অনিদ্রা থেকে বাড়ে বড় রোগের ঝুঁকি, ভালো ঘুমাতে মানুন এই টিপসগুলি
প্রতিটি মানুষেরই পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমোনো খুব দরকার। যদি ঘুম সঠিক না হয় তাহলে কিন্তু শরীর খারাপ হতে থাকে। এমনকি বড় রোগেরও ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে শরীর ফিট থাকে না। কোনও কাজে মন বসে না। এমনকি মানসিকভাবে ব্যক্তি ভেঙে পড়েন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিত্যদিন আট থেকে নয় ঘন্টা ঘুমানো দরকার। এতে আপনার মানসিক চাপ আগের থেকে অনেক কমবে। তবে রাতে ঘুমাবার আগে চা-কফি, সিগারেট ও ক্যাফেইনযুক্ত কোনও খাবার একদমই ভুলেও মুখে তুলবেন না। গবেষণায় দেখা গেছে, যে ব্যক্তির রাতে ভালোভাবে ঘুম না হয় তাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, মানসিক চাপের মতন রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ছবি সৌজন্য - pexels
এই ইলেকট্রনিক্স জিনিসগুলিতে কাজ করবেন না
অনিদ্রার কারণেই কিন্তু ব্যক্তির শরীরে নানান অসুবিধার সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, এর থেকে বড় রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই ঘুমোনোর আগে মোবাইল, কম্পিউটারের একদমই কাজ করবেন না। এই ইলেকট্রনিক্স জিনিসগুলি থেকে যে নীল আলো বের হয়, তা কিন্তু আপনার শরীরে মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে বাধার সৃষ্টি করে। যে কারণে আপনার ঘুমের নানান সমস্যা হয়।
একই সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন
নিত্যদিন একই সময় ঘুমানোর অভ্যাস করুন। যেমন ঘড়ি ধরে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। যদি আপনি রাত দশটায় ঘুমান, তাহলে দশটাতেই ঘুমাবেন। যদি ১১ টায় ঘুমান তাহলে ১১ টাতেই ঘুমাবেন। এছাড়া ঘরকেও ঘুমের উপযোগী করে তুলুন অর্থাৎ ঘর শান্ত রাখুন, ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন। পরিবেশ অনুকূলে রাখার চেষ্টা করুন। যদি পারেন রাত্রিবেলা জানলা খুলে রাখার চেষ্টা করুন।
কত ঘণ্টা আগে কাজ বন্ধ করে দিন
রাতে ঘুমানোর দু'ঘণ্টা আগে থেকে ফোন, কম্পিউটারে কাজ করা বন্ধ করে দিন। সেই সঙ্গে টিভিও দেখবেন না। এতে কিন্তু আপনার শরীর সুস্থ থাকবে। না হলে মেলাটোনিন হরমোনে বাধার সৃষ্টি হবে। এতে আপনার ঘুম এমনিতেই কমে যাবে।
ব্যায়াম করবেন
নিত্যদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়। যা ঘুমোতে সাহায্য করে। তাই সকালবেলা উঠে নিত্যদিন ব্যায়াম করুন। তারপর সারাদিনের কাজ করুন। রাত্রিবেলা শোওয়ার আগে অন্তত ৫ মিনিট ভালোভাবে শ্বাস প্রশ্বাস নিন। তারপর ১০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। এতে দেখবেন আপনি রাত্রিবেলা খুব ভালো ঘুমাতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications