তিরাশির বিশ্বকাপ জয়ের ৩৮ বছর! নায়করা মেতে স্মৃতিচারণায়, সচিন জানালেন অভিজ্ঞতা

পুঁজিতে ১৮৩। প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ডেসমন্ড হেইন্সকে নিয়ে মারমুখী ভিভিয়ান রিচার্ডস। এরই মধ্যে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন মদন লাল। ডেসমন্ড হেইন্সের পর সাত রানের ব্যবধানে তুলে নিলেন বিপজ্জনক ভিভকে। অনেকটা দৌড়ে এসে ভিভকে কপিল তালুবন্দি করতেই বিশ্বজয়ের দিকে পা বাড়িয়েছিল ভারত। ৭টি চারের সাহায্যে ২৮ বলে ৩৩ করেছিলেন ভিভ। ৫৭-তে ৩ থেকে ৭৬ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের। মদন লাল, মহিন্দর অমরনাথ, বলবিন্দর সিং সান্ধুদের দাপুটে বোলিং আর ভারতের অদম্য লড়াইয়ে রচিত হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটের সোনালি অধ্যায়। আজ ৩৮ বছর পেরিয়ে এসে সেই স্মৃতিতেই ডুব দিলেন বিশ্বজয়ের নায়করা।

মদন লালের টুইট

মদন লালের টুইট

ফাইনালের মোড় ঘোরানো মদন লাল টুইটে লিখেছেন, তিরাশির বিশ্বকাপ দলে থাকতে পারাটা আমার কাছে গৌরবের, আমাকে সুযোগ যাঁরা দিয়েছিলেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ৩৮ বছরের এই সফরটা অনবদ্য। বিশ্বকাপজয়ী দলের সতীর্থদের সঙ্গে এই দিনটি উদযাপনের অংশীদার হতে চাই।

কীর্তি নিয়ে কীর্তি

কীর্তি নিয়ে কীর্তি

টুইটারে আজ ট্রেন্ডিং কপিলস ডেভিলস হ্যাশট্যাগ। সেই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেই কীর্তি আজাদ টুইটে লিখেছেন, ৩৮ বছর আগে আজকের দিনেই রচিত হয়েছিল ইতিহাস। ভারতমাতা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। আমরা একসঙ্গে সকলে মিলে আজ দিনটি উদযাপন করছি। তবে ইংল্যান্ডে থাকায় সুনীল গাভাসকর ও রবি শাস্ত্রীকে আজ মিস করছি। পারিবারিক কারণে আজ থাকতে পারছেন না শ্রীকান্তও। কপিল থেকে কীর্তি, সকলের টুইটার অ্যাকাউন্টে শোভা পাচ্ছে বিশ্বজয়ের মুহূর্ত।

ফাইনালের নায়ক মহিন্দর

ফাইনালের নায়ক মহিন্দর

মহিন্দর অমরনাথের বলে মাইকেল হোল্ডিং লেগ বিফোর হতেই ভারত প্রথমবার বিশ্বজয়ের স্বাদ পায়। ১৯৭৫ সালে লর্ডসের গ্যালারিতে বসেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল দেখার সময় অমরনাথ সতীর্থ অংশুমান গায়কোয়াড়কে বলেছিলেন, আমরা একদিন এমন ফাইনাল খেলতে পারলে খুব ভালো লাগবে। লর্ডসেই সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছিল অমরনাথের। ব্যাট হাতে লড়াকু ২৬, ৭ ওভারে ১২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে তিনি হয়েছিলেন ম্যাচের সেরা। আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে এটিই ৩৮ বছর ধরে ছিল কোনও ভারতীয় বোলারের সেরা পারফরম্যান্স। সদ্যসমাপ্ত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে চার উইকেট নিয়ে অমরনাথের সেই রেকর্ড ভেঙেছেন বাংলার মহম্মদ শামি।

গায়কোয়াড়ের কথায়

গায়কোয়াড়ের কথায়

১৯৭৫ ও ১৯৭৯-র বিশ্বকাপে দেশের হয়ে খেললেও অংশুমান গায়কোয়াড় ছিলেন না তিরাশির বিশ্বকাপের দলে। তাঁর কথায়, ইংল্যান্ডের পরিবেশে বাঁ হাতি সিমার বা পেসার কার্যকরী হবে ভেবেই দলে নেওয়া হয়েছিল সুনীল ভালসনকে। যদিও তিনি একটি ম্যাচেও দলে ছিলেন না। গায়কোয়াড় বলেন, একটা সময় মনে হয়েছিল আমরা বুঝি আর পারব না। কিন্তু হঠাৎই বদলে গেল ম্যাচের মোড়। উপভোগ্য ফাইনালে ভারত বিশ্বকাপ জিতল। বিশ্বজয়ী দলে না থাকলেও নেচে উঠেছিলাম আনন্দে। দেশে ফেরার পর কপিল, অমরনাথদের শুভেচ্ছা জানাই। অমরনাথ আমার ভালো বন্ধু। অন্যদের চেয়ে অমরনাথের বলে গতি কম থাকলেও মিডিয়াম পেসে বৈচিত্র্য থাকাতেই সফল হয়েছিলেন। লাইন, লেংথ সবদিক দিয়ে দেখলে জিমি ইংল্যান্ডের মাটিতে আদর্শ বোলার। ইংল্যান্ডে খেলার সুবাদে জানতেন কীভাবে কোন লাইন লেংথে বল করতে হবে বা ব্যাট করতে হবে। জিমি ভালো ফিল্ডারও। তাই যোগ্য হিসেবেই সেমিফাইনাল ও ফাইনালে সেরার পুরস্কারটি পেয়েছিলেন অমরনাথ।

সচিনের টুইট

সচিনের টুইট

তিরাশির বিশ্বকাপ জয় ভারতীয় দলে সুযোগ পেতে আরও প্রত্যয়ী করেছিল সচিন তেন্ডুলকরকে। তিনিও এদিন তিরাশির বিশ্বজয় নিয়ে টুইট করে লিখেছেন, এই দিনটাই বদলে দিয়েছিল ভারতের ক্রিকেট ইতিহাস। প্রতিটি উইকেট পড়ার সময় কতটা আনন্দ পেয়েছিলাম এবং সেলিব্রেট করেছিলাম সবটাই মনে আছে। দেশকে প্রথম বিশ্বকাপ জিততে দেখে গর্বিতও হয়েছিলাম।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+