Gautam Gambhir: মঙ্গলেই ইন্টারভিউ দিলেন গৌতম গম্ভীর, ভারতের হেড কোচ হতে আবেদন কাদের? গোপন রাখল বিসিসিআই
Gautam Gambhir: খোলা মাঠে গোল দেওয়া। কিংবা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এ যেন নিয়মরক্ষার ম্যাচ খেলতে নামা। ভারতের হেড কোচ হওয়ার জন্য গৌতম গম্ভীরের ইন্টারভিউকে তেমনই বলা যায়।
ভারতের হেড কোচ পদে রাহুল দ্রাবিড়ের স্থলাভিষিক্ত হতে আবেদনের সময়সীমা ২৭ মে অবধি ধার্য করেছিল বিসিসিআই। যদিও কারা আবেদন করেছে তা নিয়ে গোপনীয়তা এখনও বজায় রাখল বিসিসিআই।

বিসিসিআইয়ের ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটিতে রয়েছেন অশোক মালহোত্রা, যতীন পরাঞ্জপে ও সুলক্ষণা নায়েক। কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে এই কমিটি আবেদনকারীদের ইন্টারভিউ নিয়ে থাকে। তারপর বিসিসিআইয়ের কাছে এই কমিটির তরফে সুপারিশ পাঠানো হয়। তার ভিত্তিতেই কোচের নাম ঘোষণা করে বিসিসিআই।
বিসিসিআই সূত্রে খবর, গৌতম গম্ভীর আজ ক্রিকেট অ্যাডভাইসরি কমিটির কাছে ভারতের হেড কোচের পদের জন্য ইন্টারভিউ দিয়েছেন। ফলে সরকারিভাবে এদিনই জানা গেল যে, গম্ভীর ভারতের হেড কোচ হতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। যদিও আর কেউ আবেদন করেছিলেন কিনা তা সরকারিভাবে এখনও জানায়নি বিসিসিআই।
গম্ভীরের পর আর কারও ইন্টারভিউ নেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে। যদিও বেশ কিছু ঘটনা পরম্পরা স্পষ্ট করে দিয়েছে, দ্রাবিড়ের থেকে হেড কোচের ব্যাটন পাচ্ছেন গম্ভীরই। গত নভেম্বরে লখনউ সুপার জায়ান্টস ছেড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেন্টর হন গম্ভীর। তারপর চলতি আইপিএলে কেকেআরকে খেতাব জেতাতে অগ্রণী ভূমিকা নেন।
আইপিএল ফাইনালের পরই গম্ভীরের সঙ্গে দেখা করে আলাদাভাবে কথা বলেছিলেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। যদিও আইপিএলের পরেও গম্ভীর নিজের পরবর্তী পরিকল্পনা খোলসা করেননি। তিনি বলেছিলেন, পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটানোই তাঁর পরবর্তী লক্ষ্য। কেকেআরকে আইপিএলের সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবেও দেখতে চান। ফলে আরও তিনবার খেতাব জিততে হবে নাইটদের।
এরপর ১ জুন আবু ধাবিতে একটি অনুষ্ঠানে গম্ভীর প্রথম বলেন, ভারতীয় দলের হেড কোচ হতে পারলে তাঁর ভালো লাগবে। এর চেয়ে বড় সম্মানের কিছু হতে পারে না। দেশে ১৪০ কোটি মানুষ রয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ভারতীয়দের ধরলে সংখ্যাটা আরও বেশি। সেই ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার চেয়ে বড় কিছু হতে পারে কি?
ভারতীয় ক্রিকেট দলকে টি২০ বিশ্বকাপে তেমন কোনও পরামর্শ দেননি গম্ভীর। তবে ভারতীয়দের প্রার্থনাকেই বড় মোটিভেশন হিসেবে চিহ্নত করেন। নির্ভীক ক্রিকেট খেললেই বিশ্বজয় যে সম্ভব, তা বুঝিয়ে দেন গম্ভীর। ওই অনুষ্ঠানের পরই গম্ভীর যে ভারতের হেড কোচ হতে চলেছেন তা কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়।
প্রথমে মনে করা হয়েছিল, ভিভিএস লক্ষ্মণ ভারতের পরবর্তী হেড তোচ হবেন। যদিও তিনি নিজেই সেই সম্ভাবনা খারিজ করে দেন। লক্ষ্মণ এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর এনসিএ-র শীর্ষে রয়েছেন। আইপিএল দলের অনেক কোচও জানিয়ে দেন, তাঁরা ভারতীয় দলের হেড কোচ পদের জন্য আবেদন করছেন না। তারপর জয় শাহ ইঙ্গিত দেন, কোনও বিদেশিকে বিসিসিআই প্রস্তাব দেয়নি। দেশীয় কোচ নিয়োগেরই আভাস দেন জয়।
২০২১ সালের টি২০ বিশ্বকাপের পর রবি শাস্ত্রীর স্থলাভিষিক্ত হন দ্রাবিড়। ২০২৩ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ অবধি তাঁর হেড কোচ হিসেবে চুক্তির মেয়াদ ছিল। পরে বিসিসিআইয়ের অনুরোধ মেনে টি২০ বিশ্বকাপ অবধি থাকতে রাজি হন দ্রাবিড়। বিসিসিআই জানিয়েছে, ২০২৪-এর জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর অবধি তিন ফরম্যাটের জন্যই হেড কোচ নিয়োগ করা হবে।












Click it and Unblock the Notifications