দুর্গাপুজোয় জ্যোতিষ মতে এই কয়েকটি পন্থা মানলে অভাব হবে না ধন সম্পত্তির
দুর্গাপুজোয় জ্যোতিষ মতে এই কয়েকটি পন্থা মানলে অভাব হবে না ধন সম্পত্তির
যদি জীবনে ধনসম্পত্তি বিষয়ক কোনও সমস্যা থাকে,তাহলে তা কাটিয়ে দেওয়ার একমাত্র সুযোগ দুর্গাপুজোর সময়ের নানান বিধি। বাংলায়য় দুর্গাপুজো আসতে আর মাঝে মাত্র একটা মাস। ইতিমধ্যেই দুর্গাপুজো ঘিরে শুরু হয়ে গিয়েছে সাজো সাজো রব। চারিদিকেই মাতৃবন্দনায় বাঙালি ঘরের মেয়ে উমাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে তারই মাঝে করোনার দাপটে বহু জায়গাতেই হাহাকার। স্বজন হারার কান্না। করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক কষ্টেও বহু মানুষই রয়েছেন। এরই মাঝে এক নজরে দেখা যাক, দুর্গাপুজোতে জ্যোতিষ মতে কীভাবে কাটিয়ে দেওয়া যায়, আর্থিক সমস্যা।

কড়ি
দুর্গাপুজোর সময় যদি প্রথমার দিন ঠাকুরের বেদীতে লক্ষ্মী ঠাকুরের রূপ হিসাবে যদি কড়ি রেখে দেওয়া যায়, তাহলে তা খুবই লাভজনক হবে। এই সময় পুজো করা কড়ি নিজের সঙ্গে রাখলেও তা সুফল দেয়। এই উপায়ে কড়ি দিয়ে বহু আর্থিক দুর্গতি নাশ করা যায়।

হলুদ রঙের কাপড়ে বাঁধুন কড়ি
দুর্গাপুজোর প্রথমা থেকে দশমীর মধ্যে কড়ি, মালতি লতাকে একসঙ্গে নিয়ে একটি হলুদ কাপড়ে বাঁধলে তা সুফল দেবে। এই কাপড় তারপর রোদ্দুরে রেখে তাকে দিয়ে মা লক্ষ্মীর পুজো করা উচিত। এইভাবে মা লক্ষ্মীকে যদি দুর্গাপুজোর সময় পুজো করে তুষ্ট রাখা যায়, তাহলে তা ক খুবই ভালো ফল দেবে।

সাতটি হলুদ কড়ি
অনেক সময় দেখা যায়, বহু পরিশ্রম করেও কিছুতেই কাটছে না, আর্থিক দুর্গতি। এই পরিস্থিতিতে ৭ টি হলুদ রঙের কড়ি নিয়ে তা হলুদ কাপড়ে বেঁধে মা লক্ষ্মীর পায়ের কাছে রেখে দিতে হবে। এই কাজ দুর্গাপুজোর আগেও করা যায়, বা দুর্গা পুজোর সময়ও করা যায়। এরপর দুর্গাপুজোর সময় ওই হলুদ কাপড়ে মোড়া কড়ি আলমারিতে যেখানে টাকা থাকে, সেখানে রেখে দিন। এতে বহু ধরনের সমস্যা কেটে যাবে।

ব্যবসায়ে ক্ষতি হলে কী করণীয়?
যদি আপনি ব্যবসায়ী মানুষ হন, আর আপনার প্রচুর অর্থের ক্ষতি হয়ে যায়, বা ব্যবসায় মন্দা চলে, তাহলে দুর্গাপুজোর নবমীর দিন হলুদ কাপড়ে ১১ টি সাদা কড়ি বেঁধে রাখুন। এরপর এটি আপনি যেকোনও টাকা রাখার জায়গায় রাখুন। শাস্ত্র মতে এতে বহু সমস্যার সমাধান হয়।












Click it and Unblock the Notifications