গণেশ চতুর্থী ২০২১: গণপতির পুজোতে হলুদ অর্পণ করতে ভুলবেন না! জ্যোতিষ মতে রয়েছে এর ফলদায়ী প্রভাব
বিঘ্ন হরণ করে তিনি তলার পথ সহজ করে দেন বলে বিশ্বাস রয়েছে ভক্তদের। এহেন গণেশ দেবের পুজো আর কয়েকদিন বাদেই। চলতি সপ্তাহের শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর রয়েছে গণেশ চতুর্থী। আর তার হাত ধরেই ঘরে সিদ্ধিদাতার আবাহনের প্রস্তুতি জোর কদমে শুরু হয়েছে। এদিকে, গণপতি বাপ্পাকে সাদরে বাড়িতে আনার পর রয়েছে বিবিধ বিধি মেনে পুজো পর্ব। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, কোন পদ্ধতিতে গণপতিকে পুজো করলে ঘরে আসে সৌভাগ্য।


গণেশ পুজো বিধি
বাড়িতে বিয়ে হোক বা ব্যবসায়িক প্রকল্পের শিলান্যাস, গণেশের আরাধনা করেই শুরু হয় যাবতীয় শুভকর্ম। হিন্দু শাস্ত্র মতে সিদ্ধদাতার আশীর্বাদ নিয়েই যে কোনও শুভ কর্ম সম্পন্ন করার রীতি পালিত হয়। এতে বাড়িতে বা কর্মস্থলে আসে ইতিবাচক ফল। এমনই বিশ্বাস রয়েছে শাস্ত্রজ্ঞদের। মনে করা হয়, বাড়িতে যদি গণপতির মূর্তি রাখা যায়, তাহলে বহু খারাপ শক্তির বিনাশ হয়।

হলুদ অর্পণ
গণপতির পুজোয় হলুদ অর্পণ করলে তা সুখদায়ী ফল দেয় বলে বিশ্বাস বহু জ্যোতিষির। মূলত, হলুদ রঙটি হল বৃহস্পতির রঙ। ফলে ভাগ্যে যদি বৃহস্পতি তুঙ্গে রাখতে হয়, তাহলে গণপতির পুজো খুবই জরুরি। শাস্ত্রমতে গণপতির পুজোর সময় মূর্তিতে গণপতিকে একটি হলুদের তিলক কেটে দিল তা শুভ ফল দেবে। এতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আটকে থাকা কাজে যেমন সাফল্য আসে, তেমনই বহু বাধা বিপদ কেটে যায়। এছাড়াও আর্থিক ভাগ্য তুঙ্গে থাকে বলে মনে করা হয়।

গণেশের ভুঁড়ি
বলা হয়, গণেশের মুখ সর্বদা বাড়ির ভিতরের দিকে করে রাখা উচিত। অর্থাৎ বাড়ির বাইরে গণেশের ছবি না রেখে, তা বাড়িতে ঢোকার দরজার পর ঘরের দিকে মুখ করে রাখা উচিত। শাস্ত্র মতে বলা হয়, যেদিকে গণেশের মুখ থাকে, সেদিকে প্রবল প্রভাব , সমৃদ্ধি প্রকাশ পায়। গণেশের ভুঁড়িই গণেশের আশীর্বাদের পরিচায়ক।

সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে উপায়
গণেশ পুজোর দিন হলুদের একটি ছড়া যদি হলুদ কাপড়ে বেঁধে তা গণপতি বাপ্পার সামনে অর্পণ করা যায়, তাহলে ঘরে অর্থ সম্পত্তির অভাব থাকে না। এইভাবে পুজো করার পাশাপাশি, ঘরে যদি কোনও খারাপ প্রভাব থেকে থাকে তাহলে সেটিও চলে যায়। এছাড়াও গণেশ পুজোর দিন গণেশকে হলুদ রঙের পোশাক পরিয়ে এবং অর্পণ করা সামগ্রীর মধ্যে মূর্তির কাছেই হলুদ রাখার বার্তা দিচ্ছেন বিভিন্ন শাস্ত্রজ্ঞ।


Click it and Unblock the Notifications
