আপনার এই অভ্যাসগুলি হয়ত পূর্বজন্মেও ছিল, জেনে নিন জাতিস্মরদের গোপন রহস্য
আপনার এই অভ্যাসগুলি হয়ত পূর্বজন্মেও ছিল, জেনে নিন জাতিস্মরদের গোপন রহস্য
পূর্বজন্ম এই কথাটা সবাই কোনও না কোনও সময় শুনে থাকবেন। পূর্বজন্মের ব্যাপারে জানার কৌতুহলও সকলের রয়েছে। যদিও অন্যান্য অনেক জিনিসের মতোই পূর্বজন্মের কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, কিন্তু ধর্মীয় বই, গীতা, বেদ–পুরাণের মতো পৌরাণিক বইতে পূর্বজন্ম নিয়ে অনেক কথাই বলা হয়েছে। সেখানে এও বলা হয়েছে যে কোনও ব্যক্তির পূর্বজন্মের সংস্কার, অভ্যাস, পুণ্য–পাপ তাঁর সঙ্গে পরের জন্মতেও যায়। জ্যোতিষীরা জানিয়েছেন যে আপনার আচরণ, অভ্যাস, চলাফেরা, খাবার খাওয়ার ধরনও অনেক সময় বলে দেয় আপনি জাতিস্মর কিনা।

একই পরিবারে কেন জন্ম হয়
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে অনেকেরই জন্ম একই পরিবারে দ্বিতীয়বার হয়, যাঁরা একসময় ওই পরিবারের সদস্য হিসাবে মারা গিয়েছিলেন। আসলে, মৃত্যুর সময় অধিকাংশ লোকের মনে নিজের পরিবারকে নিয়ে চিন্তা থাকে বা তাঁরা ওই সময় পরিবারের ব্যাপারে ভাবতে থাকেন। এটা বিশ্বাস করা হয় যে শেষ সময়ে ব্যক্তির মনে যেমন স্মৃতি থেকে যায় সে সেভাবেই সামনের দিকে এগিয়ে চলে। মৃত্যুর সময় পরিবারের চিন্তা বেশি হওয়ার কারণে তিনি ফের ওই একই পরিবারে জন্ম নেন।

এভাবে পূর্বজন্ম হয়েছে তা বোঝা যাবে
কিছু শিশুর মধ্যে জন্মের সময় থেকেই কিছু গুণ, বদগুণ ও অসুখ থাকে। বলা হয় যে তা তাঁর পূর্বজন্ম থেকেই এসেছে। যেমন কিছু কিছু শিশু ছোটবেলা থেকে ভালো গান গান গাইতে বা নাচতে পারে অথব কোনও বিশেষ প্রতিভা রয়েছে। এর অর্থ হল সেই শিশুর পূর্বজন্মেও এই একই গুণ ছিল। এগুলি ছাড়াও, কেউ আগের জীবনে তারা কী ছিল তা তাদের চাল-চলন থেকে জানতে পারা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও ব্যক্তি উটের মতো উঠে পড়ে বা শিয়ালের মতো চালাক হয় বা খাওয়ার সময় অদ্ভুত শব্দ করে। এর কারণ তাঁদের পূর্বজন্মে এই অভ্যাস ছিল।

স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন
এই মানুষগুলির স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন এতটাই বাস্তবের কাছাকাছি হয়, যেন তা কোনও ফেলে আসা অতীতের স্মৃতি। তাঁরা তাঁদের স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্নের নিখুঁত বর্ণনা দিতে পারেন। মৃত্যুলোকে পাড়ি দেওয়া মানুষদের যেন তাঁরা মানস চক্ষে দেখতে পান। যেন কথা হয় পরপারের মানুষদের সঙ্গে।

পূর্বজন্মের অভ্যাস থেকে পেতে পারেন রেহাই
পূর্বজন্মের এ জাতীয় কোনও অভ্যাস যদি ব্যক্তির মধ্যে থেকে যায় তবে তা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়গুলি বলা হয়েছে। এর জন্য বিশ্ব জগতের প্রথম গুরু ভগবান শিবের পূজা করা উচিত এবং মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করা উচিত। এ ছাড়াও আপনি একাদশী ও পূর্ণিমার ব্রত করতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications