গণনার ফল 
মধ্যপ্রদেশ - 230
PartyLW
CONG2112
BJP1108
IND04
OTH03
রাজস্থান - 199
Party20182013
CONG9921
BJP73163
IND137
OTH149
ছত্তিশগঢ় - 90
PartyLW
CONG167
BJP015
BSP+07
OTH00
তেলেঙ্গানা - 119
Party20182014
TRS8863
TDP, CONG+2137
AIMIM77
OTH39
মিজোরম - 40
Party20182013
MNF265
IND80
CONG534
OTH10
  • search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    মলদ্বীপে রাজনৈতিক সঙ্কটের নেপথ্যে আসলে ভারত-চিনের ঠান্ডা লড়াই

    মলদ্বীপে রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে। সেনাবাহিনীর হাতে চলে গিয়েছে ক্ষমতা। প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। সুপ্রিম কোর্ট প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জেলবন্দি মহম্মদ নাশিদ সহ বিরোধী নেতাদের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল। তার বিরোধিতায় শুধু জরুরি অবস্থা জারিই নয়, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকেও গ্রেফতার করিয়েছেন আবদুল্লা ইয়ামিন।

    মলদ্বীপে রাজনৈতিক সঙ্কটের নেপথ্যে ভারত-চিনের ঠান্ডা লড়াই

    সবমিলিয়ে মলদ্বীপে চূড়ান্ত অচলাবস্থা চলছে। এখন ঘটনা হল, এই সঙ্কটের বীজ বেশ কিছুবছর আগের বপন করা হয়েছে। নেপথ্যে রয়েছে ভারত ও চিনের ঠান্ডা লড়াই। মলদ্বীপের মতো রাষ্ট্রে যেখানে একসময়ে ভারতের দখল ছিল, সেখানেও চিনের দখলদারি ঘটেছে। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কূটনৈতিক প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়েছে।

    ২০১১ সালের আগে পর্যন্ত ৪ লক্ষ জনসংখ্যার মলদ্বীপে চিনা দূতাবাস ছিল না। ভারতের ছত্রছায়ায় ছিল মলদ্বীপ। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি পাল্টেছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট পদে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জিতে আসা মহম্মদ নাশিদ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থানে ছিলেন।

    ভারত-চিনের ঠান্ডা লড়াই

    তবে পরিস্থিতি এখন অন্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল্ল ইয়ামিন চিনের দিকে ঝুঁকে রয়েছেন। চিন ইতিমধ্যে মলদ্বীপের সঙ্গে ফ্রি ট্রেড চুক্তি করেছে। কূটনৈতিক যোগাযোগ মজবুত করেছে। যার ফলে ভারতীয় উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি মলদ্বীপে আটকে গিয়েছে। চিনের প্রতি আনুগত্য দেখাতে গিয়ে ভারতকে দূরে ঠেলেছে ইয়ামিন সরকার।

    মাত্র চার লক্ষ জনসংখ্যা হওয়ায় তাদের চাহিদা পূরণ করা চিনের কাছে জলভাত। ফলে চিনের অবস্থান বেশ অঙ্ক কষে করা। মহম্মদ নাশিদকে ২০১২ সালে সেনা অভ্যুত্থান করে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তারপর ক্ষমতা দখল করেন আবদুল্লা ইয়ামিন। ভারতীয় সংস্থার মলদ্বীপের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির চুক্তিও আটকে দেওয়া হয়েছে। এবং তা চিনা সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে।

    মলদ্বীপে রাজনৈতিক

    সূত্রের খবর, চিন মলদ্বীপে পরিকাঠামো উন্নয়নে দারুণ সাহায্য করছে। এবং সেখানে ঘাঁটি তৈরি করতে চাইছে। ইতিমধ্যে সেদেশের একটি দ্বীপও লিজ নিয়ে দখল করে ফেলেছে চিন। গত ডিসেম্বরেই বিরোধীদের অন্ধকারে রেখে চিনের সঙ্গে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট সই করেছে আবদুল্লার সরকার। অর্থাৎ ঘুরিয়ে, ভারতকে সরিয়ে দিতে চিনের নয়া চালের কাছে নতিস্বীকার করেছে মলদ্বীপ সরকার।

    মলদ্বীপকে ট্যুরিজম হাব বানাতে ইতিমধ্যে সেখানে পরিকাঠামো উন্নয়ন করে বিনিয়োগ শুরু করে দিয়েছে চিন। হোটেল, রেস্তরাঁ, ইয়র্ট মেরিনা, ট্রাভেল এজেন্সি সব গড়ে তোলা হচ্ছে। মলদ্বীপের শক্তি না থাকায় একপ্রকার ছল করে ভয় দেখিয়েই চিন এসব করিয়ে নিয়ে ওই দেশ ও এলাকায় ভারতের প্রভাবকে খাটো করতে চায়।

    আবদুল্ল ইয়ামিনের সরকারি মুখপাত্র চিনকে বন্ধু দেশ ও ভারতকে শত্রু দেশ বলে অভিহিত করেছে সম্পাদকীয়তে। ফলে বোঝা যাচ্ছে, চিন গোপনে কতটা প্রভাব বিস্তার করে ফেলেছে শাসক দলের উপরে। যার জেরে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা মহম্মদ নাশিদ ও অন্য ৮ বিরোধী নেতাকে ছাড়তে বলায় ও ইয়ামিন সরকারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি আবদুল্ল সঈদকেই গ্রেফতার করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় ভারতের কী পদক্ষেপ হয় সেটাই দেখার।

    English summary
    India-China proxy war highlighted amidst Abdulla Yameen's Maldives political crisis
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more