কৃষ্ণসার হরিণহত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত সলমন খান,বেকসুর খালাস সইফ, তাব্বুরা

Subscribe to Oneindia News

কৃষ্ণসার হরিণহত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত সলমন খান। তবে বাকি অভিযুক্ত তারকারা ছা়ডা পেয়েছেন এই মামলায়। এই রায় দিয়েছে রাজস্থানের যোধপুর আদালত। ফলে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন বাকি অভিযুক্ত তারকা সইফ আলি খান,নিলম, সোনালি বেন্দ্রে ,তাব্বু ।  এদিকে, ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাক্টের সেকশন ৫১ ধারায় দোষী সাব্য়স্ত হয়েছেন সলমন। এদিন,সমস্ত তথ্য প্রমাণ সলমনের বিরুদ্ধে যাওয়াতেই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে ,এখনও আদালতে তাঁর সাজার সওয়াল জবাব পর্ব চলছে, তবে যদি সলমন দোষী সাব্য়স্ত হন, তাহলে তাঁর সবচেয়ে বেশি  ৬ বছরের জন্য জেল হতে পারত, বলে খবর।

[আরও পড়ুন:কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় দোষী হয়েও কোন পথে জেলযাত্রা থেকে বাঁচতে পারবেন সলমন!]

কৃষ্ণসার হরিণহত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত সলমন খান,চলছে সাজার শুনানি
কৃষ্ণসার হরিণহত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত সলমন খান,চলছে সাজার সওয়াল-জবাব পর্ব

জানা গিয়েছে সলমনের সাজা যদি ৩ সালের মধ্যে হয়, তাহলে আজকেই তিনি জামিন পেতে পারেন। তবে যদি , ৩ বছরের বেশি হয় তাঁর সাজার শুনানি, তাহলে তাঁর জামিন পাওয়া মুশকিল হতে পারে। টানা ২০ বছর ধরে চলা এই মামলায় দোষী সাব্য়স্ত সলমন কী ধরনের সাজা পান, এই মুহুর্তে সেদিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের। জানা গিয়েছে, আদালতরে ভিতর সলমনকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন বোনেরা।

[আরও পড়ুন: কৃষ্ণসার হত্যা মামলায় বাকীরা বেকসুর খালাস হলেও কেন সাজা পেলেন সলমন খান]

১৯৯৮ সালে সলমনের বিরুদ্ধে .২২ রাইফেল ও .৩২ রিভলভার দিয়ে দুটি কৃষ্ণসার হরিণকে মারার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় সেই সময়ে ১৯৯৮ সালের ১৭ অক্টোবর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। যোধপুরের কোঙ্কনি গ্রামে ওই  শিকারের ঘটনাটি ঘটেছিল। মোট চারটি চোরাশিকারের মামলা ছিল সলমনের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে ৩টি মামলায় সলমনকে আদালত মুক্তি দেয়। তার বিরুদ্ধে পাল্টা উচ্চ আদালতে মামলা হয়েছে। সেই মামলা ঝুলে রয়েছে। চতুর্থ চোরাশিকারের মামলাটিতেও সলমনকে বেকসুর খালাস করা হয় কিনা সেটাই এখন দেখার।

English summary
:Blackbuck poaching case Salman convicted.

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.