• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

(ছবি) সারদা-রোজভ্যালি চিটফান্ড কাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূলের যে বড় মাথারা!

সারদা হুজ্জুতি শেষ। এবার শুরু হয়েছে রোজভ্যালি চিটফান্ডে ধরপাকড়। চারদিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ তাপস পাল। এদিন লম্বা জেরার পর সিবিআই গ্রেফতার করল তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

সারদা চিট ফান্ড হোক বা রোজভ্যালি কাণ্ড কম তৃণমূল নেতানেত্রীদের নাম জড়ায়নি। নাম জড়ানোই বা শুধু কেন, তৃণমূলের রাঘব বোয়ালদের গ্রেফতারও হতে হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের কোন নেতা নেত্রীরা চিটফান্ড দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন আসুন একঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

কুণাল ঘোষ

কুণাল ঘোষ

সারদা মামলায় ২০১৩ সালের ২৩ নভেম্বর ৪২০ (প্রতারণা), ৪০৬ (অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ) এবং ১২০-বি (ষড়যন্ত্র) ধারায় অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় কুণাল ঘোষকে। তার আগেই অবশ্য ২৮ সেপ্টেম্বর দলে বিরুদ্ধে কথা বলায় এবং দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেস থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়।

বিধাননগর কমিশনারেটের তরফে জানানো হয়েছিল সারদা কাণ্ডে কর্ণধার সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে কুণাল ঘোষও সমানভাবে যড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। গ্রেফতারের পরও বারবার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের শীর্ষনেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে থাকেন কুণাল।

অবশেষে ৩৪ মাস জেলে থাকার পর অবশেষে গত ৫ অক্টোবর শর্তসাপেক্ষ জামিনে জেল থেকে বের হন কুণাল।

রজত মজুমদার

রজত মজুমদার

প্রাক্তন পুলিশ কর্তা তথা তৃণমূল নেতা রজত মজুমদারকে ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়। কুণাল ঘোষকে যখন গ্রেফতার করা হয়েছিল তখন তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত ছিলেন। তাই সেদিক থেকে বলতে গেলে রজত মজুমদারই প্রথম তৃণমূল নেতা যাকে সারদা কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

রজত মজুমদারকে জেরা করার সময় তার কথায় প্রচুর অসঙ্গতি পেয়েছিল তদন্তকারীরা। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় বেশ খানিকটা অস্বস্তিতে পড়েছিল দল। সমস্যা ঝাড়তে দলের তরফে দাবি করা হয়েছিল রজত দলের নেতা নয়, সহযোগী। তাতে অবশ্য খুব লাভ হয়নি।

সিবিআই যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ জমা দিতে না পারায় ৫ মাস পর রজতবাবুর জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।

সৃঞ্জয় বসু

সৃঞ্জয় বসু

২০১৪ সালের ২১ নভেম্বর দফায় দফায় ৬ ঘন্টা জেরা করার পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সৃঞ্জয় বসুকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

২০১০ সালের জুন মাসে মিডিয়া ব্যবসায় নামে সারদা গোষ্ঠী। দু'টি দৈনিক সংবাদপত্র যথাক্রমে 'সকালবেলা' ও 'বেঙ্গল পোস্ট' দিয়ে তাদের পথচলা শুরু হয়। সঙ্গে 'চ্যানেল টেন' কিনে নেন সুদীপ্ত সেন। এর পর মঞ্চে আবির্ভাব হয় কুণাল ঘোষের।

তখনও তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে সাংসদ হননি কুণালবাবু। তিনি তখন বাংলা দৈনিক 'সংবাদ প্রতিদিন'-এর সহযোগী সম্পাদক ছিলেন। বিভিন্নভাবে তিনি ভয় দেখাতে শুরু করেন সারদা গোষ্ঠীর কর্ণধার সুদীপ্ত সেনকে। বলেন, দাবি মতো টাকা না দিলে মিডিয়া ব্যবসা বন্ধ করে দেবেন। তখন রাজ্যে পালাবদলের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অভিযোগ, কুণাল ঘোষের গোটা অপকর্মে মদত দিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা 'সংবাদ প্রতিদিন' পত্রিকার সম্পাদক সৃঞ্জয় বসু।

সুদীপ্ত সেনের কাছ থেকে বিভিন্ন কারণে মোটা টাকা নেন সৃঞ্জয় বাবু। দুবার ইডি এবং দুবার সিবিআই জেরার পর গ্রেফতার হন সঞ্জয় বসু। তিন মাসের মাথায় ১ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান সৃঞ্জয় বসু। সৃঞ্জয় বসুকে ৭৫ দিন আটক রাখার পরও চার্জশিট দিতে পারেনি সিবিআই। তারই জেরে জামিন মঞ্জুর হয় তাঁর।

মদন মিত্র

মদন মিত্র

সারদাকাণ্ডে সবচেয়ে বড় ধাক্কা তৃণমূলের জন্য ছিল পরিবহন মন্ত্রী মদন মিত্রর গ্রেফতারি। ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, প্রতারণা থেকে বেআইনিভাবে আর্থিক সুবিধে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছিল।

গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বারবার জামিনের আবেদন জানিয়েও প্রভাবশালী তত্ত্বে তাঁর জামিন আবেদন খারিজ করে আদালত। জেল বন্দি অবস্থাতেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন লড়েন তিনি। সারদা কাণ্ডের প্রভাব তৃণমূলের নির্বাচনী ফলে না পড়লেও নিজের এলাকা কামারহাটি থেকে দাঁড়ানো হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা মদন মিত্র হেরে যান।

গ্রেফতার হওয়ার ২২ মাস পরে আলিপুর আদালত মদন মিত্রের জামিন মঞ্জুর করে। তিনি আর প্রভাবশালী নয়, এই যুক্তিকেই মান্যতা দিয়ে ১৫ লক্ষ টাকার দুটি ব্যক্তিগত বন্ড ও কিছু শর্ত লাগু করে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়।

তাপস পাল

তাপস পাল

সারদা কাণ্ডের তদন্তের পাশাপাশি রোজভ্যালি কান্ডে চলছিল তদন্ত। সম্প্রতি রোজভ্যালি কাণ্ডে তৃণমূল সাংসদ তাপস পালকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

তাপস পাল রোজভ্যালির ফিল্ম ডিভিশনের ডিরেক্টর ছিলেন একসময়। এই সময় একাধিক বার বড় অঙ্কের নগদ টাকা নিয়েছিলেন বলে তাপসের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

জেরায় সিবিআই তদন্তকারী আধিকারিকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন তাপস পাল। তাঁর বয়ানেও অনেক অসঙ্গতি ছিল। তারই জেরে গ্রেফতার করা হয় তাপস পালকে।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সাংসদ তাপস পালকে গ্রেফতারের চারদিনের মাথায় রোজভ্যালি কাণ্ডে তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদে তার বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি মেলে। অনেক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান সুদীপ বাবু। তাঁর পেটের কথা বার করতেই গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় তদন্তকারীরা।

lok-sabha-home
English summary
TMC big shots who arrested in Chitfund Scam
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more