মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (chief election commissioner) দায়িত্ব নেওয়ার পরেই করোনা (coronavirus) আক্রান্ত হলেন সুশীল চন্দ্র (sushil chandra) । একইসঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অপর এক নির্বাচন কমিশনারও। গত ১৩ এপ্রিল সুনীল অরোরার অবসরের পরে দেশের ২৪ তম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীল চন্দ্র।
করোনার হানা নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে, আক্রান্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার-সহ দুই শীর্ষ আধিকারিক
দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় প্রতিদিনই আগের রেকর্ড ভাঙছে এবং নতুন রেকর্ড গড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে এবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র এবং অপর নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার।
১২ এপ্রিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সুশীল চন্দ্র অবসর নেওয়ার পরে নির্বাচন কমিশন দুই বেঞ্চের হয়ে দাঁড়ায়। কেননা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তৃতীয় পদটি এখনও খালি রয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারও করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।
তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার প্রায় প্রত্যেক দিনই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক চালিয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কেননা পশ্চিমবঙ্গে এখনও বাকি তিনদফার নির্বাচন। ২২, ২৬ এবং ২৯ এপ্রিল হবে এই তিনদফার নির্বাচন। প্রসঙ্গত সুশীল চন্দ্রের নেতৃত্বেই নির্বাচন কমিশন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারের ওপরে ২৪ ঘন্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পরবর্তী সময়ে দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসু এবং সুজাতা মণ্ডল খাঁ-এর প্রচারের ওপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে কমিশন।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সুশীল চন্দ্র কাজ করবেন ২০২২ সালের ১৪ মে পর্যন্ত। তাঁর এই কার্যকালের মধ্যে গোয়া, মনিপুর, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশের নির্বাচন সম্পন্ন হবে। ২০২২-এর বিভিন্ন সময়ে ওইসব রাজ্যের বিধানসভাগুলির কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সুশীল চন্দ্র ১৯৮০ ব্যাচের ইন্ডিয়ান রেভিনিউ সার্ভিসের আধিকারিক।