেই কিডলি ফেল করে মৃতের সংখ্যা ভারতে বাড়ছে। শুধু বেশি বয়সীরাই নয়, কমবয়সীরাও এতে অনেক বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।

    আত্মহত্যা

    আত্মহত্যা

    ভারতে ১৫-২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে। মোট মৃত্যুর অন্তত তিন শতাংশ তো বটেই। অত্যধিক স্ট্রেস, অসফলতা, প্রিয়জনদের থেকে দূরে চলে যাওয়ার মতো অনেক কারণে ভারতে মানুষ আত্মহত্যা করে থাকে।

    English summary
    Top 10 death reasons in India, What cost most death in India
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more