• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের হতাশাজনক ফলাফলের পরেই চাঙ্গা হয়ে উঠেছে বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা

  • By SHUBHAM GHOSH
  • |

২০১৬ সালটি ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ভালো গেল না। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে হার তো বটেই, প্রতিনিধিসভা এবং সিনেটের ফলাফলও অনুকূল হয়নি। আর তাই আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছেন এবারের নির্বাচনের প্রাইমারি পরাজিত ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বার্নি স্যান্ডার্স। ভার্মন্টের জুনিয়র সিনেটর স্যান্ডার্স-এর সমর্থকরা

ডেমোক্র্যাটদের এই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে আবার তাঁর হয়ে সওয়াল তুলতে শুরু করলেন। লক্ষ্য, জাতীয় স্তরে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে স্যান্ডার্সকে প্রতিষ্ঠা দেওয়া। আর এর জন্য তাঁরা সেই সমস্ত রাজ্য যেখানে প্রাইমারিতে স্যান্ডার্স হিলারি ক্লিন্টনকে হারান সেগুলির উপর জোর দিচ্ছেন। দলীয় নেতা এবং প্রতিনিধিদের পরিবির্তন ঘটানো, হিলারিকে সমর্থন দিয়েছেন এমন সমস্ত নেতাদের প্রতি বার্তা দেওয়া ইত্যাদি লক্ষ্যেই অগ্রসর হচ্ছে স্যান্ডার্স-এর সমর্থকদের 'বিপ্লব'।

ক্লিন্টন হারতেই ফের চাঙ্গা বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থকরা

৮ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্লিন্টন তাঁর রিপাবলিকান পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হারতেই ডেমোক্র্যাট শিবিরে চরম হতাশা ঘনিয়ে আসে। ফলাফল বেরোনোর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দাবি ওঠে বিদায়ী ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাকে ২০২০ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানোর। এমনকি শুক্রবার (নভেম্বর ১১) হাফিংটন পোস্ট-এ বেরোনো একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্যান্ডার্স যদি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হতেন, তাহলে তিনি অনায়াসেই ট্রাম্পকে হারাতেন বলে জানিয়েছে একটি সদ্যপ্রকাশিত প্রাক-নির্বাচনী সমীক্ষা।

মাইন প্রদেশের ডেমোক্র্যাট নেতা সেভেরিন বেলিভু যিনি নিজে স্যান্ডার্স-এর সমর্থন করেছিলেন প্রাইমারি পর্যায়ে মার্কিন পত্রিকা পলিটিকোকে বলেন যে ৭৫ বছর বয়সী স্যান্ডার্সের সমর্থকরা প্রথম থেকেই অসন্তুষ্ট ছিল তাঁদের প্রতি দলের অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দের মানসিকতা নিয়ে।

আর তাই আসল নির্বাচনে ক্লিন্টনের পরাজয় ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা নতুন উদ্যমে নেমেছে দলের মধ্যে পরিবর্তন আনতে। মাইন প্রদেশের ককাস-এ স্যান্ডার্স ৭০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছিলেন আর সে কারণে সেখানকার ডেমোক্র্যাট সভাপতি ফিল বার্টলেট, যিনি হিলারির সমর্থক হিসেবে পরিচিত, তাঁকে সরাতে সচেষ্ট স্যান্ডার্স শিবির, বলেন বেলিভু।

পলিটিকো জানাচ্ছে যে নির্বাচনের ফলাফল বেরোনোর একদিনের মধ্যেই মাইন-এর ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ডায়ান রাসেল বার্টলেটকে চ্যালেঞ্জ জানান। স্যান্ডার্স মাইন-এর ককাস জেতা সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটদের 'সুপারডেলিগেট' ব্যবস্থার সুবিধে পান ক্লিন্টন এবং তাতেই ক্ষিপ্ত হয় স্যান্ডার্স শিবির। এই বিতর্কিত 'সুপারডেলিগেট' ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে এখন সচেষ্ট স্যান্ডার্স সমর্থক রাসেল আর তার ফলে আগামী দিনে বার্টলেট-এর সঙ্গে তাঁর সংঘাত আরও বাড়বে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

একই পরিস্থিতি উইস্কনসিনেও। সেখানেই স্যান্ডার্স প্রাইমারি জেতার পরেও সেখানকার প্রাদেশি ডেমোক্র্যাট প্রধান মার্থা লানিং ক্লিন্টনকে সমর্থন দেন সুপারডেলিগেট হিসেবে। ডেমোক্র্যাটদের ধারণা বার্টলেট-এর মতো লানিংও এবার যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়বেন।

ডেমোক্র্যাট ন্যাশনাল কমিটি বা ডিএনসি-র সভাপতি নির্ধারণের আগে ডেমোক্র্যাট শিবিরের এই টানাপড়েন ক্রমেই বাড়ছে। স্যান্ডার্সের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ডিএনসি-র সভানেত্রী ডেবি ওয়াসারম্যান শুলৎজ গত জুলাইতে ডেমোক্র্যাটদের কনভেনশনের পরেই পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেই থেকে কার্যভার সামলাচ্ছেন ডোনা ব্রাজিল।

স্যান্ডার্স প্রতিনিধিসভায় মিনেসোটার প্রতিনিধি কিথ এলিসনকে পরবর্তী ডিএনসি সভাপতি হিসেবে সমর্থন জানিয়েছেন। এলিসন, যিনি কিনা মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম মুসলমান সদস্য, যদি ডিএনসি সভাপতি হতে পারেন, তাহলে তা ডেমোক্র্যাট শিবিরে স্যান্ডার্সের প্রভাব বাড়াবে বলেই বিশেষজ্ঞমহলের ধারণা।

English summary
Barnie sanders's supporters raise voice following the Democrats' poor electoral show
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X