T20 World Cup 2024: ১০০ দিনে খরচ হয় ২৫০ কোটি, ৮ ম্যাচেই সমাপ্ত নাসাউ কাউন্টি ক্রিকেট স্টেডিয়াম
কয়েক মাস আগেও ছিল অনূর্বর-রুক্ষ একটা জমি। স্থানীয় ছেলেদের বিকেলের খেলার জায়গা ছিল,সঙ্গে বয়স্কদের প্রাত বা সান্ধ্যকালীন ভ্রমণের স্থান। কয়েক মাসের মধ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সেখানেই গড়ে উঠে নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম। কিন্তু বুধবারেই পরই আবার আগেই অবস্থায় ফিরে যাবে এই অস্থায়ী স্টেডিয়াম।
নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপের মোট আটটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হল। এরমধ্যে ভারতই খেলল তিনটি ম্যাচ। মোট ২৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে এই অস্থায়ী স্টেডিয়ামটি নির্মাণ হয়। এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতই শেষ ম্যাচ খেলছে। ইতিমধ্যেই স্টেডিয়ামের বাইরে চলে এসেছে বুলডোজার। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই অস্থায়ী এই নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু হবে।

নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামের জন্য ৪২ একর জায়গারকে চূড়ান্ত হিসাবে নির্বাচন করা হয়। সম্প্রচার সুবিধা, পার্কিং এবং নিরাপত্তার মতো একাধিক অপারেশনাল প্রয়োজন মিটমাট করবে। ১ জুন প্রথম বিশ্বকাপের প্রস্তুতি খেলার মাত্র একশ দিন আগে, সাইটের কাজ ৮ জানুয়ারী শুরু হয়, প্রকৃত নির্মাণ ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়.
মাত্র পাঁচ মাস আগে যে ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল, তা দেখে চোখ কপালে উঠেছিল ক্রিকেট ভক্তদের। নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামের মাঠ যেন চাষের জমি! এই মাঠেই কিনা নামবেন রোহিত-বাবররা! স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছিল আমেরিকার আয়োজন ব্যবস্থা নিয়ে। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর পনেরো দিন আগেই তৈরি হয়ে যায় স্টেডিয়াম। কাজ সম্পূর্ণ করতে তাদের লাগল মাত্র তিন মাস।
বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির হাত ধরে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই স্টেডিয়ামটির উন্মোচন করে। এই স্টেডিয়ামের দর্শকধারন ক্ষমতা ৩৪,০০০। এই স্টেডিয়ামের যা পরিকাঠামো তার সঙ্গে মিল রয়েছে লাস ভেগাসের ফর্মুলা ওয়ান রেসিং কারের সার্কিটের সঙ্গে। পাশাপাশি এই মাঠে বসানো হয়েছে ড্রপ ইন পিচ। এই পিচ গুলো তৈরি হয়েছে ফ্লোরিডা শহরে। এই পিচে স্বাভাবিক ঘাসের সঙ্গে পাঁচ শতাংশ সিন্থেটিক ফাইবার মেশানো হয়েছে। যাতে এর দৃঢ়তা বজায় থাকে। কিন্তু ৮ ম্যাচ হওয়ার পরই ইতিহাসের পাতায় চলে যাবে এই স্টেডিয়াম.












Click it and Unblock the Notifications