• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

এবার অনলাইনেই মিলবে বাংলার মিষ্টি

  • By Ananya Pratim
  • |
রসগোল্লা
কলকাতা, ১৭ নভেম্বর: সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবার অনলাইনমিষ্টি বিক্রি করবে কলকাতার বিখ্যাত মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধারমণ মল্লিক। আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই চালু হয়ে যাবে এই হাই-টেক ব্যবস্থা। বাংলার মিষ্টির বিপণনে এ এক অভিনব পদক্ষেপ সন্দেহ নেই।

একটা সময় ছিল, যখন কলকাতার বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল কড়া পাকের সন্দেশ, রসগোল্লার। তখনও ভুজিয়াওয়ালাদের দাপট শুরু হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ প্রবল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে বাংলার নিজস্ব মিষ্টি। তাই টিকে থাকতে নানা ভাবনাচিন্তা শুরু করতে হয় কে সি দাশ, ভীম নাগ, বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধারমণ মল্লিকদের। টিনজাত করে বাইরের বাজারে রসগোল্লা বিক্রি প্রথম শুরু করে কে সি দাশ। বেঙ্গালুরু, দিল্লিতে তারা ফ্র্যানচাইজি মারফত দোকান খুলতে শুরু করে। সাড়াও পড়ে ভালো। প্রবাসী বাঙালিরা তো বটেই, অবাঙালিরাও মজে কে সি দাশের রসগোল্লায়। মিষ্টি বিপণনকেও যে আধুনিক করে তোলা যায়, সেটা প্রথম দেখিয়েছিল কে সি দাশই। এবার সেই আধুনিকতার পালে নিশ্চিতভাবেই হাওয়া জোগাবে বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধারমণ মল্লিকের অনলাইনে মিষ্টি বিক্রির পদক্ষেপ।

বলরাম মল্লিক অ্যান্ড রাধারমণ মল্লিকের খ্যাতি মূলত ছানার পায়েস আর জিভে জল আনা বিভিন্ন ধরনের সন্দেশকে ঘিরে। ১২৮ বছরের পুরোনো এই সংস্থার কর্ণধার সন্দীপ মল্লিকের দাবি, অনলাইনে মিষ্টি বিক্রি শুরু হলে ব্যবসার কলেবর অন্তত ১০-২০ শতাংশ বেড়ে যাবে। বিদেশে বসে মাউস ক্লিক করেই অর্ডার দেওয়া যাবে। ইদানীং অবশ্য এরা কাজু বরফি আর লাড্ডুও বিক্রি করছে। ভুজিয়াওয়ালাদের সঙ্গে পাল্লা দিতেই এই ব্যবস্থা। আর এক মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক ভীম নাগ এই মুহূর্তে অনলাইনে বিক্রি শুরু না করলেও ভবিষ্যতে এগিয়ে আসতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

অন্যদিকে, নিজেদের অস্তিত্ব সর্বজনীন করে তুলতে ভারতের বিভিন্ন শহরে আরও বেশি করে দোকান খোলার উদ্যোগ নিয়েছে কে সি দাশ। এই মুহূর্তে শুধু বেঙ্গালুরুতে তাদের ১৯টি দোকান রয়েছে। অবশ্য সবই চলে ফ্র্যানচাইজি মারফত। নতুন বছরে তারা চেন্নাইয়ের বাজারে ঢুকতে চলেছে। এমনকী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও খুব শীঘ্র বিপণি খোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। রসগোল্লা ছাড়াও বিদেশের বাজারে সবচেয়ে চাহিদা রয়েছে যে জিনিসটির, তা হল মিষ্টি দই। বাঙালির মিষ্টি দইতে মজেননি, এমন অবাঙালি খুঁজে পাওয়া ভার।

আসলে ভুজিয়াওয়ালারা যে খাবার প্রস্তুত করে, তা অধিকাংশই শুকনো। ফলে, তা সংরক্ষণ কিংবা বিপণন তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক। কিন্তু, বাংলার মিষ্টিতে রসের আধিক্য থাকায় তার সংরক্ষণ ও বিপণনে ঝক্কি বেশি। সেই ঝক্কি সামলেই এবার বাংলার নিজস্ব মিষ্টি বিশ্বজয়ের পথে হাঁটছে।

English summary
Bengal's sweets will now be available online
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more