IPL 2025: আইপিএল শুরুর আগে ধাক্কা লখনউ সুপার জায়ান্টস শিবিরে, প্রথম পর্বে অনিশ্চিত দলের তারকা পেসার
আইপিএল শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগেই ধাক্কা লখনউ সুপার জায়ান্টস শিবিরে। আইপিএলের প্রথম পর্বে অনিশ্চিত দলের নির্ভরযোগ্য পেসার মায়াঙ্ক যাদব। ২০২৪ সালের আইপিএলে ১৫৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে বল করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। কিন্তু চোট প্রবণ মায়াঙ্ক এবার সমস্যায় ফেললেন লখনউ সুপার জায়ান্টসকে।
২০২৪ সালের আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের জন্য লখনউ মায়াঙ্ককে নিলামে না তুলেই দলে ধরে রেখেছিল। ২০২৪ সালের আইপিএলে অভিষেক হয়েছিল মায়াঙ্কের। প্রথম ম্যাচে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে তিন উইকেট নিয়েছিলেন। পরের ম্যাচে আরসিবির বিরুদ্ধেও নিয়েছিলেন তিন উইকেট। আইপিএলে ভালো খেলার সৌজন্যে জাতীয় দলেও সুযোগ পান তরুণ এই পেসার। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের আইপিএলেও চোটের কারণে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি মায়াঙ্কের।

২০২৪ সালে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে ভারতের হয়ে অভিষেক হয় মায়াঙ্কের। তারপরই কবলে পড়েন তিনি। এরপর থেকেই সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে রিহ্যাবের মধ্যে আছেন লখনউ দলের পেসার। তবে পুরো ফিট হয়ে আবার কবে ২২ গজে প্রত্যাবর্তন করবেন মায়াঙ্ক তা সঠিকভাবে জানা যায়নি।
ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মায়াঙ্ক ফিটনেসের সব শর্ত পূরণ করতে পারেন এবং তার বোলিং ওয়ার্কলোড বাড়াতে সক্ষম হন, তাহলে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচগুলিতে তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে।মায়াঙ্ক বর্তমানে কোমরের স্ট্রেস ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন মায়াঙ্ক। বেঙ্গালুররু সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে নতুন করে বোলিং শুরু করেছেন।
লখনউ দলের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট জাহির খান মায়াঙ্ক প্রসঙ্গে বলেন, আমরা চাই মায়াঙ্ক পুরো ফিট হয়েই আইপিএলে খেলতে নামুক। আমারা তাঁর ফিটনেসের দিকে নজর রাখছি। ১৫০ শতাংশ ফিট হলেই আমরা তাঁকে খেলাবো।
আইপিএল নিলামে রেকর্ড দাম দিয়ে ঋষভ পন্থকে দলে নিয়েছে লখনউ দল। ফলে বিরাট ভাবনা চিন্তা নিয়েই যে পন্থকে দলে নিয়েছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কারা সেটা এক প্রকার স্পষ্ট ছিল। আসন্ন আইপিএল মরশুমে লখনউ দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হয়েছে।দিল্লিতে খেলার সময় শেষ তিন বছর অধিনায়ক ছিলেন পন্থই। দুর্ঘটনা জনিত কারণে ২০২৩ সালে আইপিএল খেলতে পারেননি
রোহিতের স্টাইলেই যে নেতৃত্ব দিতে চান তা বুঝিয়ে দিলেন পন্থ। দায়িত্ব পাওয়ার পর পন্থ জানিয়ে দেন, আমি ক্রিকেটারদের পাশে থাকতে চাই। তাঁদের আস্থা অর্জন করতে চাই। স্পষ্ট কথা বলতে চাই যে, দল তার কাছে কী প্রত্যাশা করছে বা ঠিক কী ভূমিকা ভেবে রেখেছে। সেটাই আমার মন্ত্র।












Click it and Unblock the Notifications