কেকেআরের সাফল্যের সঙ্গে নিবিড় যোগ জাতীয় দলের কোচিংয়ের! গম্ভীরের সঙ্গে জয় শাহের কী কথা?
India's Cricket Team Coach: কলকাতা নাইট রাইডার্সের আইপিএলের সাফল্যে একাধিক কোচ বা সহকারী কোচের কপাল খুলেছিল। তাঁরা দায়িত্ব পেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেট দলের।
এবার তাঁদের পথেই কি হাঁটতে চলেছেন গৌতম গম্ভীর? ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে দাবি, গম্ভীরের ভারতীয় দলের হেড কোচ হওয়া চূড়ান্তই।

২০১২ ও ২০১৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্স আইপিএল খেতাব জিতেছিল। তখন কোচ ছিলেন ট্রেভর বেলিস। ইংল্যান্ডের হেড কোচের পদে বেলিসকে রাখতে তাঁর দ্বারস্থ হয়েছিলেন ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট অ্যান্ড্রু স্ট্রস।
প্রথমে বেলিস না বলে দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর লোভনীয় এমন প্রস্তাব নিয়ে স্ট্রস বেলিসের কাছে হাজির হন যে, তা আর প্রত্যাখ্যান করতে পারেননি ট্রেভর বেলিস। কেকেআরের প্রাক্তন সহকারী কোচ ছিলেন ম্যাথু মট। তাঁকে ইংল্যান্ড দলের একদিনের আন্তর্জাতিক ও টি২০ আন্তর্জাতিক দলের হেড কোচ করে ইসিবি। মট আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপেও রয়েছেন ইংল্যান্ডের দায়িত্বে।
২০২১ সালে আইপিএল ফাইনাল খেলেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপরই কেকেআরের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামকে পেতে ঝাঁপায় ইসিবি। কেকেআর ছেড়ে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের হেড কোচ হন ম্যাকালাম। ফলে চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতকে হেড কোচ করে কেকেআর।
লখনউ সুপার জায়ান্টস ছেড়ে গৌতম গম্ভীর মেন্টর হিসেবে ফিরেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। কেকেআর এবার আইপিএল জিতেছে। ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে উল্লেখ, গৌতম গম্ভীর বিসিসিআইয়ের হেড কোচ হতে চেয়ে আবেদন করেছেন।
গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে কথাও হয়েছে বোর্ড সচিব জয় শাহের। দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকারের কথাই উঠে এসেছে তাঁদের আলোচনায়। গম্ভীর যেমন প্রতি ক্ষেত্রেই জাতীয়তাবাদের কথা বলে থাকেন, তা সে ক্রিকেটার হিসেবেই হোক বা সাংসদ হিসেবে, সেই জাতীয়তাবাদ বা জাতীয়তাবোধই ফ্যাক্টর হতে পারে গম্ভীরের ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার বিষয়ে।
সূত্রের খবর, দেশ কে লিয়ে করনা হ্যায় বা দেশের জন্যই করতে হবে- এই ভাবধারা মেনে এক জায়গায় এসেছেন গম্ভীর ও জয়। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, জাতীয় দলের জন্য জাতীয় স্বার্থেই সিদ্ধান্ত নেবেন গম্ভীর। তিনি অধিনায়ক হিসেবে ২ বার ও মেন্টর হিসেবে ১ বার আইপিএল খেতাব জিতেছেন।
লখনউ সুপার জায়ান্টসকে দুবার আইপিএল প্লে-অফে পৌঁছে দেওয়া মেন্টর গম্ভীরের জন্য শাহরুখ খান মান্নতে বসে ব্ল্যাঙ্ক চেক অফার করেছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। গম্ভীরকে ১০ বছরের জন্য কেকেআরের দায়িত্বে রাখার প্রস্তাব দেন কিং খান। তবে গম্ভীর ভারতীয় দলের হেড কোচ হলে শাহরুখ বাধা দেবেন তা নয়।
গম্ভীর সাংসদ ছিলেন, এবার ভোটে দাঁড়াতে চাননি। টিভিতে ধারাভাষ্য দিয়ে থাকেন, বিশ্লেষকের ভূমিকাতেও দেখা যায়। কেকেআরে থাকাকালীন আইপিএলের মধ্যে গম্ভীর বার পাঁচেক ব্রেক নেন বলে খবর। তাঁর সন্তানরা ছোট। এই অবস্থায় ভারতীয় দলের হেড কোচ হওয়া গম্ভীরের কাছে চ্যালেঞ্জিং।
কেন না, ভারতীয় দলের হেড কোচ থাকলে বছরের ১০ মাস দলের সঙ্গে দেশে-বিদেশে থাকতে হবে। স্ত্রী ও ছোট সন্তানদের থেকে দূরেই থাকতে হবে। এই বিষয়টিও গম্ভীরকে ভাবাচ্ছে বলে খবর। যদিও আগ্রাসী ও শৃঙ্খলাপরায়ণতায় কঠোর গম্ভীরকেই কোচ হিসেবে পেতে চাইছে বিসিসিআই। বেশ কিছু মহল থেকে জানা গিয়েছে, সব কিছু চূড়ান্ত। আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই বাকি।












Click it and Unblock the Notifications