ব্যথা কমানো ওষুধের প্রয়োজন নেই! প্রাকৃতিক উপায়ে কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যথা থেকে মুক্তি
দ্রুত ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই ওষুধকেই বেছে নেন। প্রাকৃতিক উপায়কে তারা বিশেষ গুরুত্ব দিতে চান না। তবে ব্যথ থেকে মুক্তি পেতে সবসময় ব্যথা নাশক ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রাকৃতিক উপায়েই এই ব্যথা কমানো যেতে পারে। এর জন্য বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে।
আকুপাংচার এবং আকুপ্রেসার ব্যথা কমিয়ে শরীরের স্নায়ুকে শান্ত করে। শরীরে সূক্ষ্ণ সূঁচ ঢোকানো কিংবা আঙুল দিয়ে চাপ দেওয়ার কৌশল ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ব্যথা কমাতে তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যারোমা থেরাপি, ল্যাভেন্ডার, পিপারমিন্ট কিংবা ইউক্যালিপটাসের মতো তেল ব্যবহার করপে পেশির ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। যেখানে ব্যথা রয়েছে সেখানে আলতো করে ম্যাসাজ করতে হবে। সেখান থেকে যে গন্ধ বেরোয় তা মানসিক চাপ কমায় এবং সামগ্রিকভাবে ব্যথা উপশম করে।
হলুদ ও আদা ব্যথা উপশমকারী হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এদের মধ্যে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। হলুদে থাকা কারকিউমিন এবং আদার মধ্যে থাকা জিজ্ঞেরল ব্যথা উপশমকারী হিসেবে কাজ করে এবং প্রদাহ কমাতে এবং ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে।
ক্যাপসাইসিনের ব্যথা উপশমকারী বৈশিষ্ট্যগুলির বেশ পরিচিত। এটি পাওয়া যায় মরিচের মধ্যে। ক্রিম হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। আর্থ্রাইটিস এবং নিউরোপ্যাথি থেকে মুক্তি দেয়। শরীরের জ্বালা হওয়ার সম্ভাবনায় এটি প্রয়োগ করার সময় সতরকতা অবলম্বন করতে হবে।
ঠান্ডা কম্প্রেসগুলি ব্যথা ও ফোলা কমাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। ঠান্ডা কম্প্রেস যেমন পাতলা কাপড়ে মোড়ানো বরফের প্যাক নির্দিষ্ট জায়গায় প্রয়োগ করতে উপকার পাওয়া যেতে পারে। মচকে যাওয়া বা স্ট্রেনের মতো গুরুতর আঘাতের জন্য উপকারী। তবে বেশি সময় তা প্রয়োগ করায় আবার ক্ষতিও হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications