• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

স্বাধীন ভারতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন এঁরা!

  • |

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান নিয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই নানান জল্পনা চলে এসেছে। আর আজ প্রায় সাত দশক পরও তা অব্যাহত এবং একইরকমভাবে প্রাসঙ্গিক। [বিমান দুর্ঘটনায় নয়, ১৯৮৫ সালে স্বাভাবিক মৃত্যু হয় নেতাজির!]

আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠাতা, দেশের স্বাধীনতার অন্যতম বড় কারিগর নেতাজি ১৯৪৭ সালের পরেও বেঁচেছিলেন এবং উত্তরপ্রদেশের কাছে ফৈজাবাদে ছিলেন, এমন রিপোর্ট আগে বহুবার প্রকাশিত হয়েছে। [নেতাজি সংক্রান্ত ৬৪টি ফাইল কলকাতার 'গোপন সেলে' বন্দী!]

এক বহুল প্রচারিত জাতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ফৈজাবাদে গুমনামী বাবা ওরফে ভগবানজী নামে পরিচিত ছিলেন নেতাজি। সেখানে কার কার সঙ্গে তিনি দেখা করেন তা জেনে নেওয়া যাক এবার। [নেতাজি অন্তর্ধান রহস্য : সব জানতেন নেহেরু, গান্ধী, প্যাটেল?]

সুরজিৎ দাশগুপ্ত

সুরজিৎ দাশগুপ্ত

৬৪ বছরের সুরজিৎবাবু জানিয়েছেন, প্রথমবার যখন ফৈজাবাদে তিনি ভগবানজীর দর্শন পান, সে মুহূর্ত ভোলার নয়। মুখে কাপড় টেনে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করতেন তিনি।

কিছুদিন পরে যখন কিছুটা পরিচিত হয়ে যেতেন তখন কাপড়ে মুখ ঢাকা ছাড়াও তাঁকে দেখা গিয়েছে। সুরজিৎবাবুর কথায়, মুখ দেখে তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন, যে মানুষটা সারা পৃথিবীর কাছে মৃত বলে ঘোষিত, তিনি তাঁর সামনে রয়েছেন।

"কোনও ভুল নয়, উনি নেতাজিই ছিলেন। চুল পাতলা হয়ে এসেছিল। তবে মুখে দাঁড়ি ভর্তি ছিল। বাকি সব এক ছিল। চোখে এমন তীব্র জ্য়োতি ছিল যে নাগাড়ে সেদিকে তাঁকানো সম্ভব ছিল না", এমনটাই বলেন সুরজিৎবাবু।

বিজয় নাগ

বিজয় নাগ

৭৬ বছরের বিজয় নাগ একটি প্রাইভেট ফার্মের অডিটর ছিলেন। যখন তাঁর ৩১ বছর বয়স, প্রথমবার নেতাজির সাক্ষাৎ পান তিনি। এরপরে ১৯৭০-১৯৮৫ সালের মধ্য়ে মোট ১৪ বার ভগবানজী ওরফে গুমনামী বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল তাঁর।

এমনকী ভগবানজীর অনুরোধে নেতাজির মা, বাবা ও স্কুল শিক্ষকের ছবিও জোগাড় করে দেন বলে জানিয়েছেন বিজয়বাবু।

পবিত্র মোহন রায়

পবিত্র মোহন রায়

এনআইএ-র গোপন এজেন্ট ছিলেন পবিত্র মোহন রায়। ১৯৬২ সালের ডিসেম্বরে তিনি ভগবানজীর সঙ্গে দেখা করেন বলে জানা গিয়েছে।

অতুল সেন

অতুল সেন

নেতাজির সহযোগী ছিলেন অতুল সেন। ১৯৬২ সালের এপ্রিলে নিমসারে ভগবানজীর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। পরে কলকাতায় ফিরে পবিত্র মোহন রায় ও ইতিহাসবিদ আরসি মজুমদারের কাছে এবিষয়ে জানান তিনি।

অতুলবাবু এমনকী সে খবর চিঠি লিখে জওহরলাল নেহরুকেও জানিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

সুনীল গুপ্ত

সুনীল গুপ্ত

নেতাজির অন্তর্ধানের পরপর এই সম্পর্কিত নানা খবর ও গুজব সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য নেতাজির দাদা সুরেশচন্দ্র বসু সুনীল গুপ্তকে নিয়োগ করেন।

জানা গিয়েছে, এরপরে প্রায় ২ দশক নেতাজির সঙ্গে লুকিয়ে দেখা করেন সুনীলবাবু। ১৯৬২ সালে নিমসারে প্রথম দেখা হয় দুজনের। শেষবার ফৈজাবাদে দুজনে শেষ দেখা করেন।

লীলা রায়

লীলা রায়

বিজয় নাগের মাসি ছিলেন লীলা রায়। যিনি ১৯২২-১৯৪১ সাল পর্যন্ত নেতাজির সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল। ১৯৬৩ সাল থেকে মৃত্যুর আগে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত তিনি নেতাজিকে টাকা ও অন্যান্য সামগ্রী পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

রীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

রীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

রীতাদেবীকে স্নেহ করে 'ফুলবা রানি' ও তাঁর স্বামীকে 'বাছা' বলে সম্বাধন করতেন ভগবানজী। রীতাদেবী জানিয়েছেন, কখনও ভগবানজীর চোখের দিকে তাঁকানো যেত না, এতটাই দৃপ্ত ও শক্তিশালী ছিল সেই দৃষ্টি।

জ্ঞানী গুরজিৎ সিং খাসলা

জ্ঞানী গুরজিৎ সিং খাসলা

ব্রহ্মকুণ্ড গুরদ্বার সাহিবের প্রধান হলেন গুরুজিৎজী। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি ভগবানজীর সাক্ষাৎ পান বলে জানা গিয়েছে।

সরস্বতীদেবী

সরস্বতীদেবী

নেতাজি ওরফে ভগবানজীর ও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসা মানুষদের জন্য নিজে হাতে রান্না করতেন সরস্বতীদেবী, এমনটাই জানা গিয়েছে।

English summary
Netaji's mystery: Meet people who met Gumnami Baba alias Bhagwanji
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more