• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts
Oneindia App Download

সানি-কপিল থেকে সচিন-সৌরভ কিংবা ধোনি-কোহলি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাররা বিশ্বাসী বিচিত্র কুসংস্কারে

  • |
Google Oneindia Bengali News

ক্রিকেটের তারকা থেকে উঠতি প্রতিভা। বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই রয়েছে নানাবিধ কুসংস্কার। কেউ প্রকাশ্যে বলেন, কেউ বলতে না চাইলেও জানা যায় ড্রেসিংরুমে তাঁদের কাছ থেকে দেখা সতীর্থদের কাছ থেকে। সচিন তেন্ডুলকর থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মহেন্দ্র সিং ধোনি থেকে বিরাট কোহলি, সকলেই বিশ্বাসী নানা বিচিত্র কুসংস্কারে। এমনকী এর থেকে মুক্ত নন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নামি তারকারাও। কুসংস্কার যে ভালো সেটার কোনও নিশ্চয়তা নেই। যদিও সবটাই নির্ভর করে ব্যক্তিগত বিশ্বাসে। যার ভালো ফল মেলে বলে সংশ্লিষ্টরাই মনে করে থাকেন।

সচিনের প্যাড পরা

সচিনের প্যাড পরা

বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বাধিক রানের মালিক সচিন তেন্ডুলকর। সেই মাস্টার ব্লাস্টারও ব্যাট হাতে নামার সময় মেনে চলতেন এক ধরাবাঁধা নিয়ম। যা কুসংস্কার তো অবশ্যই। ব্যাট করতে নামার সময় সচিন সব সময় আগে পরতেন বাঁ পায়ের প্যাড।

দ্রাবিড় আবার উল্টো

দ্রাবিড় আবার উল্টো

সচিনের মতো ব্যাট করতে নামার আগে রাহুল দ্রাবিড়ও প্যাডের বিষয়ে ছিলেন খুঁতখুঁতে স্বভাবের। মেনে চলতেন এক নিয়ম। সচিন ও দ্রাবিড় দুজনেই ছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তবে সচিন আর দ্রাবিড়ের প্যাড পরায় কিছু ফারাক রয়েছে। সচিন যেমন বাঁ পায়ের প্যাড পরতেন আগে, দ্রাবিড় এক্ষেত্রে বেছে নিতেন উল্টো নিয়ম। সব সময় তিনি ডান পায়ের প্যাডই আগে পরতেন।

সৌরভের বিশ্বাস

সৌরভের বিশ্বাস

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে অফ সাইডের ভগবান মানা হয়। আর সেই মহারাজই ভগবানে বিশ্বাসী। সৌরভদের পরিবারে মা মঙ্গলচণ্ডীর আরাধনা হয়। জানা যায়, সৌরভ যখনই মাঠে নামতেন তিনি দেখে নিতেন তাঁর পকেটে আরাধ্যা দেবী-র ছবি রয়েছে কিনা। একইসঙ্গে সেই ধর্মবিশ্বাস থেকেই আঙটি ও মালা পরে খেলতে নামতে ভুলতেন না বর্তমান বিসিসিআই সভাপতি। কুসংস্কার বলতেই পারেন! একইরকম কুসংস্কার ছিল প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের। আজ্জু গলায় সব সময় থাকত তাবিজ। গলায় পরা তাবিজ ঝুলতে দেখা যেত জার্সির উপর দিয়েই।

কুম্বলের পারফেক্ট টেন

কুম্বলের পারফেক্ট টেন

ক্রিকেট মাঠে বা মাঠের বাইরে অনিল কুম্বলে কুসংস্কারে বিশ্বাসী এটা কেউ বলেন না। তবে একটা ঘটনার ক্ষেত্রেই হয়েছিল ব্যতিক্রম। ১৯৯৯ সালে দিল্লি টেস্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন অনিল কুম্বলে। সেই টেস্টেই কুম্বলে আচ্ছন্ন হয়েছিলেন কুসংস্কারে। সাধারণভাবে কোনও বোলার বল করতে এলে সোয়েটার বা টুপিটি তুলে দেন আম্পায়ারের হাতে। কিন্তু জাম্বো ওই টেস্টে প্রতি ওভার বল করতে আসার আগে সোয়েটার ও টুপিটি তুলে দিয়েছিলেন সচিন তেন্ডুলকরের হাতে। পাকিস্তান ইনিংসের দশম উইকেটটি তুলে নেওয়া অবধি এই প্রক্রিয়াটাই চালিয়ে গিয়েছিলেন কুম্বলে।

জার্সি নম্বর লাকি

জার্সি নম্বর লাকি

মহেন্দ্র সিং ধোনির ক্রিকেট মাঠে জার্সি নম্বর সাত। কেন জানেন কি? এখানেও রয়েছে কুসংস্কার। ধোনির জন্মদিন ৭ জুলাই। অর্থাৎ ইংরেজি বছরের সপ্তম মাসের সপ্তম দিনে। সে কারণেই ধোনি সাত নম্বর জার্সি বেছে নিয়েছিলেন বলে ভারতীয় ক্রিকেট মহল সূত্রে জানা যায়। আবার যুবরাজ সিংয়ের জার্সি নম্বর ছিল ১২। সেক্ষেত্রেও বিষয়টি ধোনির মতোই। যুবরাজের জন্মদিন ১২ ডিসেম্বর। বছরের দ্বাদশ মাসের ১২ তারিখ। সে কারণেই ১২ নম্বরটিকেই লাকি মানেন যুবি।

আনলাকিতে নম্বর ছাড়া

আনলাকিতে নম্বর ছাড়া

বীরেন্দ্র শেহওয়াগ ব্যাট করতে নামার সময় শিস দিয়ে বা এমনিই গান গাইতেন। বীরুও জার্সি নম্বর নিয়ে খুঁতখুঁতে ছিলেন। প্রথমে তিনি পরতেন ৪৪ নম্বরের জার্সি। তবে তাতে কাজ না দেওয়ায় নম্বর ছাড়া জার্সি পরেই নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

লক্ষ্মণের স্নান

লক্ষ্মণের স্নান

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন ভিভিএস লক্ষ্মণের কুসংস্কারের কথা। লক্ষ্মণ নাকি ব্যাট করতে নামার সময় বেশ কিছুটা সময় ড্রেসিংরুমের ওয়াশরুমে ঢুকে স্নান করতেন। স্নান সেরে ব্যাট করতে নামাই পছন্দ ছিল তাঁর। লক্ষ্মণের এই কুসংস্কারের কারণে সৌরভকে সতর্ক থাকতে হত। কারণ টেস্টে সৌরভ ও লক্ষ্মণ দুজনেই ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পাঁচ ও ছয়ে নামতেন। তাই একদিকে উইকেট পড়তে থাকলে আর লক্ষ্মণ স্নানঘরে থাকলে টেনশনে সবচেয়ে কাটাতে হত সৌরভকেই।

ক্লার্কের গান

ক্লার্কের গান

অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক লক্ষ্মণের মতো ব্যাট করতে নামার আগে স্নান করতে না গেলেও শুনতেন গান। লাউড মিউজিক শুনে ব্যাট করতে নামাকে লাকি এবং মনঃসংযোগে কার্যকরী বলেই চিহ্নিত করেছেন ক্লার্ক।

বিরাটের রিস্টব্যান্ড

বিরাটের রিস্টব্যান্ড

এক সাক্ষাতকারে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিও জানিয়েছিলেন নিজের কুসংস্কারের কথা। তিনি বলেছিলেন, প্রথম দিকে যে গ্লাভস পরে তিনি ভালো রান পেয়েছেন সেই গ্লাভসই পরে নামতেন ব্যাট করার জন্য। যদিও সেই কুসংস্কার আবার বদলে গিয়েছে সময়ের সঙ্গে। গ্লাভসের বদলে হয়েছে রিস্টব্যান্ড। কালো রিস্টব্যান্ড পরে মাঠে নামা যে কুসংস্কারের বশেই সেটাই জানিয়েছিলেন বিরাট।

অশ্বিনের ব্যাগ

অশ্বিনের ব্যাগ

রবিচন্দ্রন অশ্বিন শুধু নিজের জন্য নয়, দলের ভালোর জন্য এক কুসংস্কারের আশ্রয় নিয়েছিলেন ২০১১ বিশ্বকাপের সময়। ওই বিশ্বকাপে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন অশ্বিন। তবে জানা যায়, বিশ্বকাপের সব ম্যাচে অশ্বিন নিজের সঙ্গে রেখেছিলেন একটি লাকি ব্যাগ। তাঁর বিশ্বাস ছিল ওই ব্যাগ কাছে থাকাতেই ভারত বিশ্বকাপে ভালো খেলছে। শেষে ভারত চ্যাম্পিয়নও হয় ওই বিশ্বকাপে।

রুমালের কেরামতি

রুমালের কেরামতি

বিশ্বের সফল টেস্ট অধিনায়কদের মধ্যে অন্যতম স্টিভ ওয়া। তাঁর অধিনায়কত্বে অস্ট্রেলিয়া কাটিয়েছে সোনালি অধ্যায়। টেস্ট হোক বা একদিনের আন্তর্জাতিকে। আর সেই স্টিভের ভরসা ছিল লাল রুমাল। তিনি যখন মাঠে নামতেন তাঁর পকেটে সব সময় থাকত লাল রুমাল। স্টিভের ঠাকুমা এই রুমালটি তাঁকে দিয়েছিলেন। সেটিকেই শুভ মানতেন স্টিভ। স্টিভ যেখানে লাল রুমাল ব্যবহার করতেন তেমনই প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হলুদ রংয়ের রুমাল পকেটে রাখতেন জাহির খান। একইভাবে লাকি লাল রুমাল পকেটে নিয়েই খেলতে নামতেন মোহিন্দর অমরনাথ। হ্যাঁ, তিরাশির বিশ্বকাপ জয়ের পথের তার অন্যথা হয়নি।

বসে থাকা এক জায়গায়

বসে থাকা এক জায়গায়

তিরাশির বিশ্বকাপেই কপিল দেব জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ম্যাচ জেতানো অপরাজিত ১৭৫ রানের স্মরণীয় ইনিংস। ভারতের ওই ম্যাচে ১৭ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। কপিল নেমেই যখন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাটিং করা শুরু করেন তখন ভারতীয় দলের ম্যানেজার মন সিং সকলকে নির্দেশ দেন, খেলা শেষে না হওয়া অবধি সকলে যে জায়গায় বসে আছেন সেখানে বসে থাকুন। চেয়ার ছেড়়ে নড়বেন না। ভারত ম্যাচ জেতে, হয়তো কুসংস্কারই কাজে লেগেছিল।

সানি ও শ্রীকান্ত

সানি ও শ্রীকান্ত

কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্ত সব সময়ই ব্যাট করতে নামার সময় তাঁর পার্টনারের ডানদিক নিয়ে নামা পছন্দ করতেন। ১৯৮৭ সালে বেঙ্গালুরুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন সুনীল গাভাসকর। এই টেস্টে ভারত স্বস্তিতে ছিল না। ২২১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নামার সময় গাভাসকর শ্রীকান্তকে অনুরোধ করেন তাঁর ডান পাশ দিয়েই নামতে। শ্রীকান্ত রান না পেলেও দ্বিতীয় তথা নিজের শেষ টেস্ট ইনিংসে গাভাসকর করেছিলেন ৯৬ রান। ভারত ১৬ রানে হেরে গেলেও শ্রীকান্তের কুসংস্কারে উপকৃত হন সানি, ম্যাচের সেরাও হয়েছিলেন।

মাহেলা-মালিঙ্গার চুমু

মাহেলা-মালিঙ্গার চুমু

১৭ হাজার ৯৪৪টি চুমু খেয়েছেন লসিথ মালিঙ্গা। চিন্তা করবেন না, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিসংখ্যানের কথা বলছি। শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন স্পিডস্টার লসিথ মালিঙ্গার বল করতে ছুটে আসার দৃশ্য সকলেরই মনে রয়েছে। দৌড় শুরুর আগে মালিঙ্গা বলে চুমু খান। শ্রীলঙ্কা দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১৭ হাজার ৯৪৪ বার তিনি বলে চুমু খেয়েছেন বলে পরিসংখ্যানে জানা যায়। সবমিলিয়ে তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ারে এই সংখ্যা যে কত তা বলা যায় না। তবে বলে চুমু খেলেই সাফল্য মিলবে এই বিশ্বাস থেকেই দৌড় শুরু করতেন মালিঙ্গা। শ্রীলঙ্কারই প্রাক্তন অধিনায়ক মাহেলা জয়বর্ধনে আবার সুযোগ পেলেই ব্যাটে চুমু খেতেন, কুসংস্কারের বশেই।

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

English summary
From Sachin-Sourav To Dhoni-Kohli And Other International Cricketers Are Not Free From Superstitions. Indian Cricketers Have Different Kinds Of Superstitions.
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X