• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ফটো ফিচার : অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একনজরে

সীমান্তে পাক বর্বরতার বিরুদ্ধে ফের একবার কড়া জবাব দিল ভারত। দুই ভারতীয় জওয়ানকে মুণ্ডচ্ছেদের বদলা হিসাবে সীমান্তে পাক সেনার বাঙ্কার উড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা। এদিন একটি ভিডিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, কাশ্মীর সীমান্তে একটি বাঙ্কার মিসাইল হানায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।

জানা গিয়েছে, এটি পাকিস্তান সেনার বাঙ্কার। ভারতীয় সেনা অ্যান্টি ট্যাঙ্কার গাইডেড মিসাইল দিয়ে তা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে পাক বর্বরতার জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কী এই অ্যান্টি ট্যাঙ্কার গাইডেড মিসাইল? জেনে নেওয়া যাক একনজরে।

লক্ষ্য খুঁজে আঘাতে অব্যর্থ

লক্ষ্য খুঁজে আঘাতে অব্যর্থ

অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল সাধারণত বিভিন্ন দেশের সেনাই ব্যবহার করে। লক্ষ্যবস্তু ঠিক করে তা নিমেষে উড়িয়ে দিতে এর জুড়ি নেই। সেনার গাড়ি, সেনা ঘাঁটি নিমেষে এই মিসাইল উড়িয়ে দিতে সক্ষম।

সব সেনাবাহিনীতেই বিশেষ দল

সব সেনাবাহিনীতেই বিশেষ দল

অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল কাঁধে রেখে ছোঁড়া যায়। ট্রাইপডের উপরে রেখে লক্ষ্যবস্তুকে সহজেই এটি নিশানা করতে পারে। প্রতিটি সেনাবাহিনীতে একটি বিশেষ দল থাকে যারা এই গাইডেড মিসাইলের দায়িত্বে থাকে। এই সেনারাই মিসাইলকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া, বিস্ফোরণ ঘটানোর দায়িত্বে থাকে।

ছোট ও পোর্টেবল হয়েছে মিসাইল

ছোট ও পোর্টেবল হয়েছে মিসাইল

বর্তমানে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের আকার অনেক ছোট হয়ে এসেছে। তবে শক্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। এখন এতটাই ছোট ও হালকা হয়ে গিয়েছে এই ক্ষেপনাস্ত্র যে একজন সেনা জওয়ানও একে বহন করতে সক্ষম।

বড় লক্ষ্যবস্তুর ক্ষতি কম হয়

বড় লক্ষ্যবস্তুর ক্ষতি কম হয়

এই মিসাইসগুলি ছোট ও মাঝারি ট্যাঙ্কার, সেনা ছাউনি উড়িয়ে দিতে সক্ষম। তবে যুদ্ধের জন্য ব্যবহৃত বড় ট্যাঙ্কারের বিশেষ ক্ষতি করতে পারেন না ছোট অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল।

জার্মানির হাতে প্রথম তৈরি

জার্মানির হাতে প্রথম তৈরি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে জার্মানি এই অ্যান্ট ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল তৈরি করে। তবে সেসময়ে এর বেশি ব্যবহার করা হয়নি। এসএস.১০ হল প্রথম বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল। ১৯৫৫ সালে ফরাসি সেনায় এর অন্তর্ভুক্তি ঘটে। এবং মার্কিন ও ইজরায়েলি সেনা এর প্রথম ব্যবহার করে।

মিসাইলের বিবর্তন

মিসাইলের বিবর্তন

প্রথম প্রজন্মের তৈরি গাইডেড মিসাইলে একজন অপারেটর জয়-স্টিক দিয়ে তার গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করতেন। দ্বিতীয় প্রজন্মের মিসাইলে অপারেটকে লক্ষ্যের দিকে নিশানা করে বসে থাকতে হতো যতক্ষণ না তা লক্ষ্যবস্তুকে আক্রমণ করে। তৃতীয় প্রজন্মের গাইডেড মিসাইল লেজার রশ্মি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। লক্ষ্যবস্তু নির্ধারিত হওয়ার পরে মিসাইলের আর কোনও গাইডেন্স প্রয়োজন হয় না।

গাইডেড মিসাইলের হামলা আটকানোর উপায়

গাইডেড মিসাইলের হামলা আটকানোর উপায়

অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের হামলা আটকে সক্ষম কম্পোজিট আর্মার, এক্সপ্লোসিভ রিঅ্যাকটিভ আর্মার, জ্যামার, অ্যাকটিভ প্রোটেকশন সিস্টেমস। ছোট লক্ষ্যবস্তুকে গুড়িয়ে দিতেই এই অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল বেশি ব্যবহার করা হয়।

ছবি সৌজন্য উইকিপিডিয়া পেজ

English summary
Know about Anti tank guided missile fired between India-Pakistan border
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more