ডিসেম্বরে ফের বাড়তে পারে রেপোরেট, আবারও মধ্যবিত্তের পকেটে বাড়বে EMI-র বোঝা
ডিসেম্বরে ফের বাড়তে পারে রেপোরেট, আবারও মধ্যবিত্তের পকেটে বাড়বে EMI-র বোঝা
মুদ্রাস্ফীতি সংকট। ফের রেপোরেট বাড়াতে পারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এবং বছরের শেষেই সেই রেপোরেট বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক। অক্টোবরেই এক প্রস্থ রেপোরেট বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। উৎসবের মরশুমে মুদ্রাস্ফীতি িনয়ন্ত্রণে আনতেই রোপেরেট বাড়ানো হয়েছে বলে জািনয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

পর পর ৩ বার রেপোরেট বৃদ্ধি
জুলাই মাস থেকে পর পর তিনবার রেপোরেট বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রতিবারই ৫০বেসিস পয়েন্ট করে রেপোরেট বাড়ানো হয়েছে। জুলাই মাসে রেপোরেট বাড়ানোর পর আবার অগাস্ট মাসে বাড়ানো হয় রেপোরেট। তার পরে আবার অক্টোবর মাসে রেপোরেট বাড়ানো হয়। প্রতিবারই ৫০ বেসিস পয়েন্ট করে বাড়ানো হয়েছে রেপোরেট। তার জেরে গাড়ি-বাড়ির ইএমআই বেড়েছে। মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়েছে। বিশেষ করে পুজোর আগে রেপোরেট বাড়ানোর চাপ পড়েছে মধ্যবিত্তের।

ফের ডিসেম্বররে বাড়তে পারে রোপেরেট
অক্টোবর মাসের পর ফের ডিসেম্বরে বাড়তে পারে রেপোরেট। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ১৯০ বেসিস পয়েন্ট মোটা রেপোরেট বাড়ানোর টার্গেটে রয়েছে রজার্ভ ব্যাঙ্ক। তমধ্যে দেড়শো বেসস পয়েন্ট বাড়ানো হয়ে গিয়েছে রেপোরেট। বাকিটা ডিসেম্বরে বাড়ানো হতে পারে বলে ঙ্গিতদেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে ডিসেম্বরে ৩৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হতে পারে রেপোরেট।

আরও দামি হবে ইএমআই
পর পর তিনবার রেপোরেট বাড়ানোয় সবচেয়ে বেশি চাপ বেড়েছে মধ্যবিত্তের। ইএমআই বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়েছে। কারণ একমাত্র মধ্যবিত্তরাই সবচেয়ে বেশি ব্যাঙ্কে ইএমআই দিয়ে থাকে। সেকারণে রেপোরেটের ওঠাপড়ার উপরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে মধ্যবিত্তের। পুজোর আগে ইএমআইয়ের বোঝা বাড়ায় চাপ পড়েছে মধ্যবিত্তের উপরে। ডিসেম্বরে আবার রেপোরেট বাড়লে ফের মধ্যবিত্তের উপরে চাপ বাড়বে।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই টার্গেট
জুলাই মাস থেকে দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মোদী সরকার। তার জন্য পরপর তিনবার রেপোরেট বাড়ানো হয়েছে সেকারণে। কন্তু তাতেও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। সব জিিনসের দাম বাড়তে শুরু করেছে। সেকারণে ফের রেপোরেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত িনতে চলেছে মোদী সরকার। এদিকে আবার টাকার দামে লাগাতার পতনের কারণেই এই দেশের অর্থনীতি ধাক্কা খেতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications