• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    (ছবি) বলিউড তারকাদের গোপন প্রেম, যা অধরাই রয়ে গেল!

    বলিউডের অনস্ক্রিন প্রেমকাহিনী যেমন চর্চিত তেমনই অফস্ক্রিন প্রেম কাহিনীও রয়েছে যা মানুষের ঠোঁটস্থ। কিন্তু এমন অনেক প্রেম কাহিনীই আছে, যা গোপনে শুরু হয়েছে এবং অন্ধকারেই রয়ে গিয়েছে। আবার কিছু রয়েছে যা কাহিনী শুরু হয়েছিল অন্ধকারে কিন্তু মিডিয়ার দৌলতে প্রকাশ্যে এসেছে কিন্তু পরিণতি পায়নি।

    গুরু দত্ত থেকে সঞ্জয় দত্ত, রাজ কাপুর থেকে করিনা কাপুর বহু ক্ষেত্রেই অধরা প্রেমের সাক্ষী হয়েছেন বলিউড তারকারা। এমনই কয়েকটি গোপন প্রেমের গল্প নিজের স্লাইডে দেখে নিন।

    রাজ কাপুর-নার্গিস

    রাজ কাপুর-নার্গিস

    আগ, বরসাত, আওয়ারা, শ্রী ৪২০, চোরি চোরি, জাগতে রহো, এমন একাধিক সিনেমায় নার্গিসের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন রাজ কাপুর ও নার্গিস। অনস্ক্রিন রসায়নটা আস্তে আস্তে তাঁদের জীবনেও ঢুকে পড়ে। কিন্তু তখন কৃষ্ণাদেবীর সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্কে ছিলেন রাজ কাপুর।

    স্ত্রী ও সন্তানদের ছেড়ে তাঁকে স্বীকার করতে অস্বীকার করায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেন নার্গিস। কিন্তু মাদার ইন্ডিয়া সেটে সুনীল দত্তের সঙ্গে আলাপ হওয়ার পর আগুন থেকে নার্গিসকে রক্ষা করেন সুনীল। এরপরই তাঁর প্রেমে পড়েন নার্গিস। তারপর সুনীল দত্তকেই বিয়ে করেন। ১৯৮১ সালে নার্গিসের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তাঁরা একসঙ্গেই ছিলেন।

    দীলিপ কুমার-মধুবালা

    দীলিপ কুমার-মধুবালা

    ১৯৫১ সালে তারানা ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার সময় দীলিপ কুমার ও মধুবালার মধ্যে ভালবাসার স্ফুলিঙ্গ জ্বলতে শুরু করে। শোনা যায় মধুবালা নিজের হেয়াকড্রেসারের হাতে দিলীপ সাহেবের জন্য একটি উর্দুতে লেখা চিঠি ও গোলাপ ফুল পাঠান। যাতে লেখা ছিল, যদি তিনি তাঁকে ভালবাসেন তাহলে যেন গোলাপ ফুলটি গ্রহণ করেন।

    দীলিপ কুমার সেই গোলপটি গ্রহণ করেন কারণ ততদিনে তিনি মধুবালার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। মুঘল-এ-আজম এর সময়ও এই প্রেম পুরোদমে চলছিল। এই প্রেমে বাঁধ সাধেন মধুবালার বাবা আতাউল্লাহ খান। নয়া দৌড়ের শুটিংয়ের জন্য মেয়েকে ভোপাল যেতে দেননি তিনি। আর তাতে বেজায় চটেন পরিচালক বি আর চোপড়া।

    তিনি মধুবালাকে ওই সিনেমা থেকে বাদ দিয়ে সেই জায়গায় বৈজন্তী মালাকে নেন। বাবার অমতে যেতে পারেননি মধুবালা। ফলে সেখানেই ইতি হয় তাঁদের সম্পর্কের।

    গুরু দত্ত-ওয়াহিদা রহমান

    গুরু দত্ত-ওয়াহিদা রহমান

    গুরু দত্ত ও ওয়াহিদা রহমানের প্রেম গোপনে শুরু হলেও এ কাহিনী বলিউডে কারও অজানা নয়। পেয়াসা ছবিতে কাজ করতে গিয়ে একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হন। ১৯৫৯ সালের ছবি কাগজ কে ফুল যেখানে এক চিত্র পরিচালকের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকার সম্পর্ক নিয়ে আসলে গুরু দত্ত ও ওয়াহিদার গল্পের প্রতিচ্ছবি বলেই মনে করা হতো।

    কিন্তু এরপর কী হয়েছিল কেউ জানেন না, গুরু দত্তের আত্মহত্যার মধ্যে দিয়েই করুণ পরিণতি এই ভালবাসার। গুরু দত্তের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী গীতা দত্ত-ও নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। ১০ বছর পর তাঁরও মৃত্যু হয়।

    ওয়াহিদা অভিনেতা-ব্যবসায়ী কমলজিৎকে বিয়ে করেন। তাঁদের ২ সন্তানও রয়েছে।

    ধর্মেন্দ্র-মীনা কুমারী

    ধর্মেন্দ্র-মীনা কুমারী

    পূর্ণিমা, চন্দন কা পালনা, ফুল অউর পত্থরের মতো ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ভাললাগা ও পরে ভালবাসা। তখন অবশ্য ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রী প্রকাশের সঙ্গে বিবাহিত সম্পর্কে ছিলেন। এই খবর প্রকাশ্যে চলে আসতেই পিছিয়ে যান ধর্মেন্দ্র। সম্পর্কের ইতি হয়। মীনা কুমারীও হতাশায় ডুবে যান। এবং অবশেষে আত্মহত্যা করেন। পরে অবশ্য ধর্মেন্দ্র হেমা মালিনীকে বিয়ে করেন।

    অমিতাভ-রেখা

    অমিতাভ-রেখা

    বলিউডের সবচেয়ে চর্চিত বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কাহিনী হয়তো অমিতাভ বচ্চন ও রেখারই। ১৯৭৬ সালে দো আনজানে ছবি করার সময় থেকে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন জয়া ভাদুরি অমিতাভের স্ত্রী।

    শোনা যায়, আলাপ ছবির শুটিংয়ের সময়, রেখার বান্ধবীর একটি বাংলোয় দুজনে নিয়মিত দেখা করতেন। খুন পসিনা, ইমান ধরম, গঙ্গা কি সউগন্ধ, মুকাদ্দর কা সিকন্দর, মিস্টার নটওরলাল, সুহাগ ছবি করার সময় এই সম্পর্ক আরও জোরদার হয়ে ওঠে।

    এই কথা জয়ার কানে আসতেই তিনি রেখার সঙ্গে এই বিষয়ে সরাসরি কথা বলেন, এবং তাঁকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন কোনও মতেই তিনি স্বামী অমিতাভের সঙ্গে সম্পর্কও ভাঙবেন না ও তাঁকে ছাড়বেন না।

    এরপর সিলসিলা ছবি তাঁদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। যে ছবিতে চিত্রনাট্যেও রেখা, অমিতাভ এবং জয়ার ত্রিকোণ প্রেমের গল্প ফুটে ওঠে। এই ছবির পরই দুজনের সম্পর্কে দাড়ি পরে যায়।

    সঞ্জয় খান-জিনত আমন

    সঞ্জয় খান-জিনত আমন

    ১৯৮০ সালে আবদুল্লা ছবির সময়ই জিনাতের প্রেমে পড়ে যান বিবাহিত অভিনেতা সঞ্জয় খান। দুজনে একসঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে থাকতে শুরু করেন। কিন্তু দুজনের সম্পর্কের করুন পরিণতি হয় যখন একটি অনুষ্ঠানে স্ত্রী জরিনের আদেশে জিনাতকে নৃশংসভাবে মারধর করেন সঞ্জয়। ওই মারের চোটে জিনাতের একটি চোখ চিরকালের মতো নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ক্রিকেটার মজহার খানকে বিয়ে করেন জিনাত। সঞ্জয় খান ও জরিন এখনও একসঙ্গেই আছেন।

    শত্রুঘ্ণ সিনহা-রীনা রায়

    শত্রুঘ্ণ সিনহা-রীনা রায়

    বিউটি কুইন পুনম চন্দ্রনামণি এবং অভিনেত্রী রীনা রায়ের সঙ্গে একইসঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক চালাচ্ছিলেন শটগান শত্রুঘ্ন সিনহা। কিন্তু শেষমেষ পুনমকেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন শত্রুঘ্ন। ১৯৮০ সালে দুজনের বিয়ে হয়। পরে পাকিস্তানি ক্রিকেটার মহসিন খানকে বিয়ে করেন রীনা।

    রাজেশ খান্না-টিনা মুনিম

    রাজেশ খান্না-টিনা মুনিম

    রাজেশ খান্না ও তাঁর তৎকালীন স্ত্রী ডিম্পল কাপাডিয়ার বিচ্ছেদের পরই টিনার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলিউডের কাকাজি। এমনকী রাজেশের বাড়িতেও থাকতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু টিনাকে রাজেশ বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। কারণ তাঁর মনে হয়েছিল টুইঙ্কল ও রিঙ্কি এই বিয়ে মেনে নিতে পারবে না। আর তাই টিনা এই সম্পর্কে ইতি টানেন।

    মহেশ ভট-পারভিন ববি

    মহেশ ভট-পারভিন ববি

    একাধিক সম্পর্ক ছিল পারভিন ববির। কবির বেদীর সম্পর্কে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর মহেশ ভটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক তৈরি হয়। পারভিন ববির সঙ্গে তাঁর নিজের সম্পর্ক নিয়ে অর্থ ছবিটি তৈরি করেন মহেশ ভট। ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

    আদিত্য পাঞ্চোলি-কঙ্গনা রানাউত

    আদিত্য পাঞ্চোলি-কঙ্গনা রানাউত

    স্ত্রী জরিনা ওয়াব থাকা সত্ত্বেও বয়সে অনেক ছোট কঙ্গনা রানাউতের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন আদিত্য। কিন্তু সম্পর্কে থাকাকালীনই কঙ্গনাকে মারধর করার জন্য সংবাদের শিরানে উঠে এসেছিলেন আদিত্য। বিয়ের বাইরেও একাধিক সম্পর্ক রয়েছে স্বীকার করেন আদিত্য। এর পরেই সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসেন কঙ্গনা।

    মিঠুন-শ্রীদেবী

    মিঠুন-শ্রীদেবী

    জাগ উঠা ইনসার ছবির শুটিংয়ের দরুণ মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবীর প্রেম পর্ব শুরু হয়। তখন মিঠুনের স্ত্রী ছিলেন যোগিতা বালি। এমনও শোনা যায় গোপনে বিয়েও করেছিলেন মিঠুন ও শ্রীদেবী। এই খবর জানার পর যোগিতা বালি আত্মহত্যা করতে গেলে সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন মিঠুন ও শ্রীদেবী।

    পরে বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী মোনা শ্রীদেবীকে সাহায্য করার জন্য বাড়িতে আশ্রয় দেন। তিনি জানতেন না তাঁর পিঠের পিছনেই শ্রীদেবী ও তাঁর স্বামীর মধ্যে অন্য সম্পর্ক গড়ে উঠছে। গর্ভবতী হয়ে পড়েন শ্রীদেব। এরপরই বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন মোনা ও বনি।

    সঞ্জয় দত্ত মাধুরী

    সঞ্জয় দত্ত মাধুরী

    সঞ্জয় দত্তের প্রথম স্ত্রী রিচা শর্মার মৃত্যুর পরই মাধুরীর সঙ্গে সঞ্জয় দত্তের সম্পর্ক তৈরি হয়। থানেদার, সাজন, খলনায়ক-এ মতো একের পর এক ছবি একসঙ্গে করতে থাকেন দুজনে। ১৯৯৩ সালে মুম্বই বিস্ফোরণ কাণ্ডে সঞ্জয় ধরা পরার পর মাধুরী সম্পর্ক শেষ করে দেন সঞ্জয়ের সঙ্গে।

    এরপর ১৯৯৯ সালে ডাঃ নেনেকে বিয়ে করেন মাধুরী। সঞ্জয় অবশ্য মাধুরীর সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর দুবার বিয়ে করেছেন। রিহা পিল্লাইয়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বর্তমান স্ত্রী মান্যতাকে নিয়ে আছেন তিনি।

    হৃতিক-করিনা

    হৃতিক-করিনা

    বিয়ে না হলেও সুজানকে ডেট করার সময়ই করিনার প্রেমে পড়েন হৃতিক। যদিও পরে সুজানকেই বিয়ে করেন তিনি। এবং করিনা শাহিদকে ডেট করতে শুরু করেন। পরে অবশ্য সইফ আলি খানকে বিয়ে করে সুখে জীবনযাপন করছেন করিনা। সম্প্রতি হৃতিকের সঙ্গে সুজানের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে।

    English summary
    Bollywood's secret love affairs
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more