BCCI Player Contract: রঞ্জি খেলেই আইপিএলের মতো উপার্জন! ম্যাচ ফি নিয়ে বৈপ্লবিক পদক্ষেপের ভাবনা বিসিসিআইয়ের
BCCI Player Contract: রঞ্জি ট্রফি খেলেও আইপিএলের মতো উপার্জন! সবকিছু ঠিকঠাক চললে তেমন পদক্ষেপ করতেও পিছপা হবে না বিসিসিআই। গতকাল ক্রিকেটারদের বার্ষিক চুক্তি প্রকাশের পর এমনই সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।
বিসিসিআই সূত্রকে উদ্ধৃত করে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ বিষয়ে বিসিসিআই মতামত জানবে ভারতীয় দলের কোচ, অধিনায়ক ও নির্বাচকদের কাছ থেকে।

বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার সাদা বলের ক্রিকেট, বিশেষ করে আইপিএলকে প্রাধান্য দিতে লাল বলের ক্রিকেট খেলা নিয়ে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে রঞ্জি ট্রফি না খেলায় বোর্ডের বাৎসরিক চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন শ্রেয়স আইয়ার ও ঈশান কিষাণ।
ক্রিকেটারদের একাংশের অনীহার কারণেই বিগত বছর তিনেক ধরে রঞ্জি ট্রফির মান পড়েছে বলে মনে করছে বিসিসিআই। যদিও বোর্ড লাল বলের ক্রিকেটকেই সর্বাপেক্ষা গুরুত্ব দিচ্ছে। সে কারণেই রঞ্জি ট্রফি-সহ লাল বলের ক্রিকেটে ম্যাচ ফি এমন করা হচ্ছে যাতে তা টক্কর দিতে পারে আইপিএলকে।
বর্তমানে যদি কোনও ক্রিকেটার ১০টি রঞ্জি ম্যাচ খেলেন তাহলে তিনি ২৫ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন। আইপিএলের বেস প্রাইস ২০ লক্ষ টাকা। বোর্ড জানতে পেরেছে, পেস বোলারদের অনেকে আইপিএলের জন্য নিজেদের ফিট রাখতে নানা ছুতোয় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এড়াচ্ছেন।
বিসিসিআইয়ের বার্ষিক চুক্তিতে চারটি ধাপ রয়েছে। তাতে এ প্লাস গ্রেডের ক্রিকেটারদের জন্য রয়েছে ৭ কোটি টাকা, এ গ্রেডের ৫ কোটি টাকা, বি গ্রেডের ৩ কোটি টাকা ও সি গ্রেডের ১ কোটি টাকা। জানা যাচ্ছে, টেস্ট ম্যাচ ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ম্যাচ ফি তিনগুণ বৃদ্ধির সুপারিশ এসেছে।
সেক্ষেত্রে যদি কোনও ক্রিকেটার রঞ্জি ট্রফি খেলেন তাতে তিনি বছরে ৭৫ লক্ষ টাকা উপার্জন করতে পারবেন, যা আইপিএলে মাঝারি ধরনের চুক্তির মতোই। আবার কোনও ক্রিকেটার যদি বছরে সব টেস্টে খেলেন তাহলে তিনি ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন, এমন সুপারিশ এসেছে।
বিসিসিআই সূত্রে খবর, লাল বলের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে আগ্রাসী মেজাজেই এগিয়ে যেতে চাইছে বোর্ড। সেক্ষেত্রে ম্যাচ ফি তিনগুণ যদি এক লাফে বাড়ানো নাও হয়, তাহলেও আকর্ষণীয় বৃদ্ধির পথে হাঁটবে বিসিসিআই। তার আগে নেওয়া হবে রাহুল দ্রাবিড়, রোহিত শর্মা, অজিত আগরকরদের মতামত।
এ ছাড়াও ভারতীয় টেস্ট দল নির্বাচনে যাতে সমস্যা না হয় সে কারণে ক্রিকেটারদের পুল রাখার পথেও হাঁটতে পারেন নির্বাচকরা। সে কারণেই খলিল আহমেদ অনেক বছর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট না খেললেও তাঁকে এবার রাজস্থানের হয়ে রঞ্জি খেলতে বাধ্য করা হয়েছে। ময়াঙ্ক যাদব, অর্শদীপ সিংদের নিয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। বিসিসিআই আলাদা আলাদা করে পেসার, স্পিনার ও উইকেটকিপারদের পুল বানাতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications